হাদীসসমূহের তালিকা
“আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি রহমত বর্ষণ করেন যে নম্রতার সাথে ক্রয়-বিক্রয় করে ও পাওনা ফেরত চায়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পূর্বযুগে কোন এক লোক ছিল, যে মানুষকে ঋণ প্রদান করত। সে তার কর্মচারীকে বলে দিত, তুমি যখন কোন অভাবগ্রস্তের কাছে (পাওনা আদায়ের জন্য) যাবে তখন তাকে ছাড় দিবে। হয়ত আল্লাহ তা‘আলা এ কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিছু সংখ্যক মানুষ আল্লাহ তা‘আলার সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে থাকে। কিয়ামত দিবসে তাদের জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, সওম ব্যতীত আদম সন্তানের প্রতিটি কাজই তার নিজের জন্য, কিন্তু সিয়াম আমার জন্য। তাই আমি এর প্রতিদান দেব
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি রমযানে ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় সাওম পালন করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“জান্নাতের মধ্যে এমন একটি দরজা আছে, যার নাম হল ‘রাইয়ান’; যার মধ্য দিয়ে কেবলমাত্র সিয়াম পালনকারীগণই কিয়ামাতের দিনে প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া আর কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলে বন্দী করা হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সিয়াম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে, তাহলে সে যেন তার সাওম পূর্ণ করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের শেষ দশক ই‘তিকাফ করতেন। তাঁর ওফাত পর্যন্ত এই নিয়মই ছিল। এরপর তাঁর সহধর্মিণীগণও (সে দিনগুলোতে) ই‘তিকাফ করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশকে এতো পরিশ্রম করতেন যা তিনি অন্য সময় করতেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন রমযানের শেষ দশক প্রবেশ করত, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নিজে জাগতেন, নিজ পরিজনদেরকেও জাগাতেন, কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং লুঙ্গি বেঁধে নিতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমণ্ডলকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে নেন”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার বন্ধু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন: প্রতি মাসে তিন দিন করে সওম পালন করা এবং দু‘রাক‘আত সালাতুয-যুহা(চাশতের নামাজ) এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত আদায় করা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা সাহরী খাও, কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিতরের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সাওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর মাংস খাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল ক্বদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ পালন করলো এবং অশালীন কথা-কর্ম ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে এমনভাবে (নিষ্পাপ অবস্থায়) ফিরে যাবে, যেন তার মা তাকে ঐদিনে প্রসব করেছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা হজ ও উমরা একটির পর অপরটি করতে থাক। কেননা, এ দু’টি দারিদ্র্য ও গুনাহ দূর করে দেয়, যেমন কামারের হাপর লোহা, সোনা ও রূপার ময়লা দূর করে দেয়। আর মাবরুর হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া কিছুই নয়”।
عربي
الإنجليزية
الإندونيسية
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া ছিল এরূপ: “আমি হাযির হে আল্লাহ! আমি হাযির, আমি হাযির; আপনার কোনো অংশীদার নেই, আমি হাযির। নিশ্চয় সকল প্রশংসা ও সকল নেয়ামত আপনার এবং কর্তৃত্ব আপনারই, আপনার কোনো অংশীদার নেই”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“এমন কোন দিন নাই যাতে নেক আমল করা আল্লাহর নিকট এ দিনগুলো অর্থাৎ যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের নেক আমল অপেক্ষা অধিক প্রিয় হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা তোমাদের সম্পদ, নফস ও মুখ দিয়ে মুশরিকদের সাথে জিহাদ কর”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে বিষয়ে তোমার সন্দেহ হয়, তা ছেড়ে দিয়ে যাতে সন্দেহের সম্ভাবনা নেই তা গ্রহণ কর। যেহেতু, সত্য হলো শান্তি ও স্বস্তি এবং মিথ্যা হলো দ্বিধা-সন্দেহ”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ আমার উম্মতের হৃদয়ে জাগ্রত বিষয়গুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না সে তা কার্যে পরিণত করে বা মুখে উচ্চারণ করে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও ধন-সম্পদের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি দৃষ্টি দিয়ে থাকেন তোমাদের অন্তর ও আমলের প্রতি।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তায়ালা তার আত্নমর্যাদাবোধ প্রকাশ করেন এবং মুমিনগণও আত্নমর্যাদাবোধ প্রকাশ করে। আল্লাহর আত্নমর্যাদাবোধ উজ্জীবিত হয় যখন মুমিন এমন কিছু করে যা তিনি হারাম করেছেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সাতটি ধ্বংসকারী বিষয় থেকে তোমরা বিরত থাকবে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহ সম্পর্কে সংবাদ দেব না?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কবীরা গুনাহ হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামতের দিন মানুষের মাঝে প্রথমেই রক্ত সংক্রান্ত বিচার করা হবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি কোনো চুক্তিবদ্ধ মানুষকে হত্যা করল সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না, অথচ তার ঘ্রাণ চল্লিশ বছর দূরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যাবে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি চায় যে, তার রিযক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বর্ধিত হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার বন্ধন অক্ষুণ্ণ রাখে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“প্রতিদানকারী আত্মীয়তার হক সংরক্ষণকারী নয়; বরং আত্মীয়তার হক সংরক্ষণকারী সে ব্যক্তি, যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হবার পরও তা বজায় রাখে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কার সঙ্গে আমি অধিক সদ্ব্যবহার করব? তিনি বললেন: “তোমার মায়ের সঙ্গে।” আমি বললাম: এরপর কার সঙ্গে? তিনি বললেন: “তোমার মায়ের সঙ্গে।” আমি বললাম: এরপর কার সঙ্গে? তিনি বললেন: “তোমার মায়ের সঙ্গে।” আমি বললাম: পরে কার সঙ্গে? তিনি বললেন: “তারপর পিতার সঙ্গে, এরপর নিকটতম আত্মীয়কে ক্রমান্বয়ে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা কি জান, গীবত কী?” তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন:“ (গীবত হল) তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কিছু আলোচনা করা, যা সে অপছন্দ করে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“প্রতিটি নেশা উদ্রেককারী বস্তু খমর (মদ), প্রতিটি নেশা উদ্রেককারী বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করবে, এবং তাতে আসক্ত অবস্থায় তাওবা না করে মারা যাবে, সে আখিরাতে তা পান করতে পারবে না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“বিচারের ক্ষেত্রে ঘুষখোর ও ঘুষ প্রদানকারীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা এক অপরের প্রতি হিংসা করো না, কেনাবেচাতে জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে এক অপরকে ধোঁকা দিয়ো না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রেখো না, একে অপর থেকে (ঘৃণাভরে) মুখ ফিরায়ো না এবং একে অপরের কেনাবেচার উপর কেনাবেচা করো না। আর আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে যাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা(ভিত্তিহীন) ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। কারণ ধারণা করা সবোর্চ্চ মিথ্যা কথা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমার সকল উম্মত ক্ষমা পাবে, তবে পাপ-প্রকাশকারী ব্যতীত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে জনমণ্ডলী! তোমাদের হতে আল্লাহ তা’আলা জাহিলিয়াত যুগের দম্ভ ও অহংকার এবং পূর্বপুরুষের অহংকার বাতিল করেছেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহর নিকট অতিশয় ঘৃণিত মানুষ হচ্ছে অতিরিক্ত ঝগড়াটে ব্যক্তি।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন দু’জন মুসলিম তলোয়ার নিয়ে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তির অবস্থান হবে জাহান্নাম
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আমাদের উপর অস্ত্র উঠাবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা মৃতদেরকে গালি দিও না। কেননা তারা নিশ্চিতভাবে তাদের কৃতকর্মের ফল পেয়ে গেছে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কোন ব্যক্তির জন্য হালাল নয় যে সে তার ভাই এর সাথে তিন দিনের বেশি এমনভাবে সম্পর্ক ছিন্ন রাখবে যে, দু’জনে সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে আর অপর জন সে দিকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাদের মধ্যে যে সর্বপ্রথম সালামের সূচনা করবে, সেই উত্তম ব্যক্তি।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি তার দু’চোয়ালের মাঝের বস্তু (জিহ্বা) এবং দু’রানের মাঝখানের বস্তু (লজ্জাস্থান) এর জামানত আমাকে দিবে, আমি তার জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হবো।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“(এক) স্বামী কিংবা মাহরাম(যার সাথে কখনো বিবাহ জায়েয নেই) ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি আমার মৃত্যুর পরে মানুষের মাঝে পুরুষদের জন্য নারীদের চাইতে অধিকতর ক্ষতিকর কোন ফিতনা রেখে যাইনি।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে নেয়। কেননা বিয়ে চোখকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে সংযত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম পালন করে। সওম তার প্রবৃত্তিকে দমন করে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“দুনিয়া হচ্ছে সুমিষ্ট ও সবুজ-শ্যামল এবং আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তাতে প্রতিনিধি করেছেন। অত:পর তিনি দেখবেন তোমরা কিভাবে আমল করো? সুতরাং তোমরা দুনিয়ার ব্যাপারে সাবধান হও এবং সাবধান হও নারীজাতির ব্যাপারে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“হে নারী সমাজ! তোমার সদাক্বাহ করতে থাক। কারণ আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক”। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেনঃ কী কারণে, হে আল্লাহ্র রাসূল? তিনি বললেনঃ “তোমরা অধিক পরিমানে অভিশাপ দিয়ে থাক আর স্বামীর অকৃতজ্ঞ হও। বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও একজন সদাসতর্ক ব্যক্তির বুদ্ধি হরণে তোমাদের চেয়ে পারদর্শী আমি আর কাউকে দেখিনি”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা স্ত্রীলোকদের কাছে প্রবেশ করা থেকে দূরে থাক”। এক আনসারী সাহাবী জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! দেবর সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন, “দেবর তো মৃত্যু সমতুল্য”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়ে নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার সে বিয়ে বাতিল। তিনি একথাটি তিনবার বলেছেন। আর সে যদি তার সাথে সহবাস করে, তাহলে এজন্য তাকে মোহর দিবে। যদি উভয় পক্ষের (অভিভাবকদের) মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে শাসক হবেন তার অভিভাবক। কারণ যাদের অভিভাবক নাই তার অভিভাবক শাসক”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে সে অভিশপ্ত”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“শর্তাবলীর মধ্যে যা পূরণ করার অধিক দাবী রাখে তা হল সেই শর্ত যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করেছ।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“দুনিয়া ভোগ্যপণ্য এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ হল পুণ্যবতী নারী।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হটাৎ দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি আমাকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ’বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তেই দু’টিকে যবেহ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মুসলিমের লুঙ্গি অর্ধ গোছা পর্যন্ত ঝুলানো উচিত। গাঁটের উপর পর্যন্ত ঝুললে ক্ষতি নেই। যে অংশ লুঙ্গি পায়ের গাঁটের নিচে ঝুলবে, তা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। আর অহংকারবশত যে ব্যক্তি পায়ের গাঁটের নিচে ঝুলিয়ে লুঙ্গি পরবে, তার দিকে আল্লাহ (করুণার দৃষ্টিতে) তাকিয়ে দেখবেন না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা হালকা ও মোটা রেশমী কাপড় পরিধান করবে না, আর তোমরা সোনা বা রোপার পাত্রে পানও করবে না, এটা দ্বারা নির্মিত থালা-বাসনে কিছু খাবেও না; কেননা এটা দুনিয়াতে তাদের জন্য আর আমাদের জন্য এটি থাকবে আখিরাতে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তিন ধরণের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, নাবালেগ, যতক্ষণ না সে বালেগ হয় এবং পাগল, যতক্ষণ না জ্ঞানসম্পন্ন হয়”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’কাযা’ আংশিক চুল কর্তন করা থেকে নিষেধ করেছেন।(১)
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মিথ্যা কসম পণ্য চালু করে দেয় বটে, কিন্তু বরকত নিশ্চিহ্ন করে দেয়”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা গোফ কেটে ফেল (অর্থাৎ ঠোটের ওপর থেকে কেটে দাও) এবং দাড়ি ছেড়ে দাও (অর্থাৎ বড় হতে দাও)।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“এক পুরুষ আরেক পুরুষের সতরের দিকে তাকাবে না এবং এক নারীও আরেক নারীর সতরের দিকে তাকাবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম যে নৈতিকতায় সর্বোত্তম।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“নিশ্চয়ই মুমিন ব্যক্তি তার উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে (দিনের) সাওম পালনকারী ও (রাতের) তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর সমান মর্যাদা লাভ করতে পারে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মুমিনদের মাঝে ঈমানে সেই পরিপূর্ণ, তাদের মাঝে যার চরিত্র সুন্দরতম। তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন আমল দ্বারা মানুষ বেশি জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন: “আল্লাহর তাকওয়া ও উত্তম চরিত্রের কারণে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকল মানুষের মধ্যে উত্তম চরিত্রের অধিকারী।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র আল-কুরআনই।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জুতা পরা, মাথা আঁচড়ানো, পবিত্রতা অর্জন করা এবং তাঁর সকল কাজে ডান দিক পছন্দ করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বিষয়ে তোমাদের উপর ইহসান (সুন্দর রূপে আচরণ করা) অত্যাবশ্যক করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহর নিকট যারা ন্যায়পরায়ণ তারা মহান রহমানের ডান পার্শ্বে নূরের মিম্বরের উপর অবস্থান করবে। আর তাঁর উভয় হস্তই ডান
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কেউ অপরের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এবং কেউ অপরকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।১ কেউ কাউকে ক্ষতি করলে, আল্লাহ তার ক্ষতি করেন। আর কেউ কাউকে কষ্টে ফেললে, আল্লাহ তাকেও কষ্টে পতিত করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ হল, কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) ও হাপরে ফু দানকারী (কামারের) ন্যায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি রাগ করো না
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়; বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম “
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়। আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে; কথা বললে মিথ্যা বলে; অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে; এবং বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীলভাবে গালাগালি দেয়”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মুমীন দোষারোপকারী , অভিশাপ-কারী, নির্লজ্জ ও অশ্লীল-ভাষী হয় না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
লজ্জা ঈমানের অঙ্গ
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন কোন ব্যক্তি তার কোন ভাইকে ভালোবাসে, তখন সে যেন তাকে জানিয়ে দেয় যে, সে তাকে ভালোবাসে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“প্রত্যেক সৎ কাজই সাদাকা।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সূর্য উদিত হয় এমন প্রতিটি দিনেই শরীরের প্রতিটি (হাড়ের) জোড়ার জন্য মানুষের সদকা করা আবশ্যক
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের কোনো পার্থিব দুর্ভোগ দূরীভূত করবে, আল্লাহ তার থেকে কিয়ামতের দিনের দুর্ভোগসমূহের মধ্যে কোনো একটি দুর্ভোগ দূর করবেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামতের দিন বান্দার দু’পা সরবে না, যতক্ষণ না তাকে প্রশ্ন করা হবে; তার আয়ু সম্পর্কে, সে তা কিসে শেষ করেছে? তার ইলম (বিদ্যা) সম্পর্কে, সে অনুযায়ী কী আমল করেছে? তার মাল সম্পর্কে, কী উপায়ে তা উপার্জন করেছে এবং তা কোন্ পথে ব্যয় করেছে? আর তার দেহ সম্পর্কে, কোন কাজে সে তা নষ্ট করেছে?”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“বিধবা ও মিসকীন-এর জন্য (খাদ্য জোগাড়) চেষ্টারত ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তার মুজাহিদের মতো অথবা রাতে সালাত আদায়কারী ও দিনে সিয়াম পালকারীর মতো।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা সে যেন চুপ থাকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সাধারণ কোনো ভালো কাজকে তুচ্ছ করে দেখো না। তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাতের মতো (দেখতে সাধারণ কোনো) বিষয়ই হোক না কেনো।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা সত্যকে ধারণ কর। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে, আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, মহান আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“রহমান-আল্লাহ দয়াশীলদের প্রতি দয়া করেন। তোমরা যমীনবাসীদের প্রতি দয়া কর, যিনি আসমানের উপরে তিনি(আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির সে, যে আল্লাহ যা থেকে নিষেধ করেছেন তা ত্যাগ করে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“এক মুসলিমের প্রতি অপর মুসলিমের হক পাঁচটি: ১. সালামের জবাব দেয়া, ২. অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজ-খবর নেয়া, ৩. জানাযায় গিয়ে শরীক হওয়া, ৪. দা’ওয়াত কবুল করা এবং ৫. হাঁচিদাতার জবাব দেয়া।”১
عربي
الإنجليزية
الأوردية
لَا تَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا، وَلَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا، أَوَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى شَيْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ؟ أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ
“তোমরা ঈমান না আনা পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর তোমাদের ঈমান পরিপূর্ণ হবে না যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদেরকে এমন কোন জিনিস বলে দিব না, যার মাধ্যমে তোমরা পরস্পরকে ভালোবাসবে? (তা হলো) তোমরা পরস্পরের মাঝে সালামের ব্যাপক প্রসার করো।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ‘ইসলামের কোন কাজটি উত্তম?’ তিনি বললেন, “খানা খাওয়াবে এবং পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজ বলব না, যার দ্বারা আল্লাহ গোনাহসমূহকে মোচন করবেন এবং (জান্নাতে) তার দ্বারা মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন?”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিন অপেক্ষা আল্লাহর কাছে অধিকতর উত্তম ও পছন্দনীয়। তবে তাদের প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা সব ব্যাপারে নিকটবর্তী ও মধ্যমপন্থা অবলম্বন করো। জেনে রাখো, তোমাদের কেউ আমলের দ্বারা নাজাত লাভ করতে পারবে না। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও না? তিনি বলেন, আমিও না, তবে আল্লাহ যদি স্বীয় রহমত ও অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে আবৃত করে নিয়েছেন”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমাকে জিবরীল ‘আলাইহিস সালাম সর্বদা প্রতিবেশীর ব্যাপারে অসীয়ত করতে থাকেন। এমনকি, আমার ধারণা হয়, শীঘ্রই তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস করে দিবেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্মানের উপর আঘাতকে প্রতিহত করে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিবসে তার চেহারা থেকে জাহান্নামের আগুন কে প্রতিহত করবেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“নম্রতা যে জিনিসেই থাকে, তাকে তা সুন্দর বানিয়ে দেয় এবং তা যে জিনিস থেকেই বের করে নেওয়া হয়, তাকে তা অসুন্দর বানিয়ে দেয়।’’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ। দ্বীন নিয়ে যে বাড়াবাড়ি করে দ্বীন তার উপর জয়ী হয়। কাজেই তোমরা আমলে সঠিক ও মধ্যপন্থা অবলম্বন কর এবং আমলে অবহেলা করো না
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা সহজ করো, কঠিন করো না, লোকদেরকে সুসংবাদ দাও, দূরে ঠেলে দিও না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর কাছে (বসা) ছিলাম। তখন তিনি বললেন: “আমাদের কৃত্রিমতা (লৌকিকতা) থেকে নিষেধ করা হয়েছে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন তোমাদের কেউ খায়, তখন সে যেন ডান হাতে খায় আর যখন পান করে সে যেন ডান হাতে পান করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় ও বাম হাতে পান করে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলো এবং ডান হাতে আহার কর আর তোমার কাছে থেকে খাও
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ঐ বান্দাহর প্রতি সন্তুষ্ট হন, যে খাবার খায়, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করে অথবা পানি পান করে, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
أَنَّ رَجُلًا أَكَلَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشِمَالِهِ، فَقَالَ: «كُلْ بِيَمِينِكَ»، قَالَ: لَا أَسْتَطِيعُ، قَالَ: «لَا اسْتَطَعْتَ
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি রসুন বা পিঁয়াজ খায় সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে অথবা বলেছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদ হতে দূরে থাকে আর নিজ ঘরে বসে থাকে”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে লোক আহার করার পর বলল, الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاَ قُوَّةٍ (সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্য যিনি আমাকে এটা আহার করিয়েছেন এবং এটা আমাকে রিযক দিয়েছেন, আমার তা লাভ করার কোন শক্তি ও সামর্থ ব্যতীত), তার আগের সকল অপরাধ ক্ষমা করা হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি তাঁর হাত অথবা কাপড় মুখের উপরে রাখতেন এবং তিনি তাঁর আওয়াজকে নিচু অথবা নমনীয় করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ তা‘আলা তাঁর দেওয়া রুখসত (শরয়ী বিধানের ছাড়) গ্রহণ পছন্দ করেন, যেভাবে তিনি তাঁর আযীমাত (শরয়ী বিধানের বাধ্যবাধকতা) পালনকে পছন্দ করেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ যে ব্যক্তির কল্যাণ কামনা করেন, তাকে তিনি দুঃখ-কষ্টে পতিত করেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মুসলিম ব্যক্তির ওপর যে সকল কষ্ট, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকন্ঠা, দুশ্চিন্তা, অনিষ্ট ও পেরেশানী আপতিত হয়, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে বিদ্ধ হয়, এ সবের দ্বারা আল্লাহ তার গুনাহসমূহ থেকে ক্ষমা করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বিপদাপদ মু’মিন পুরুষ ও নারীর নিজের জান, সন্তান-সন্ততি ও সম্পদে লেগেই থাকে, যতক্ষণা সে তার ওপর পাপ না থাকাবস্থায় আল্লাহর সাক্ষাত করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ، وَلَيْسَ ذَاكَ لِأَحَدٍ إِلَّا لِلْمُؤْمِنِ، إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ شَكَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ صَبَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ : “মুমিনের ব্যাপার আশ্চর্যজনক। অবশ্যই তার সকল বিষয় তার জন্য কল্যাণময়। আর এটি মুমিন ছাড়া অন্য কারো জন্য হতে পারে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য তা-ই লেখা হয়, যা সে স্বগৃহে অবস্থানকালে সুস্থ অবস্থায় আমল করত।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“অন্ধকার রাতের টুকরোর মত ফিতনাসমূহ আসার পূর্বে নেকীর কাজ দ্রুত ক’রে ফেল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ তা‘আলা যার দ্বারা কল্যাণ চান, তাকে দীনের জ্ঞান দান করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে কিছু শোনে এবং যেমন শুনেছে তেমনভাবে তা পৌঁছে দেয়, আল্লাহ তাকে তরতাজা করুন, কারণ অনেক বাহক শ্রোতার চেয়ে বেশি জ্ঞানী”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা আলিমদের সাথে বড়াই করার জন্য ইলম শিখবে না, নির্বোধের সাথে বিতর্ক করার জন্যও নয়,
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিখায়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দশটি করে আয়াত পাঠ করতেন, তারপরে তারা পরবর্তী দশটি আয়াত আর গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এ আয়াতগুলোর মধ্যে থাকা ইলম ও আমল সম্পর্কে তারা জানতে পারতেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পাঠ করবে তার জন্য এর এর কারণে একটি সাওয়াব আছে। আর সাওয়াবটি তার দশ গুণ বৃদ্ধি পায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কুরআনের ধারককে বলা হবে: তুমি পাঠ কর এবং উপরে উঠতে থাক। তারতীল সহকারে সুন্দর করে পাঠ করবে যেভাবে তুমি দুনিয়াতে তারতীল সহকারে সুন্দর করে পাঠ করতে। নিশ্চয় তোমার সর্বশেষ পাঠকৃত আয়াতের স্থানেই তোমার আবাসস্থল।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, সে যখন তার পরিবারের কাছে ফিরে যাবে, তখন সেখানে সে তিনটি বড় হৃষ্টপুষ্ট গর্ভবতী উটনী দেখতে পাবে?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা কুরআন মুখস্থ রাখার ব্যাপারে অধিক যত্নবান হও । যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আমি সে মহান সত্তার শপথ করে বলছি, কুরআনের মুখস্থ সূরাহ বা আয়াতসমূহ মানুষের মন থেকে বাঁধা উটের চেয়েও অধিক পলায়নপর।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“ তোমাদের ঘরসমূহকে তোমরা কবর বানাবে না।(১) নিশ্চয় যে ঘরে সূরাহ বাক্বারাহ পাঠ করা হয় শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আবুল মুনযির! তুমি কি জান, তোমার সাথে থাকা আল্লাহর কিতাবের কোন আয়াতটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? তখন আমি বললাম: اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ [আল-বাকারা:২৫৫]। এ কথা শুনে তিনি আমার বুকের উপর হাত মেরে বললেন: হে আবুল মুনযির! তোমার ইলমকে স্বাগত।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি কোন রাতে সূরাহ বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সে দুটিই তার জন্য যথেষ্ট।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের শুরু থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের হাত থেকে রক্ষা পাবে।" অন্য বর্ণনায় আছে: “সূরা আল-কাহফের শেষ থেকে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“দু’আই হল ইবাদত
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বক্ষণ আল্লাহর যিকির করতেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ তা‘আলার নিকট দু‘আর চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো বস্তু নেই।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কোন মুসলিম পাপ নেই ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছেদ নেই এমন কোনো দোয়া করে না, যার বিনিময়ে আল্লাহ তাকে তিনটির একটি প্রদান করেন না: হয় তার দোয়া দ্রুত কবুল করেন, অথবা সেটি তার জন্য আখিরাতে জমা রাখেন, অথবা তার থেকে অনুরূপ খারাপ দূর করেন” তারা বলল: তাহলে আমরা বেশী করে করব, তিনি বললেন, “আল্লাহ আরো বেশী দিবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা যখন আল্লাহর কাছে (জান্নাত) চাইবে, তখন তাঁর কাছে জান্নাতুল ফিরদাউস চাও।”
عربي
الإنجليزية
الإندونيسية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দু’আ অধিক পাঠ করতেনঃ«يَا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ» “হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত (দৃঢ়) রাখো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“হে আল্লাহ! আপনি আমার দ্বীনকে শুধরে দিন যা আমার সকল কর্মের হিফাযতকারী
عربي
الإنجليزية
الأوردية
’’হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা চাই
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার জানা-অজানা এখন ও পরে ইহকাল ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার জানা-অজানা এখন ও পরে ইহকাল ও পরকালের যাবতীয় অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে ঈমান পুরাতন হতে থাকে, যেভাবে কাপড় পুরাতন হতে থাকে, সুতরাং আল্লাহর কাছে তোমরা দু‘আ করতে থাক, যেন তিনি তোমাদের অন্তরে ঈমানকে নবায়ন করে দেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে রব হিসেবে আল্লাহকে, দীন হিসেবে ইসলামকে এবং রাসূল হিসেবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সন্তুষ্ট চিত্তে স্বীকার করেছে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি তোমাকে ওয়াসিয়াত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের পর এ দু’আটি কখনো পরিহার করবে নাঃ اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ “আল্লাহুম্মা আঈন্নী ’আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ’ইবাদাতিকা” (অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনার জিকির- স্মরণে, আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এবং আপনার উত্তম ’ইবাদাতে আমাকে সাহায্য করুন)”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“বান্দা সিজদা অবস্থায় স্বীয় রবের সর্বাধিক নিকটবর্তী হয়। সুতরাং (সিজদায়) তোমরা অধিক দু‘আ করো।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে বেশি পড়া দো‘আ হলো,«اللَّهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً، وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ» “হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি কি তোমাদেরকে তোমাদের উত্তম আমলসমূহের সন্ধান দেব না? যা তোমাদের মালিকের কাছে সবচেয়ে পবিত্র, তোমাদের সবচেয়ে মর্যাদা বৃদ্ধিকারী,
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তুমি তো আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করেছো। তবে সেই ব্যক্তির জন্য এ ব্যাপারটা অতি সহজ যে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ তা’আলা তা সহজ করে দেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন তিনি তার দু হাতের তালু একত্রিত করে সূরা ইখ্লাস {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ}, সূরা ফালাক {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} ও সূরা নাস {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ}
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার হচ্ছে,
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“হে আল্লাহ! আপনার অনুগ্রহে আমরা ভোরে উপনীত হই, সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং বাঁচি ও মরি। আর আপনার দিকেই আমাদের প্রত্যাবর্তন”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার বলবেঃ سْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ، فِي الْأَرْضِ، وَلَا فِي السَّمَاءِ، وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ’আল্লাহর নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও যমীনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।’’ সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সকাল-সন্ধ্যায় কুল হুয়াল্লাহু আহাদ এবং মুআওওয়াযাতায়ন (কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরাব্বিন নাস) তিন বার পাঠ করবে; তবে তা সব কিছুর ক্ষেত্রে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
اللهُمَّ أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ» [হে আল্লাহ! আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার সন্তুষ্টির আশ্রয় চাই। তোমার শাস্তি থেকে তোমার শান্তি ও স্বস্তির আশ্রয় চায়। আমি তোমার নিকট তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি। তোমার প্রশংসার হিসাব করা আমার সম্ভব না। তুমি নিজে তোমার যেরূপ প্রশংসা বর্ণনা করেছ, তুমি ঠিক তদ্রুপ।]
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহর কাছে অধিকতর প্রিয় বাক্য চারটি: سُبْحَانَ اللَّهِ (আল্লাহ নিঙ্কলুষ পবিত্র), وَالْحَمْدُ لِلَّهِ (যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর) وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ (এক আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবূদ নেই) এবং اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্লাহ সর্বমহান)। এগুলোর যে কোনটি দিয়ে তুমি শুরু কর, তাতে তোমার কোন ক্ষতি নেই।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি বলবে: (لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ) “আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই, তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব, তারই জন্য যাবতীয় প্রশংসা এবং তিনি সকল বস্তুর উপর সর্বশক্তিমান।” দশবার
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“দুটি কালেমা জিহ্বার উপর (উচ্চারণে) খুবই হালকা, মীযানের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী, রাহমান (পরম দয়ালু আল্লাহ) এর কাছে খুবই প্রিয়
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশত বার (سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ) ‘সুবাহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে তার গুনাহরাশি মাফ করে দেওয়া হবে; যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ মিযান-দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালেমা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার এ কথাগুলো (سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ) অর্থাৎ ‘আল্লাহ সব দোষ থেকে পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবূদ নেই, আল্লাহ সবচেয়ে বড়’ বলা বেশি প্রিয় সে সব কিছু থেকে, যার উপর সূর্য উদিত হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সর্বোত্তম যিকির হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ) আর সর্বোত্তম দু‘আ হলো আলহামদু লিল্লাহ (الْحَمْدُ لِلهِ)।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি কোন স্থানে নেমে এই দো’আ পড়বে, (أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ) অর্থাৎ আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের অসীলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি,তাহলে সে স্থান থেকে অন্যত্র রওনা হওয়া পর্যন্ত কোন জিনিস তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে তখন সে বলবে, اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি তোমার অনুগ্রহের দরজা আমার জন্য খুলে দাও।) যখন হবে, তখন বলবে- اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ (অর্থাৎ- আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহপ্রার্থনা করছি)”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মানুষ যখন নিজ বাড়িতে প্রবেশ করার সময় এবং খাবার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে (‘বিসমিল্লাহ’ বলে), তখন শয়তান (তার সঙ্গীদেরকে) বলে: ’তোমাদের জন্য রাত্রিযাপনের স্থানও নেই এবং রাতের খাবারও নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شيء قدير দিনে একশত বার বলবে
عربي
الإنجليزية
الإندونيسية
বিদায় হজে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে আমাকে নিয়ে হজ করা হয়েছে। আমি তখন সাত বছরের ছেলে।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহনে চড়ে হজ সমাধা করেন। আর ঐ বাহনটিই ছিল প্রয়োজনীয় যাবতীয় সাজ-সরঞ্জামের বাহক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একদিন ও একরাত সীমান্ত প্রহরায় রত থাকা একমাস সিয়াম ও কিয়াম অপেক্ষা উত্তম। আর যদি ঐ অবস্থায় মারা যায়, তাহলে তাতে ঐসব কাজের প্রতিদান দেওয়া হবে, যা সে পূর্বে করত এবং তার রিযিক অব্যাহত থাকবে এবং তাকে (কবরের) ফিৎনা থেকে মুক্ত রাখা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক রমযান মাসের (শেষ) দশদিন ই‘তিকাফ করতেন। তারপর যে বছরে তিনি মারা যান, সে বছরে বিশ দিন ই‘তিকাফ করেছিলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
উক্কায, মাজিন্নাহ ও যুল-মাজায নামক স্থানগুলো (ইসলামপূর্ব) জাহেলী যুগের বাজার ছিল। ফলে সাহাবায়ে কেরাম সে মৌসুমগুলোতে ব্যবসা করাকে পাপ মনে করলেন। তার বৈধতার জন্যে অবতীর্ণ হলো, যার অর্থ, “(হজের সময়) তোমাদের জন্য তোমাদের রবের অনুগ্রহ কামনা (ব্যবসা-বাণিজ্যে) করায় কোনো দোষ নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
প্রত্যেক ব্যক্তির মৃত্যুর সাথে সাথে তার আমল শেষ হয়ে যায়। কিন্তু সীমান্ত প্রহরীর সাওয়াব বন্ধ হয় না। কিয়ামত পর্যন্ত তার আমলের সাওয়াব বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং সে কবরের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমাদের কেউ খাবার খায় তখন সে তার হাত নিজে চাটা অথবা চাটানো ছাড়া হাত মুছবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
উমার ইবনুল খাত্তাব নারীকে অকালে গর্ভপাত করানো সম্পর্কে মানুষের কাছে পরামর্শ চাইলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সা‘দ ইবনু উবাদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তার মায়ের একটি মান্নত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন, যা পূর্ণ করার আগেই তার মা মারা যান। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ করো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহর নিকট মুশরিকদের একজন গুপ্তচর উপস্থিত হলো। তখন তিনি সফরে ছিলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কেউ কি অপর ভাইকে এমনভাবে চিবাতে পারে যেমন উট চিবায়, তোমার কোন ক্ষতিপূরণ নেই
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি বানালেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযির হয়েছে। আর তা পাঁচটি জিনিষ থেকে হয়ে থাকে। আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও জব থেকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মাররুয-যাহরান নামী স্থানে আমরা একটি খরগোশকে উত্যক্ত করলাম। লোকেরা ছুটোছুটি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরের দরজায় বাদী-বিবাদীর তর্কাতর্কি শুনতে পেলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সৈন্যদল পাঠান। ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের সাথে বের হলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আনসারদের এক ব্যক্তি তার গোলামকে মৃত্যুর পরে কার্যকর হবে এই শর্তে আযাদ করলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক যিনাকারী অবিবাহিতা দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আব্দুর রহমান ইবন ‘আওফ এবং যুবায়ের ইবন আ‘ওয়াম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম এক যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট (গায়ে) উকুনের উপদ্রবের অভিযোগ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
উহুদের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে আমাকে উপস্থিত করা হলো, তখন আমি চৌদ্দ বছরের তরুণ। তিনি আমাকে (জিহাদে শরীক হতে) অনুমতি দেন নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর পথে এক সকাল বা এক সন্ধ্যা অতিক্রান্ত করা, সূর্য যার উপর উদয় ও অস্ত যায় তাতে যা রয়েছে তা হতে উত্তম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণীমতের মাল ঘোড়ার জন্য দুই অংশ এবং পুরুষের জন্য এক অংশ বন্টন করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৈন্যদলে যাদের পাঠাতেন তাদের কতককে সাধারণ সৈন্যের অংশ ব্যতিত অতিরিক্ত বিশেষ গণীমত প্রদান করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বনী নাযীরের ধন-সম্পদ ছিল আল্লাহর রাসূলের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ যাতে মুসলিমগণ কোন উট বা ঘোড়া দোড়াতে হয়নি। তাই তা ছিল কেবল আল্লাহর রাসূলেন জন্য খাস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালা তার পরিবারের এক বছরের খরচা আলাদা করে রাখতেন। তারপর অবশিষ্ট সম্পদ আল্লাহর রাস্তার প্রস্তুতি ও ঘোড়ার মধ্যে ব্যয় করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যদি কোনো পুরুষ অথবা বলেছেন কোনো ব্যক্তি তোমার অনুমতি ব্যতীরেকে তোমার দিকে উঁকি মারে আর তুমি তার প্রতি কঙ্কর নিক্ষেপ করে তার চক্ষু উপড়ে ফেলো, এতে তোমার কোন অপরাধ হবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর পথে কেউ আঘাত প্রাপ্ত হলে কিয়ামতের দিন এমতাবস্থায় আসবে যে, তার ক্ষতস্থান থেকে টকটকে লাল রক্ত ঝরছে: রঙ হবে রক্তের রঙ আর সুগন্ধি হবে কস্তুরীর সুগন্ধি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হতে মুক্ত হয়ে যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কেউ তার অংশীদারী গোলাম থেকে নিজের অংশ আযাদ করে দিলে তার দায়িত্ব হয়ে পড়ে নিজস্ব অর্থে সেই গোলামকে পূর্ণ আযাদ করা। যদি তার প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকে, তাহলে গোলামের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি কোন মুসলমান ব্যক্তির মাল নাহক আত্মসাৎ করার জন্য মিথ্যা কসম খাবে, সে আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে, যখন তিনি তার উপর ক্রোধান্বিত থাকবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية