عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ:
«مَنْ نَسِيَ وَهُوَ صَائِمٌ، فَأَكَلَ أَوْ شَرِبَ، فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ، فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللهُ وَسَقَاهُ».

[صحيح] - [متفق عليه] - [صحيح مسلم: 1155]
المزيــد ...

এ অনুবাদটির আরও অধিক সম্পাদনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন.

আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“সিয়াম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে, তাহলে সে যেন তার সাওম পূর্ণ করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন”।

[সহীহ] - [সহীহ বুখারী ও মুসলিম] - [সহীহ মুসলিম - 1155]

ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যাখ্যা করেছেন যে, যে ব্যক্তি সিয়াম রাখার সময় ভুলে কিছু খায় বা পান করে, তা সে ফরয হোক বা নফল, তার উচিত তার সিয়াম পূর্ণ করা এবং ভঙ্গ না করা। কারণ তিনি সিয়াম ভাঙার ইচ্ছা করেননি, বরং এটি ছিল এমন একটি রিযিক যা আল্লাহ তার পর্যন্ত এনেছেন এবং তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন।

হাদীসের শিক্ষা

  1. ভুলে পানাহার করা ব্যক্তির সিয়ামের বৈধতা।
  2. যে ব্যক্তি ভুলে পানাহার করে, তার কোন পাপ নেই; কারণ এটা তার ইচ্ছায় নয়।
  3. বান্দাদের প্রতি আল্লাহর দয়া, তাদের উপর সহজ করে দেওয়া এবং তাদের কাছ থেকে কষ্ট ও অসুবিধা দূর করা।
  4. তিনটি শর্ত পূরণ না হলে রোযা ভঙ্গকারী কিছু দিয়ে একজন রোযাদারের রোযা ভঙ্গ হবে না; প্রথমত: তাকে জানতে হবে, যদি সে অজ্ঞ হয়, তাহলে তার রোযা ভাঙবে না। দ্বিতীয়ত: তাকে স্মরণকারী হতে হবে, যদি সে ভুলে যায়, তার রোযা বৈধ এবং তাকে কাযা করতে হবে না। তৃতীয়ত: তাকে স্বেচ্ছায় রোযা ভঙ্গকারী জিনিস খেতে হবে, বাধ্য করা হলে হবে না।
অনুবাদ প্রদর্শন
ভাষা: ইংরেজি উর্দু স্পানিস আরো (43)