হাদীসসমূহের তালিকা

بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ» “ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আপনি কী বলেন, যদি আমি শুধু ফরয সালাতগুলো আদায় করি, রমজানের সিয়াম রাখি, যা হালাল তা হালাল মনে করে গ্রহণ করি এবং যা হারাম তা হারাম জেনে তা থেকে বিরত থাকি
عربي الإنجليزية الأوردية
“খাবারের উপস্থিতিতে ও দু’টি খারাপ বস্তু আটকে রেখে কোনো সালাত নেই।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“জুমু‘আর দিন ইমামের খুতবাহ দেওয়ার সময় যখন তুমি তোমার পাশের মুসল্লীকে বললে, ‘চুপ করো’, তখন তুমি অনর্থক কাজ করলে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“হে আল্লাহ! আমার কবরকে পূজনীয় মূর্তি বানিয়ে দিওনা।
عربي الإنجليزية الأوردية
“মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে কঠিন সালাত হলো এশা ও ফজরের সালাত। তারা যদি তার ফযিলত জানতো তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হত
عربي الإنجليزية الأوردية
“পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, এক জুমু‘আ থেকে আরেক জুমু‘আ আদায় করা এবং এক রমযান থেকে অপর রমযান পালন করা, এগুলোর মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে; যদি সে কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল ক্বদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করলো সে আল্লাহর যিম্মাদারিতে থাকলো
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি ‘আসরের সালাত ছেড়ে দেয় তার ‘আমল বিনষ্ট হয়ে যায়।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা কবরের উপর বসবে না এবং কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে না।”
عربي الإنجليزية الأوردية
এরা এমন সম্প্রদায় যে, এদের মধ্যে কোন সৎ বান্দা অথবা বলেছেন কোন সৎ লোক মারা গেলে তার কবরের উপর তারা মসজিদ নির্মাণ করত।
عربي الإنجليزية الأوردية
“আমি সাতটি অঙ্গের দ্বারা সিজদা করার জন্য নির্দেশিত হয়েছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝখানে বলতেন: (اللَّهمَّ اغْفِرْ لي، وارْحَمْنِي، وعافِني، واهْدِني، وارزقْنِي) অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন,আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং রিজিক দান করুন।
عربي الإنجليزية الأوردية
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনিই সালাম। আপনার পক্ষ থেকেই শান্তি। আপনি বরকতময়, হে মহামহিম ও মহা সম্মানিত।
عربي الإنجليزية الأوردية
“দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তাতে সমর্থ না হলে বসে, যদি তাতেও সক্ষম না হও তাহলে কাত হয়ে শুয়ে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
তুমি কি সালাতের আযান শুনতে পাও?” তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তবে তুমি (জামা’আতে) উপস্থিত হবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তোমাদের কেউ সালাতে উপস্থিত হয় আর ইমাম একটি অবস্থায় থাকে, তখন সে তাই করবে যেমন ইমাম করবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ» “ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আপনি কী মনে করেন , যদি আমি ফরয সালাতসমূহ আদায় করি, রমাদানের সিয়াম পালন করি, হালালগুলোকে হালাল মানি এবং হারামসমূহকে হারাম মনে করি,
عربي الإنجليزية الأوردية
“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ মিযান-দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালেমা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দেয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
“মুওয়াযযিন যখন ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ বলে, তোমাদের কোন ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে তখন তার জবাবে বলেঃ ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার
عربي الإنجليزية الأوردية
“যদি কেউ কোনো সালাত ভুলে যায়, তাহলে যখন তা স্মরণ করবে, তখনই তা আদায় করবে। এ ছাড়া সালাতের অন্য কোনো কাফ্ফারা নেই
عربي الإنجليزية الأوردية
“বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেয়া”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“আমাদের ও তাদের মধ্যে প্রতিশ্রুতি হচ্ছে সালাত। যে তা পরিত্যাগ করল সে কুফুরী করল।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়ায্‌যিন যা বলে তোমরাও অনুরূপ বল।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা কর; কেননা কাতার সোজা করা সলাতের পূর্ণতার অন্তর্ভুক্ত।“
عربي الإنجليزية الأوردية
”নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমি দশ রাক‘আত সালাত আমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রেখেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল, তার মনে হয় সে সালাতে কিছু একটা অনুভব করে। তিনি বললেন, সে (সালাত) ছেড়ে যাবে না, যতক্ষণ না শব্দ শোনে বা দুর্গন্ধ পায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন রাতের খাবার উপস্থিত হয় এবং সলাতের ইকামতও শুরু হয়ে যায় তখন তোমরা আগে আহার করো।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের পর সূর্য উজ্জ্বল হয়ে না উঠা পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
أَمَا يَخْشَى أَحَدُكُمْ - أَوْ: لاَ يَخْشَى أَحَدُكُمْ - إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ قَبْلَ الإِمَامِ، أَنْ يَجْعَلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ، أَوْ يَجْعَلَ اللَّهُ صُورَتَهُ صُورَةَ حِمَارٍ “তোমাদের কেউ যখন ইমামের পূর্বে মাথা উঠিয়ে ফেলে, তখন সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ তা‘আলা তার মাথা গাধার মাথায় পরিণত করে দিবেন, অথবা তার আকৃতি গাধার আকৃতি করে দিবেন।”
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শুরু করতেন, তখন উভয় হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত তাঁর উভয় হতের মধ্যে রেখে আমাকে এমনভাবে তাশাহহুদ শিখিয়েছেন, যেভাবে তিনি আমাকে কুরআনের সূরা শিখাতেন
عربي الإنجليزية الأوردية
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ النَّارِ، وَمِنْ فِتْنَةِ المَحْيَا وَالمَمَاتِ، وَمِنْ فِتْنَةِ المَسِيحِ الدَّجَّالِ ‘হে আল্লাহ ! আমি আপনার সমীপে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জাল
عربي الإنجليزية الأوردية
اللهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা সিজদায় মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। তোমাদের কেউ যেন তার বাহুদ্বয় কুকুরের ন্যায় বিছিয়ে না রাখে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি আনাস ইব্নু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাঁর না‘লাইন (চপ্পল) পরে সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন, হাঁ।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা আমার কবরকে মেলায় পরিণত করো না আর তোমাদের ঘরগুলোকে কবরে পরিণত করো না। তোমরা যেখানেই থাকো না কেন তোমাদের সালাম আমার কাছে পৌঁছে যায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
কে প্রশ্ন করলাম,আল্লাহর নিকট কোন আমলটি সর্বাধিক প্রিয়?’ তিনি বললেন, “যথা সময়ে সালাত আদায় করা।” আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, ’তারপর কোনটি?’ তিনি বললেন, “পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা।” আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, ’তারপর কোনটি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদ করা।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম, যাকাত আদায়, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করা ও তাদের আদেশ মান্য করা ও প্রতিটি মুসলিমের কল্যাণ কামনা করার শর্তে আমি বাই‘আত গ্রহণ করেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি তোমাকে ওয়াসিয়াত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের পর এ দু’আটি কখনো পরিহার করবে নাঃ اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ “আল্লাহুম্মা আঈন্নী ’আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ’ইবাদাতিকা” (অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনার জিকির- স্মরণে, আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এবং আপনার উত্তম ’ইবাদাতে আমাকে সাহায্য করুন)”।
عربي الإنجليزية الأوردية
এক রাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ইশার সালাত আদায় করতে দেরী করছিলেন, তখন ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু উঠে গিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললনে, ‘আস-সালাত’ হে আল্লাহর রাসূল! বাচ্চা ও নারীরা ঘুমিয়ে পড়ার উপক্রম। তারপর তিনি বের হলেন তার মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। আর তিনি বলছিলেন “যদি আমার উম্মাতরে জন্য কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে এ সালাত এ সময়ে আদায় করার নির্দেশ দিতাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আয়েশা! উঠো, বিতর সালাত আদায় করো।
عربي الإنجليزية الأوردية
اللهُمَّ أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ» [হে আল্লাহ! আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার সন্তুষ্টির আশ্রয় চাই। তোমার শাস্তি থেকে তোমার শান্তি ও স্বস্তির আশ্রয় চায়। আমি তোমার নিকট তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি। তোমার প্রশংসার হিসাব করা আমার সম্ভব না। তুমি নিজে তোমার যেরূপ প্রশংসা বর্ণনা করেছ, তুমি ঠিক তদ্রুপ।]
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বোত্তম সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, তিনি বললেন, “দীর্ঘ কিয়ামযুক্ত সালাত।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন এক লোকের ব্যাপারে উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত এমনকি ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। তখন তিনি বললেন, “সে এমন লোক যার উভয় কানে অথবা তিনি বললেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তুমি আল্লাহর জন্য অবশ্যই বেশি বেশি সিজদা করবে; কেননা তুমি যখনই আল্লাহর জন্য একটি সিজদা করবে, আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে তোমার মর্যাদা একধাপ বৃদ্ধি করে দিবেন এবং তোমার একটি গুনাহও মাফ করে দিবেন।”
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য দাঁতন ও ওযূর পানি প্রস্তুত করে রাখতাম। অতঃপর আল্লাহর যখন রাতে তাঁকে জাগাবার ইচ্ছা হত, তখন তিনি জেগে উঠতেন। তারপর দাঁতন করতেন, ওযূ ক’রতেন ও সালাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি দু’টি ঠাণ্ডায় সালাত পড়বে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“পরুষের জামা‘আতের সঙ্গে সালাত পড়ার নেকী, তার বাজারে ও বাড়িতে সালাত আদায়ের চেয়ে বিশেরও বেশি গুণ নেকী।
عربي الإنجليزية الأوردية
দৈহিক ব্যথা বা অন্য কোন অসুবিধার কারণে যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের সালাত ছুটে যেত, তাহলে তিনি দিনের বেলায় ১২ রাকাত সালাত পড়তেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি রসুন বা পিঁয়াজ খায় সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে অথবা বলেছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদ হতে দূরে থাকে আর নিজ ঘরে বসে থাকে”
عربي الإنجليزية الأوردية
‘‘আচ্ছা তোমরা বল তো, যদি কারোর বাড়ির দরজার সামনে একটি নদী থাকে, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, তাহলে তার শরীরে কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে কি?’’
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা সালাতে কথা বলতাম। সালাতে একজন মানুষ তার পাশের লোকের সাথে কথা বলত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলো, “তোমরা আল্লাহর জন্যে চুপ করে দাঁড়াও”। ফলে আমাদের চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো এবং কথা বলতে নিষেধ করা হলো।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সূর্য্য গ্রহণ হলো। তখন তিনি একজন আহ্বানকারীকে আহ্বান করতে প্রেরণ করলেন: সালাতের জন্যে উপস্থিত হোন। তারা একত্র হলো এবং তিনি সামনে অগ্রসর হলেন। তিনি তাকবীর বললেন, দুই রাকা‘আতে চারটি রুকু‘ ও চারটি সেজদা আদায় করেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাতের সব অংশেই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অর্থাৎ বিভিন্ন সময়ে) সালাত বিতর আদায় করতেন। রাতের প্রথমাংশে, মধ্যভাগে ও শেষাংশের সালাতে বিতর আদায় করতেন। রাতের শেষভাগে সাহরির সময় তার বিতর শেষ হতো।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে সালাতের আদেশ দাও; যখন তারা সাত বছরের হবে। আর তারা যখন দশ বছরের সন্তান হবে, তখন তাদেরকে সালাতের জন্য প্রহার কর এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত (দরূদ) পেশ করবো?
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়ল না তার সালাত নেই।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন নাপাকী থেকে ফরজ গোসলের ন্যায় গোসল করে এবং প্রথম প্রহরে মসজিদে গমন করে সে যেন একটি উট কুরবানী করল
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের মধ্যে যে জুমু‘আয় উপস্থিত হয় সে যেন গোসল করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অযূ করল, অতঃপর জুমু‘আ পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে নীরব থেকে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুমআ ও (আগামী) জুমআর মধ্যেকার এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের (ছোট) পাপসমূহ মাফ ক’রে দেওয়া হয়
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মসজিদে গমন করে, আল্লাহ তার জন্য আপ্যায়নস্থল জান্নাতে প্রস্তুত করেন। সে যতবার সকাল অথবা সন্ধ্যায় গমনাগমন করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি তীর সঙ্গে নিয়ে আমাদের কোনো মসজিদ অথবা কোনো বাজারের ভিতর দিয়ে অতিক্রম করবে, তার উচিৎ হবে, হাতের চেটো দ্বারা তার ফলাকে ধরে নেওয়া। যাতে কোনো মুসলিম তার দ্বারা কোনো প্রকার কষ্ট না পায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
“হে লোকসকল! তোমরা সালামের ব্যাপক প্রচলন করো, আহার করাও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বহাল রাখো এবং লোকজন যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন রাতের বেলা সালাত পড়ো। শান্তিতে জান্নাতে প্রবেশ করো”।
عربي الإنجليزية الأوردية
ইমাম যখন আমীন বলবে, তখন তোমরাও আমীন বলবে; কেননা যে ব্যক্তির আমীন ফিরিশতাদের আমীনের সাথে মিলবে তার পূর্ব-জীবনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কেউ যখন সালাতের ইমামতি করে, সে যেন সালাত সংক্ষেপ করে; কেননা, তাদের মধ্যে রয়েছে দুর্বল, রোগী ও কর্মজীবি লোকে। তোমরা যখন নিজেরা একাকী সালাত আদায় করো তখন যতো ইচ্ছা দীর্ঘ করো।
عربي الإنجليزية الأوردية
অনুসরণ করার জন্যেই ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে। অতএব, তোমরা আমলে তার সাথে অনৈক্য করো না। যখন সে তাকবীর বলে তোমরাও তখন তাকবীর বল এবং যখন সে রুকু করে তোমরাও তখন রুকু কর। আর যখন সে, ‘সামিআ‘ল্লাহুলিমান হামিদাহ’ বলে, তোমরা তখন ‘রাব্বানা লাকাল হামদ্’ বল, আর যখন সে সাজদাহ করে তোমরাও তখন সাজদাহ কর। আর যখন সে বসে সালাত পড়ে তোমরাও তখন সম্মিলিতভাবে বসে সালাত পড়।
عربي الإنجليزية الأوردية
“এমন কোন ব্যক্তি কখনোই জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত ( ফাজর ও আসরের সালাত) আদায় করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“কোন মুসলিমের যখন কোন ফরয সালাতের ওয়াক্ত হয়, আর সে উত্তমরূপে সালাতের অযু করে, সালাতের নিয়ম ও রুকূকে উত্তমরূপে আদায় করে, তা হলে যতক্ষণ না সে কোন কাবীরাহ গুনাহে লিপ্ত হবে তার এ সালাত তার পিছনের সকল গুনাহের জন্যে কাফফারাহ হয়ে যাবে। আর এ (ফজীলত) সবসময়ই প্রযোজ্য।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“কতক জিকির রয়েছে প্রতিটি ফরয সালাতের পর, যে ব্যক্তি এগুলো পাঠ করবে সে বঞ্চিত হবে না। তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আল হামদু লিল্লাহ এবং চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলা।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যাক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে বলবে: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি সন্তুষ্ট আল্লাহকে রব হিসেবে পেয়ে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূল হিসেবে পেয়ে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে।” তার গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা যদি এই শহরের (মদীনার) লোক হতে, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদে উঁচুস্বরে কথা বলছ!’
عربي الإنجليزية الأوردية
হে লোক সকল! তোমরা দুই শ্রেণির এমন গাছ (সবজি) খেয়ে থাক; যা আমি (কাঁচা অবস্থায় খাওয়া) অনুপযুক্ত মনে করি; পিঁয়াজ ও রসুন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন অযু করল সে যথেষ্ট করল ও ভালো করল, আর যে গোলস করল সে অধিক উত্তম।
عربي الإنجليزية الأوردية
“জুমু‘আর দিন প্রত্যেক বালিগের জন্য গোসল করা ওয়াজিব (কর্তব্য)। আর মিস্ওয়াক করবে এবং সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তিন সময়ে আমাদের মৃতদের জানাযা পড়তে এবং তাদেরক কবরস্থ করতে নিষেধ করেছেন
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দু‘আ বলবে, اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ القَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا الوَسِيلَةَ وَالفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ (হে আল্লাহ এই পূর্ণাঙ্গ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের তুমিই রব! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তুমি জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান ও মর্যাদা দান করো এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো)। তার জন্য কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশ অনিবার্য হয়ে যাবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
পাপ্ত বয়স্কা নারীর সালাত আল্লাহ তা‘আলা উড়না ছাড়া কবুল করেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের কেউ যেন এক কাপড়ে সালাত আদায় না করে যে অবস্থায় তার গর্দানের ওপর কোন কিছুই থাকে না”।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের সওয়ারীর উপর (নফল) সালাত আদায় করতেন— সওয়ারী তাঁকে নিয়ে যে দিকেই মুখ করত না কেন। কিন্তু যখন ফরয সালাত আদায়ের ইচ্ছা করতেন, তখন নেমে পড়তেন এবং ক্বিবলামুখী হতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফর করতেন তখন নফল সালাত আদায় করার ইচ্ছা করলে তিনি তার উষ্টিকে কিবলামুখ করতেন এবং তাকবীর বলতেন। তারপর সালাত আদায় করতেন যে দিকে তার বাহন তাকে ফিরাতো।
عربي الإنجليزية الأوردية
কবরস্থান এবং গোসল খানা ছাড়া সমগ্র যমীন মসজিদ।
عربي الإنجليزية الأوردية
পুরুষদের বেলায় তাসবীহ্ (সুবহানাল্লাহ্) বলা, তবে মহিলাদের বেলায় ‘তাসফীক’ (এক হাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের তালুতে মারা)।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কেউ যখন কোনো বস্তুর দিকে ফিরে সালাত আদায় করে যা তাকে মানুষকে থেকে আড়াল করে, আর কেউ তার সামনে দিয়ে যেতে চায়, তাহলে সে তাকে বাধা দিবে, সে যদি না মানে, তবে সে ব্যক্তি (মুসল্লী) তার সাথে লড়াই করে, কেননা সে শয়তান।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার রবের সাথে কানে কানে (ফিসফিস ক’রে কথা) বলে। আর তার রব তার ও কেবলার মধ্যস্থলে থাকেন। সুতরাং তোমাদের কেউ যেন কেবলার দিকে থুথু না ফেলে; বরং তার বামে অথবা পদতলে ফেলে। অতঃপর তিনি তাঁর চাদরের এক প্রান্ত ধরে তাতে থুথু নিক্ষেপ করলেন। তারপর তিনি তার এক অংশকে আর এক অংশের সাথে রগড়ে দিয়ে বললেন, কিংবা এইরূপ করে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
আমার সামনে থেকে তোমার এই পর্দা সরিয়ে নাও, কারণ সালাত আদায়ের সময় এর ছবিগুলো আমার সামনে ভেসে ওঠে।
عربي الإنجليزية الأوردية
“লোকদের কী হয়েছে যে, তারা তাদের সালাতে আকাশের দিকে দৃষ্টি তুলছে?” এ ব্যাপারে তিনি কঠোর বক্তব্য রাখলেন; এমনকি তিনি বললেন, “তারা যেন অবশ্যই এ কাজ হতে বিরত থাকে; নচেৎ অবশ্যই তাদের দৃষ্টি কেড়ে নেওয়া হবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
সালাতে হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব কেউ যখন হাই তুলে তখন সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
মাসজিদে থুথু ফেলা গুনাহের কাজ, আর তার কাফফারাহ (প্রতিকার) হচ্ছে তা দাবিয়ে দেয়া (মুছে ফেলা)।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমাকে মসজিদসমূহ মজবুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
عربي الإنجليزية الأوردية
হতে পারে তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিরাত পড়। আমরা বললাম হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। বললেন, তোমরা তা করো না, তবে সূরা ফাতিহা। কারণ, যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়ে না তার সালাত হয় না।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যখন তুমি সিজদা করো তোমার হাতের তালু মাটিতে রাখো এবং উভয় কনুই উচু করে রাখো”।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চার জানু হয়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তোমাদের কেউ সেজদাহ করে সে যেন উটের বসার মতো না বসে। আর সে যেন তার দুই হাতকে তার দুই হাঁটু রাখার আগে রাখে।
عربي الإنجليزية الأوردية
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তার দুই হাঁটুর পূর্বে দুই হাতকে রাখতেন। আর তিনি বলতেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করবেতন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি ডান দিকে সালাম ফিরানোর সময় বলতেন ’’আসসালামু ’আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’’ এবং বাঁ দিকে সালাম ফিরানোর সময় বলতেন ’’আসসালামু ’আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’’।
عربي الإنجليزية الأوردية
‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক [ফরয] সালাত বাদ ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদু লিল্লাহ ও ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং একশত পূর্ণ করতে لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ (‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু অহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু অলাহুল হামদু অহুয়া আলা কুলি শায়ইন ক্বাদীর’) পড়বে, তার গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে; যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমান হয়।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি ফরয সালাতের পরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করতে কেবল মৃত্যু ছাড়া কোন কিছুই বাধা দেবে না।”
عربي الإنجليزية الأوردية
তারা সত্য বলেছে, তাদেরকে এমন শাস্তি দেওয়া হয় যা সব চতুষ্পদ জন্তু শুনতে পায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়—কত রাকা‘আত পড়ছে তিন নাকি চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। তারপর সালামের পূর্বে দু’টি (সাহু) সাজদাহ করবে
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাজর হবার পর জামা‘আত দাঁড়ানোর পূর্বে সংক্ষিপ্ত দু’রাক‘আত সলাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাকাত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকাত সালাত ত্যাগ করতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি জোহরের পূর্বে চার রাকাত এবং তার পরে চার রাকাত সালাত রীতিমত আদায় করবে তার উপর আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন”।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহ সে ব্যক্তির উপর রহমত বর্ষণ করেন যে আসরের (ফরযের) পূর্বে চার রাক‘আত (নফল) সালাত আদায় করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকাতে {قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ} এবং {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ} পাঠ করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাত ও দিনের সালাত দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রমযান মাসের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সিয়াম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহার্রামের সিয়াম। আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের (তাহাজ্জুুদের) সালাত।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা তের রাক‘আত সলাত আদায় করতেন, যার ভিতর আছে বিতির এবং ফজরের দু’ রাক‘আত (সুন্নাত)।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা ভোর করার পূর্বে ভিতিরের সালাত আদায় কর।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগ্রত না হওয়ার আশঙ্কা করে সে যেন প্রথম রাতে বিতির পড়ে নেয়, আর যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগার আশা করে সে যেন শেষ রাতে বিতির পড়ে নেয়। কারণ, শেষ রাতের সালাতের সময় ফিরিশতাদের উপস্থিত হয়। আর তা অবশ্যই উত্তম।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের একজনের একাকী সালাতের চেয়ে জামাতের সালাত পঁচিশ গুণ উত্তম। আর রাতের ফেরেশতা এবং দিনের ফেরেশতারা ফজরের সালাতে একত্রিত হন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি আযান শুনলো এবং তার কোন ওযর না থাকা সত্ত্বওে জামাআতে উপস্থতি হলো না, তার সালাত নাই।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঘরে সলাত আদায় কর। কেননা, ব্যক্তির উত্তম সালাত হচ্ছে তার ঘরের সালাত তবে ফরয সালাত ব্যতীত।
عربي الإنجليزية الأوردية
“পুরুষদের জন্য প্রথম লাইন উত্তম এবং শেষের লাইন মন্দ। মহিলাদের জন্য শেষের লাইন উত্তম এবং প্রথম লাইন মন্দ”।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কাতারের পিছনে একা সালাত আদায় করতে দেখলেন এবং তিনি তাকে তার সালাত পুনরায় পড়তে নির্দেশ দিলেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“এ দুটি সালাত মুনাফিকদের ওপর অন্যান্য সালাতের তুলনায় কঠিন। যদি তোমরা জানতে তাতে কত ফযীলত রয়েছে তাহলে তোমরা হাঁটুর ওপর হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হবে
عربي الإنجليزية الأوردية
“তিন ধরণের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, নাবালেগ, যতক্ষণ না সে বালেগ হয় এবং পাগল, যতক্ষণ না জ্ঞানসম্পন্ন হয়”।
عربي الإنجليزية الأوردية
এবং আমি বনু সা‘দ ইবনু বকরের ভাই দ্বিমাম ইবনু ছা‘লাবাহ।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা যখন মুওয়াযযিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার ওপর দুরূদ পাঠ কর
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্যে মাসজিদ নির্মাণ করল, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্যে জান্নাতে অনুরূপ তৈরি করবেন”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“মাসজিদুল হারাম ব্যতীত আমার এ মসজিদে সালাত আদায় করা অন্য মসজিদে এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, সে যেন বসার আগে দু’রাকাত সালাত আদায় করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে তখন সে বলবে, اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি তোমার অনুগ্রহের দরজা আমার জন্য খুলে দাও।) যখন হবে, তখন বলবে- اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ (অর্থাৎ- আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহপ্রার্থনা করছি)”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“হে বিলাল! সালাত কায়িম করো। আর তার মাধ্যমে আমাদেরকে শান্তি দাও”।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে লোক সকল! আমি এটা এ জন্য করেছি যে, তোমরা যেন আমার অনুসরণ করতে এবং আমার সালাত শিখে নিতে পার”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা যখন সালাত আদায় করবে, তোমাদের কাতারগুলো ঠিক করে নিবে। অতঃপর তোমাদের কেউ তোমাদের ইমামতি করবে। সে যখন তাকবীর বলবে, তোমরাও তখন তাকবীর বলবে
عربي الإنجليزية الأوردية
যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! তোমাদের মধ্য হতে আমার সালাত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। দুনিয়া হতে বিদায় নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত এই সালাতই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাত ছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
“মানুষের মাঝে সবচেয়ে খারাপ চোর হলো যে তার সালাতে চুরি করে”। তিনি বলেন, সালাতে কিভাবে চুরি করে? তিনি বললেন, “সে তার রুকু ও সাজদাহ পূর্ণ করে না”।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু থেকে পিঠ উঠানোর সময় বলতেনঃ «سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ফরয সালাতের পর বলতেন
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সাজদার মাঝখানে বলতেন:«رَبِّ اغْفِرْ لِي، رَبِّ اغْفِرْ لِي» “হে আমার রব, তুমি আমাকে ক্ষমা করো। হে আমার রব, তুমি আমাকে ক্ষমা করো”।
عربي الإنجليزية الأوردية
এটা এক (প্রকারের) শয়তান— যার নাম ’খিনযিব’। যে সময় তুমি তার উপস্থিতি বুঝতে পারবে তখন (আউয়ুবিল্লাহ পড়ে) তার অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে তিনবার তোমার বাম পাশে থুথু ফেলবে
عربي الإنجليزية الأوردية
একদা লোকেরা কুবা নামক স্থানে ফজরের সালাত আদায় করছিলেন। এমন সময় তাদের নিকট এক ব্যক্তি এসে বললেন যে, এ রাতে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হয়েছে। আর তাঁকে কা‘বামুখী হবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কাজেই তোমারা কা‘বার দিকে মুখ কর।
عربي الإنجليزية الأوردية
বিলাল রাতে আযান দেয়, তোমরা খেতে ও পান করতে থাকবে যে পর্যন্ত ইবনে উম্মে মাকতূমের আযান না শুনবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
একদা জনৈক বেদুঈন এসে মাসজিদের এক পাশে পেশাব করে দিল। তা দেখে লোকজন তাকে ধমক দিতে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম তাদের নিষেধ করলেন। সে তার পেশাব করা শেষ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশে এর উপর এক বালতি পানি ঢেলে দেয়া হল।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি তো আপনাকে দেখলাম কিবলাহ বিহীন দিকে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমন করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন যে, এক ব্যক্তি আলাদা দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি লোকদের সাথে সলাত আদায় করেন নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তোমাকে লোকদের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে বিরত রাখলো? তিনি বললেন, আমার উপর গোসল ফরয হয়েছে। অথচ পানি নেই। তিনি বললেন, পবিত্র মাটি নাও (তায়াম্মুম কর), এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারসমূহ সোজা করবে, নচেৎ তিনি তোমাদের চেহারা পরিবর্তন করে দিবেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি সাবালক হবার নিকটবর্তী বয়সে একদা একটি গাধীর উপর আরোহিত অবস্থায় এলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিনায় সালাত আদায় করছিলেন তার সামনে কোন দেয়াল না রেখেই। তখন আমি কোন এক কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলাম এবং গাধীটিকে বিচরণের জন্য ছেড়ে দিলাম। আমি কাতারের ভেতর ঢুকে পড়লাম কিন্তু এতে কেউ আমাকে নিষেধ করেননি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতের ইচ্ছা করতেন তখন দাঁড়ানোর সময় তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর যখন রুকূতে যেতেন তাকবীর বলতেন। অতঃপর যখন রুকূ‘ হতে মেরু দন্ড সোজা করতেন তখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বাহনের পিঠে সালাত আদায় করতেন। যেদিকেই তার মুখ হতো সেদিকেই মুখ করতেন। তিনি মাথা দ্বারা ইশারা করতেন। আর ইবন উমার এ কাজটি করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইতুল্লাহ-এ প্রবেশ করলেন, আরো প্রবেশ করলেন উসামা ইব্নু যায়দ, বেলাল ও ‘উসমান ইব্নু ত্বলহা।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহর রাসূল! ধন-সম্পদ নষ্ট হয়ে গেল এবং রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেল। আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আমাদের বৃষ্টি দান করেন
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে থেকে তাঁর সালাত আদায় করার নিয়ম-কানুন ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। তাঁর দাঁড়ানো (কিয়াম), তাঁর রুকু এবং রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো, তাঁর সিজদা এবং দুই সিজদার মাঝে বসা, অতঃপর তাঁর দ্বিতীয় সিজদা, তাঁর সালাম ফিরানো এবং সালাম ও সালাত শেষ করে চলে যাওয়ার মাঝখানে বসা এর সবই প্রায় সমান (ব্যবধানে) পেয়েছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমামাহ বিনতে যয়নাব বিনতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বহন করে সালাত আদায় করতনে।
عربي الإنجليزية الأوردية
বিলালকে আযানের বাক্য দু’বার ও ইক্বামাতের বাক্য একবার করে বলার নির্দেশ দেওয়া হল।
عربي الإنجليزية الأوردية
উঠ, তোমাদের নিয়ে আমি সালাত আদায় করি।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন কোন নারী মসজিদে যাওয়ার জন্য অনুমতি চায় তাকে যেন বাধা না দেয়। তিনি বলেন, এ কথা শোনে বিলাল ইবন আব্দুল্লাহ বলল, আল্লাহর কসম আমি তাদের বারণ করব। তিনি বলেন, তারপর আব্দুল্লাহ তার সামনে আসলেন এবং তাকে খুব খারাপ ভাষায় গালি দিলেন। আমি তাকে আর কখনো এ ধরনের গাল দিতে শুনিনি। তিনি বললেন, আমি তোমাকে রাসূলুল্লাহুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে সংবাদ দিচ্ছি আর তুমি বলছো আল্লাহর কসম আমি তাদের বারণ করব।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সালাত আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন দ্বারা আরম্ভ করতেন। অপর বর্ণনায় বর্ণিত: আমি আবূ বকর, উমার ও উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের সাথে সালাত আদায় করেছি। তাদের কাউকে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়তে শুনিনি। আর সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় বর্ণিত: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ বকর, উমার ও উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের পিছনে সালাত আদায় করি, তারা আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন দ্বারা সালাত আরম্ভ করতেন। তারা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম কিরাতের শুরুতে এবং শেষে উল্লেখ করতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন নফল সলাতকে ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাতের চেয়ে অধিক গুরুত্ব প্রদান করতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
একাকীর সালাত অপেক্ষা জামা‘আতের সালাত সাতাশ গুণ উত্তম।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত প্রচণ্ড গরমের সময় আদায় করতেন। আর ‘আসরের সালাত সূর্য উজ্জ্বল থাকতে আদায় করতেন, মাগরিবের সালাত সূর্য অস্ত যেতেই আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে তিনি চর্মনির্মিত লাল রঙের শিবিরে অবস্থান করছিলেন। বিলাল তাঁর ওযূর পানি নিয়ে বাইরে বের হলেন। কিছু লোক (বরকত হাসিল করার জন্য) উক্ত পানির ছিটা পেল আর কিছু সংখ্যক লোক পানি পেল।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফজরের সালাত আদায় করতেন। তখন মুমিন মহিলারা গায়ে চাদর জড়িয়ে তার সাথে শরীক হতেন। তারপর তারা নিজ গৃহে ফিরে যেতেন; কিন্তু অন্ধকারের কারণে তাদের কাউকে চেনা যেতো না।
عربي الإنجليزية الأوردية
সুবহে সাদিকের আগে আগেই তোমরা বিতর পড়ে নিবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে বনু সালেমা! তোমরা তোমাদের বাড়ীতেই থাক। কারণ, তোমাদের সালাতের জন্য মসজিদে আসার প্রতিটি পদক্ষেপ লিপিবদ্ধ করা হয়। তোমরা তোমাদের বাড়ীতেই থাক। কারণ তোমাদের সালাতের জন্য মসজিদে আসার প্রতিটি পদক্ষেপ লিপিবদ্ধ করা হয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তোমাদের কেউ রাতে জাগ্রত হয় এবং কুরআন তার মুখে কঠিন ঠেকে, কী বলছে বুঝতে পারে না, সে শুয়ে পড়বে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবন উমার কতই না ভালো মানুষ হত, যদি সে রাতে সালাত পড়ত।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমার উম্মতের ভালো-মন্দ কর্ম আমার কাছে পেশ করা হলো। সুতরাং আমি তাদের ভাল কাজের মধ্যে ঐ কষ্টদায়ক জিনিসও পেলাম, যা রাস্তা থেকে সরানো হয়। আর তাদের মন্দ কর্মসমূহের তালিকায় মসজিদে ঐ কফও পেলাম, যার উপর মাটি চাপা দেওয়া হয় নি।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে (এত দীর্ঘ) কিয়াম করতেন যে, তাঁর পা দু’খানা (ফুলে) ফেটে (দাগ পড়ে) যেত। একদা আমি তাঁকে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এরূপ কাজ কেন করছেন? আল্লাহ তো আপনার আগের ও পিছের সমস্ত পাপ মোচন করে দিয়েছেন।’ তিনি বললেন, আমি কি তাঁর কৃতজ্ঞ বান্দা হতে পছন্দ করব না?
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় জমি হল মসজিদ আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণ্য জমি হল বাজার।
عربي الإنجليزية الأوردية
জুমু‘আর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সামনে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তুমি কি সালাত আদায় করেছ? সে বলল, না; তিনি বললেন, উঠ, সালাত আদায় করে নাও।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফর করেছি। তিনি সফরে (চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাতে) দু’রাক‘আতের বেশি আদায় করতেন না। আবূ বকর, উমার ও উসমানও এমনই করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে সৈন্যদলের আমীর বানিয়ে পাঠান। সে সাথীদের নিয়ে পড়ত, তবে সূরা ইখলাস দ্বারা কিরাত শেষ করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের দুটি নিদর্শন। কারো মারা যাওয়া বা জন্ম হওয়ার কারণে চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ হয় না। যখন তোমরা তা দেখো আল্লাহকে ডাকো, তাকবীর বলো, সালাত আদায় করো এবং সাদকা করো।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সামনে ঘুমাতাম।আমার পদদ্বয় তাঁর ক্বিবলার দিকে থাকতো। তিনি যখন সাজদায় যেতেন তখন আমাকে খোঁচা দিতেন। তাতে আমি পা দু’টি গুটিয়ে নিতাম। আর তিনি দাঁড়িয়ে গেলে আমি তা প্রসারিত করতাম। সে সময় ঘরগুলোতে বাতি ছিল না।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করার উদ্দেশ্যে বের হলেন। অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দু’আ করলেন। আর নিজের চাদর উল্টিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি দুই রাকআত সলাত আদায় করলেন। তাতে তিনি উঁচু আওয়াজে কিরাআত পড়লেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি ও ‘ইমরান হুসাইন ‘আলী ইবন আবূ ত্বলিবের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি সাজদাহ্ করার সময় তাকবীর বলেছেন। উঠার সময় তাকবীর বলেছেন এবং দু’ রাক‘আত শেষে দাঁড়ানোর সময় তাকবীর বলেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবে সূরা আত-তূর পড়তে শুনেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহুমা খুতবার পূর্বে দুই ঈদের সালাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি কখনো কোন ইমামের পিছনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক সংক্ষিপ্ত ও পরিপূর্ণ সালাত আদায় করিনি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি অবশ্যই তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করবো, বস্তুত আমার উদ্দেশ্য সালাত আদায় করা নয় বরং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি, তা তোমাদের দেখানোই আমার উদ্দেশ্য।
عربي الإنجليزية الأوردية
তুমি কেন সূরা আ‘লা, শামস এবং লাইল দ্বারা সালাত আদায় করো না। কারণ, তোমার পিছনে বুড়া, দূর্বল এবং জরুরত আছে এমন সব লোক সালাত আদায় করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে জুমু‘আহর সালাত আদায় করতাম। অতঃপর আমরা ফিরে আসতাম। তখন দেয়ালের একটু ছায়াও দেখতাম না যার ছায়া দ্বারা আমরা ছায়া গ্রহণ করতে পারি।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে দুই খুতবাহ দিতেন। আর তিনি উভয় খুতবার মাঝখানে বসার মাধ্যমে ব্যবধান করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
১৭৮৫- আবূ শা’সা’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা (একবার) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলাম। (এমন সময়) মুআয্যিন আযান দিল। তখন এক লোক মসজিদ থেকে চলে যেতে লাগল। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন তার মসজিদ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, ‘এই লোকটি আবুল কাসেম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাফরমানি করল।’
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন সালাত আদায় করা অবস্থায় তোমাদের কারো তন্দ্রা আসবে, তখন তার উচিত ঘুমিয়ে যাওয়া, যতক্ষণ না তার ঘুম চলে যাবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সালাত আদায় করতাম। তাঁর সালাতও মধ্যম ধরনের হতো এবং তাঁর খুৎবাও মধ্যম ধরনের হতো।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কারও জন্য উচিৎ হবে সে যেন কর্ম সচেতন থাকা কালে সালাত আদায় করে। অতঃপর সে যখন শ্রান্ত হয়ে পড়বে, তখন সে যেন শুয়ে যায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
থামো! তোমরা সাধ্যমত আমল কর। আল্লাহর কসম! আল্লাহ ক্লান্ত হন না, যতক্ষণ না তোমরা ক্লান্ত হয়ে পড়।” আর সেই আমলই তাঁর নিকট প্রিয়তম, যেটা ব্যক্তি লাগাতার করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা কোনো স্থানে অবতরণ করলে বাহনের পিঠ থেকে বোঝা নামিয়ে এর বিশ্রামের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত সালাত আদায় করতাম না।
عربي الإنجليزية الأوردية
অতি পবিত্র, মহা পবিত্র ফেরেশতামন্ডলী ও জিবরীল -এর রব।
عربي الإنجليزية الأوردية
একবার অসুস্থাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজগৃহে সালাত আদায় করেন
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলার পর যতক্ষণ পর্যন্ত সিজদা্য় না যেতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কেউ পিঠ বাঁকা করতেন না। তিনি সিজদা্য় যাওয়ার পর আমরা সিজদা্য় যেতাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবুল আব্বাস সাহল ইবন সা’দ সায়েদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সংবাদ পৌঁছল যে, আমর ইবন আউফ গোত্রের মাঝে অনিষ্ট (ঝগড়া-বিবাদ) সংঘটিত হয়েছে। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে কিছু লোককে নিয়ে তাদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা ক’রে দেওয়ার জন্য সেখানে হাজির হলেন। সেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আটকে গেলেন। অপর দিকে সালাতের সময় হয়ে গেল। সুতরাং বিলাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকট এসে বললেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আটকে গেছেন। এদিকে সালাতেরও সময় হয়ে গেছে। আপনি কি সালাতে লোকেদের ইমামতি করবেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তুমি যদি চাও।’ অতঃপর বিলাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সালাতের ইকামত দিলেন আর আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এগিয়ে গিয়ে (তাহরীমার) তকবীর বললেন লোকেরাও তকবীর বলল। ইতোমধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং কাতারগুলো অতিক্রম ক’রে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়ালেন। (তা দেখে) লোকেরা হাততালি দিতে শুরু করল। আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সালাতরত অবস্থায় কোন দিকে তাকাতেন না, কিন্তু লোকেদের অধিক মাত্রায় হাততালির কারণে তিনি তাকিয়ে দেখতে পেলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত হয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে হাতের ইশারায় (নিজের জায়গায় থাকতে) নির্দেশ দিলেন। আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁর হাত উপরে তুলে আল্লাহর প্রশংসা করলেন। তারপর কিবলার দিকে মুখ রেখে পিছনে ফিরে এসে কাতারে শামিল হলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে গিয়ে লোকদের ইমামত করলেন এবং সালাত শেষ ক’রে লোকদের দিকে ফিরে বললেন, “হে লোক সকল! কি ব্যাপার যে, সালাত অবস্থায় কিছু ঘটতে দেখে তোমরা হাততালি দিতে শুরু করলে? (জেনে রেখো, সালাতে) হাততালি দেওয়া তো মহিলাদের কাজ। সালাত অবস্থায় কারো কিছু ঘটলে সে যেন ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে। কারণ, এটা শুনলে কেউ তার দিকে ভ্রুপেক্ষ না ক’রে পারবে না। হে আবূ বকর! তোমাকে যখন ইশারা করলাম, তখন ইমামত করতে তোমার কিসের বাধা ছিল?” তিনি বললেন, ‘আবূ কুহাফার ছেলের জন্য সঙ্গত ছিল না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে লোকেদের ইমামত করবে।’ (বুখারী ও মুসলিম)
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সলাত আদায় করেননি।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যদি মুসল্লীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী জানতো এটা তার কত বড় অপরাধ, তাহলে সে মুসল্লীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে চল্লিশ (দিন/মাস/বছর) দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম মনে করতো”
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দেন আমরা যেন আমাদের যুবতী ও উড়না বিশিষ্ট নারীদেরকে দুই ঈদে বের করে নিয়ে যাই এবং ঋতুমতী নারাীদেরকে তিনি মুসলিমদের সালাত আদায়ের স্থান থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ- যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপনে করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই অগ্রগামী করেন এবং আপনিই পিছিয়ে দেন, আপনি ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই।
عربي الإنجليزية الأوردية
এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাতে দাঁড়ালাম। তিনি দাঁড়িয়ে সূরা বাকারাহ তিলাওয়াত করলেন। যখনই কোনো রহমতের আয়াত অতিক্রম করতেন, তিনি থামতেন এবং রহমত কামনা করতেন। আর যখনই কোনো শাস্তির আয়াত অতিক্রম করতেন, তিনি থামতেন এবং আশ্রয় চাইতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ্! আপনার নিকটই আমি আত্মসমর্পণ করলাম; আপনার প্রতি ঈমান আনলাম; আপনার উপরেই তাওয়াক্কুল করলাম, আপনার সাহায্যেই তর্কে লিপ্ত হলাম এবং আপনাকেই বিচারক মেনে নিলাম। তাই আপনি আমার পূর্বাপর ও প্রকাশ্য গোপন সব অপরাধ ক্ষমা করুন। এবং আপনি আমার সম্পর্কে যা জানেন, (সব ক্ষমা করুন)। আপনি ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ্ নেই।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ! জিবরীল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব, আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, গায়েব ও প্রকাশ্য সবকিছু জান্তা, আপনার বান্দাগণ যেসব বিষয়ে মতভেদে লিপ্ত আপনিই তার মীমাংসা করে দিবেন। যেসব বিষয়ে মতভেদ হয়েছে তন্মধ্যে আপনি আপনার অনুমতিক্রমে আমাকে যা সত্য সেদিকে পরিচালিত করুন। নিশ্চয় আপনি যাকে ইচ্ছা সরল পথ প্রদর্শন করেন।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“এটা হলো মাসজিদ। এখানে প্রস্রাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যায় না। বরং এ হল আল্লাহর যিকর করা, সালাত আদায় করা এবং কুরআন পাঠ করার স্থান
عربي الإنجليزية الأوردية
এক ব্যক্তি মসজিদে ঘোষণা দিয়ে বললো, কে লাল উটের খোঁজ দিতে পারবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যেন তা না পাও। মসজিদ যে উদ্দেশে নির্মিত সে উদ্দেশেই ব্যবহার করতে হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আর দিনে ইমামের খুৎবা চলা অবস্থায় দুই হাঁটুকে পেটে লাগিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান পিঠ দেখিয়ে পালায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
কিয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনদের ঘাড় সবচেয়ে লম্বা হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
সূর্য (পশ্চিমাকাশে) ঢলে যাওয়ার পর যোহরের ওয়াক্ত হয় এবং মানুষের ছায়া তার সমপরিমাণ হওয়া থেকে আসরের ওয়াক্ত শুরু না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে। আসরের ওয়াক্ত সূর্য হলুদ না হওয়া পর্যন্ত থাকে। মাগরিবের ওয়াক্ত (পশ্চিমাকাশে) শাফাক তথা লালিমা দূরীভুত না হওয়া পর্যন্ত থাকে। আর ইশার ওয়াক্ত রয়েছে মধ্য রাত্রি পর্যন্ত। এবং ফজরের ওয়াক্ত রয়েছে ঊষার উদয়কাল হতে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরীবের সালাত আদায় করতাম। তখন আমাদের লোকজন এমন অবস্থায় ফিরে যেত যে, তারা তাদের তীরের নিশানা দেখতে পেত।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি সূর্য উদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাকা‘আত সালাত পেল, সে ফজর পেল। আর যে ব্যক্তি সূর্য ডোবার পূর্বে আসরের সালাতের এক রাকা‘আত পেল সে আসর পেল।
عربي الإنجليزية الأوردية
এ ঘরের তাওয়াফ করে এবং রাত ও দিন যখন ইচ্ছা সালাত আদায় করতে চায় এমন কোন ব্যক্তিকে তোমরা নিষেধ করো না।
عربي الإنجليزية الأوردية
ফজর দুই প্রকার। এক ফজর হলো বাঘের লেজের মতো তাতে সালাত পড়া যাবে না এবং খাদ্য হারাম হবে না। আর যে ফজর আকাশে লম্বাভাবে দেখা তাতে সালাত বৈধ এবং খাদ্য নিষিদ্ধ।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের যারা অনুপুস্থিত আছে উপস্থিত লোকেরা যেন তাদের নিকট পৌছে দেয়। তোমরা ফজর উদয় হওয়ার পর দুই রাকা‘আত ছাড়া আর কোন সালাত আদায় করবে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
সুন্নাত হলো ফজরের আযানে মু‘আজ্জিন হাইয়্যা আলাল ফালাহ বলার পর আস সালাতু খাইরুম মিনান নাওম বলবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লা মাগরিব ও এশার মাঝে একত্র করেন। মাগরিব তিন রাকা‘আত এবং এশা দুই রাকা‘আত আদায় করেন একই ইকামাত দ্বারা।
عربي الإنجليزية الأوردية
তুমি তাদের ইমাম। তাদের যারা দুর্বল তাদের অনুসরণ করবে। আর এমন একজন মুয়াজ্জিন নিয়োগ করবে যে তার আযানের ওপর বিনিময় গ্রহণ করে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াযযিন (তাঁর জন্য) প্রতীক্ষা করতে থাকতেন ও ইক্বামাত দিতেন না। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বেরিয়ে আসতে দেখতেন তখনই সালাতের জন্য ইক্বামাত দিতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
অন্ধকার রাতে একটি সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। আমরা জানলাম না যে কিবলা কোন দিকে? ফলে প্রত্যেকে নিজ নিজ ধারণা অনুযায়ী সালাত আদায় করল। তারপর যখন সকাল হলো বিষয়টি আমরা রাসূলুল্লাহর নিকট উল্লেখ করলাম। তখন আয়াত নাযিল হলো, “তোমরা যেদিকে ফিরো সেদিকেই আল্লাহর চেহারা”। [সূরা বাকারাহ, আয়াত: ১১৫]
عربي الإنجليزية الأوردية
পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে কিবলা অবস্থিত।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কেউ যখন সজিদে আসে তখন সে যেন তার জুতা দু’টি দেখে নেয়। সে যদি তার জুতাদ্বয়ে কোনো নাপাকী বা ময়লা দেখে তা যেন মুছে নেয় এবং তা পরিহিত অবস্থাতেই সালাত আদায় করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমতাবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেছি যে, কান্নার কারণে তার বুকের মধ্যে চাক্কির আওয়াজের মতো আওয়াজ ছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবন উমার থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবাতে গিয়ে সালাত আদায় করতে বের হলেন। তিনি বলেন, তখন আনসারগণ এসে তাকে সালাতরত অবস্থায় সালাম দিল। তিনি বললেন, আমি বিলালকে বললাম, তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামকে সালাত অবস্থায় সালামের উত্তর কীভাবে দিতে দেখেছ? তিনি বলেন, এভাবে বলেছেন, স্বীয় কব্জিকে প্রশস্ত করেন এবং তার পেটকে নিচে ও পিটকে উপরে রাখেন। সুনানু আবূ দাউদ।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখিছি তিনি মানুষের সালাতের ইমামতি করছেন অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ের মেয়ে উমামাহ বিনত আবীল আস তার কাঁধে ছিল। যখন তিনি রুকূ‘ করেন তখন তাকে নীচে রাখেন আর যখন সেজদা থেকে উঠেন তখন তাকে আবার তুলে নেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
সাবুরাহ ইবন মা‘বাদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে সে যেন তার সালাতের জন্যে তীর দিয়ে হলেও আড়াল হয়। মুসনাদে আহমাদ
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ যার থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায়, তখন যদি তার সামনে শিবিকার খুঁটির ন্যায় কোন জিনিস থাকে সেটা তাকে আড়াল করে রাখবে। আর যদি শিবিকার খুঁটির ন্যায় কোন জিনিস না থাকে তখন নারী, গাধা ও কালো বর্ণের কুকুর তার সলাত নষ্ট করে দেয়। আমি বললাম, হে আবূ যার! লাল ও হলদে বর্ণের কুকুর থেকে কালো বর্ণের কুকুরের পার্থক্য কি? তিনি বলেন, হে ভাতিজা, তুমি আমাকে যেরূপ জিজ্ঞেস করলে আমিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তদ্রুপ জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, “কালো কুকুর হলো শয়তান।” সহীহ মুসলিম। অপর একটি হাদীসে এসেছে—“ঋতুবতী নারী ও কুকুর সালাত নষ্ট করে দেয়।” সুনানু আবূ দাউদ।
عربي الإنجليزية الأوردية
মুসল্লীর সালাতে কোমরে হাত রাখাকে আয়েশা অপছন্দ করতেন। আর তিনি বলতেন এটি ইয়াহুদীরা করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
বিকেলের খাবার পরিবেশন করা হলে মাগরিবের সলাতের পূর্বে তা খেয়ে নিবে। খাওয়া রেখে সলাতে তাড়াহুড়া করবে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতে এদিক ওদিক তাকানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এটা এক ধরনের ছিনতাই, যার মাধ্যমে শয়তান বান্দার সালাত হতে অংশ বিশেষ ছিনিয়ে নেয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
এ চাদরখানা আবূ জাহমের নিকট নিয়ে যাও, আর তার কাছ হতে আনবিজানিয়্যাহ (কারুকার্য ছাড়া মোটা চাদর) নিয়ে আস। এটা তো আমাকে সালাত হতে অমনোযোগী করে দিচ্ছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ নির্মান ও মসজিদকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি তোমাকে আল্লাহর সপথ দিয়ে বলছি, তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছো: আমার পক্ষ থেকে উত্তর দাও। হে আল্লাহ, তুমি তাকে রুহুল কুদুস দ্বারা শক্তিশালী করো। তিনি বললেন, আল্লাহুম্মা হ্যাঁ।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি কাউকে হারানো জিনিস সন্ধান (ঘোষণা) করতে শোনে, সে যেন বলে, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।’ কারণ, মসজিদসমূহ এর জন্য বানানো হয়নি।”
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন কাউকে মসজিদে বেচা-কেনা করতে দেখবে তখন বলবে, আল্লাহ তোমার এ ব্যবসা লাভজনক না করুন। আর কাউকে যখন দেখবে সে মসজিদে কোন জিনিস হারানোর ঘোষণা দিচ্ছে তখন বলবে, আল্লাহ তোমার জিনিসটি ফেরত না দিন।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আবূ বকর! ওদের বাঁধা দিও না। কেননা এগুলো ঈদের দিন। আর সে দিনগুলো ছিল মিনার দিন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“মানুষ মসজিদসমূহ নিয়ে অহংকার না করা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না”।
عربي الإنجليزية الأوردية
রিফা‘আহ ইবন রাফে‘ আয-যুরাকী থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগনের একজন ছিলেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আসল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসা ছিল। সে তার কাছাকাছি স্থানে সালাত আদায় করল। তারপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে তাঁকে সালাম দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি তোমার সালাত আবার পড়ো। কেননা তুমি সলাত পড়োনি। তিনি বলেন, তারপর সে ফিরে গেল এবং আগের মতো সালাত আদায় করলো। তারপর আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফিরে এলো। তিনি তাকে বললেন, তুমি তোমার সালাত আবার পড়ো। কেননা তুমি সলাত পড়োনি। সে বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাকে শিখিয়ে দিন কীভাবে সালাত আদায় করবো। তিনি বলেন, “তুমি যখন কিবলামুখী হবে তাকবীর (তাহরীমা) বলো, এরপর তুমি সূরা ফাতিহা পড়ো। তারপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ সেখান থেকে পাঠ করো। তারপর যখন তুমি রুকূ করবে তখন তুমি তোমার দুই হাত দুই হাঁটুর উপর রাখবে এবং তোমার পিটকে লম্বা করে বিছিয়ে দেবে। তুমি তোমার রুকূর জন্য ধীরস্থিরতা অবলম্বন করো। অতঃপর যখন তুমি তোমার মাথা উঠাবে তখন তুমি তোমার মেরুদন্ড সোজা কর। যাতে হাঁড়গুলো নিজ নিজ জোড়ার স্থানে ফিরে যায়। তারপর যখন সেজদা করবে তখন তুমি তোমার সেজদার জন্য ধীরস্থিরতা অবলম্বন করো। তারপর যখন তুমি তোমার মাথা উঠাবে তখন তুমি তোমার বাম উরুর ওপর বসো। অতঃপর প্রতি রুকু ও সেজদায় তা করো। মুসনাদে আহমাদ। অপর বর্ণনায় বর্ণিত। তিনি বলেন, “আল্লাহর নির্দেশ মত পূর্ণাঙ্গরূপে উযূ না করলে তোমাদের কারো সালাত পরিপূর্ণ হবে না। সে তার মুখমণ্ডল ও দু’ হাত কনুইসহ ধৌত করবে, তার মাথা মাসহ করবে এবং দু’পা গোছা পর্যন্ত ধৌত করবে। তারপর তাকবীর বলবে এবং আল্লাহর প্রশংসা করবে। তারপর তাকে যতটুকু অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং তার জন্য যা সহজ হয় তা থেকে কুরআন পড়বে। তারপর তাকবীর বলবে এবং সেজদা করবে। তারপর চেহারাকে বা কপালকে যমীনে এমনভাবে রাখবে যাতে তার শরীরের জোড়াগুলো স্থীর হয়ে পড়ে এবং ঝুঁকে পড়ে। তারপর তাকবীর বলবে এবং সোজা হয়ে তার আসনে বসবে এবং মেরুদন্ডকে সোজা করবে। এভাবে চার রাকা‘আত সালাতের পদ্ধতি বর্ণনা করেন। এ সব কর্মসমূহ সম্পাদন করা ছাড়া তোমাদের কারো সালাত পূর্ণ হবে না।” সুনানে আবূ দাউদ। অপর বর্ণনায় বর্ণিত: “তারপর তুমি আল্লাহ যেভাবে আদেশ করেছেন সেভাবে ওযূ কর। তারপর তাশাহুদ পড়। ইকামত দাও এবং তাকবীর বলো। যদি তোমার কাছে কুরআন জানা থাকে তা থেকে পড়ো। অন্যথায় আল্লাহর প্রশংসা কর, তার তাকবীর বল এবং তাহলীল পড়ো।” সুনানু আবূ দাউদ।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে জাগ্রত হতেন তাকবীর বলতেন, অতঃপর বলতেন : “হে আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ও আপনার প্রশংসা এবং আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার প্রতিপত্তি অতি উচ্চ। আর আপনি ব্যতীত অন্য কোনো হক্ব ইলাহ্ নেই।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলে সালাত শুরু করতেন এবং সূরাহ আল ফা-তিহাহ দিয়ে কিরাআত পাঠ শুরু করতেন
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি তার ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখলেন তার বুকের উপর।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর ও উমার সালাতকে আল-হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন দ্বারা শুরু করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
তবে এ ব্যক্তি উত্তম বস্তু দ্বারা তার হাত পরিপূর্ণ করেছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের প্রথম দু’ রাক‘আতে সূরাহ্ ফাতিহার সঙ্গে আরও দু’টি সূরাহ্ পাঠ করতেন। আর শেষের দুই রাকা‘আতে সূরা ফাতিহা পড়তেন। আর তিনি আমাদের তিলাওয়াত শুনাতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা যুহর ও আসরের সালাতে রাসূলে কিয়ামের সময় অনুমান করলাম। যুহরের প্রথম দুই রাকা‘আতে তার কিয়াম ছিল আলিফ লাম মীম সাজদাহ তিলাওয়াত করার সময় পরিমাণ। আর শেষের দুই রাকা‘আতে তার কিয়াম ছিল তার অর্ধেক।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্য অমুকের মতো আর কারো পিছনে আমি সালাত আদায় করিনি। আমরা সেই লোকের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যুহরের প্রথম দুই রাকা‘আত দীর্ঘ করতেন এবং পরের দুই রাকা‘আত সংক্ষিপ্ত করতেন। আসরকে হালকা করতেন এবং মাগরিবে ছোট সূরাসমূহ (কিসারে মুফাসসাল) পড়তেন। আর এশার সালাতে সূরা শামছ ওয়াদোহাহা ও এ ধরনের সূরা পড়তেন। ফজরের সালাতে দুইটি লম্বা সূরা পড়তেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আরাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের সালাতে সূরাহ তূর তিলাওয়াত করতে শুনেছি। যখন এ আয়াতে পৌঁছলেন (অনুবাদ): “তারা কি সৃষ্টিকর্তা ছাড়াই সৃষ্টি হয়েছে, না তারা নিজেরাই সৃষ্টিকর্তা? তারা কি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছে বরং তারা বিশ্বাস করে না। নাকি তাদের কাছে রয়েছে তোমার রবের ভান্ডারসমূহ না তাঁরাই ক্ষমতাশালী।” (সূরা তূর, আয়াত: ৩৫-৩৮), তখন আমার অন্তর উড়ে যাওয়ার উপক্রম হলো।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে লোক সকল! মুসলিম ব্যক্তি যে ভালো স্বপ্ন দেখে অথবা তাকে যে ভালো স্বপ্ন দেখানো হয়, তা ব্যতীত নবুয়াতের সুসংবাদের কিছুই অবশিষ্ট নাই। আর জেনে রেখ যে, আমাকে রুকু অথবা সেজদাবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করা হয়েছে। অতএব তোমরা রুকুতে রবের বড়াই বর্ণনা কর (অর্থাৎ, ‘সুবহানা রাব্বিয়্যাল আযীম’ পড়)। আর সিজদায় দুআ করতে সচেষ্ট হও। কারণ, তোমাদের সে দুআ কবূল হওয়ার উপযুক্ত।”
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত এবং রুকূ ছিল যখন তিনি রুকূ ও সেজদাহ থেকে মাথা তুলতেন এবং দুই সেজদার মাঝখানে বসতেন প্রায় সমান সময়।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকূ করতেন তখন আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে দিতেন এবং যখন সেজদা করতেন তখন তার আঙ্গুলগুলো মিলিয়ে রাখতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সালাতের বেজোড় রাক‘আতে (সাজ্দাহ হতে) উঠে স্থীর না বসে দাঁড়াতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
বনু সুলাইমের কয়েকটি বস্তির ওপর বদ দো‘আ করার জন্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘র পরে এক মাস ব্যাপী কুনূত পাঠ করেছেন। তিনি বলেন, তিনি চল্লিশ —রাবী সন্দেহ করছেন অথবা সত্তর জন — কারীকে মুশরিকদের কতক লোকের নিকট পাঠান। এরা তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং তাদেরকে হত্যা করে। অথচ তাদের মাঝে ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাঝে চুক্তি ছিল। তিনি তাদের থেকে যে কষ্ট পেলেন আর কারো কাছ থেকে এত কষ্ট পেতে আমি দেখিনি।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সম্প্রদায়ের জন্য দো‘আ বা বদ-দো‘আ করা ছাড়া কুনূত পড়তেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে পিতা! আপনি অবশ্যই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বকর, ‘উমার ও ‘উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম-এর পিছনে সালাত আদায় করেছেন এবং এই কুফায় ‘আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর পেছনে প্রায় পাঁচ বছর সালাত আদায় করেছেন। তাঁরা কি ফজরের সালাতে দু‘আ কুনূত পড়তেন? তিনি বলেন, হে বৎস! এটা তো বিদ্আত।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাশাহহুদ পড়ার জন্য বসতেন তখন ডান হাত ডান উরুর ওপর এবং বাঁ হাত বাঁ উরুর ওপর রাখতেন। আর শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন। এই সময় তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি মধ্যমার সাথে সংযুক্ত করতেন এবং বাঁ হাত তার হাঁটুকে গিলে ফেলত (লোকমা বানিয়ে ধরে রাখত)।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তাশাহুদ এমনভাবে শেখাতেন যেমনটি তিনি কুরআনের সূরা শেখাতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যদি তুমি সক্ষম হও যমীনে সালাত আদায় করো, অন্যথায় তুমি ইশারা করো আর তুমি তোমার সেজদাকে রুকূ থেকে বেশি নীচা করো।
عربي الإنجليزية الأوردية
যিয়াদ বিন আলাকাহ বলেন, মুগীরাহ বিন শু‘বা একদা আমাদের সালাতে ইমামতি করলেন। তিনি দুই রাকআতের পর দাঁড়িয়ে গেলে আমরা বললাম সুবহানাল্লাহ। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ এবং সালাত চালিয়ে গেলেন। যখন সালাত শেষ করলেন এবং সালাম ফিরালেন এবং দুটি সেজদা সাহু করলেন। তারপর যখন তিনি সালাত শেষ করে ঘুরে বসলেন, তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমি এমনটি করতে দেখেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদের কাছে সূরা ইনশিকাক তিলাওয়াত করলেন। তিনি এতে সিজদা দিলেন। অতপর সিজদা শেষে তিনি বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সূরা তিলাওয়াত করে সিজদা দিয়েছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট সূরাহ্ ওয়ান্ন নাজ্ম তিলাওয়াত করা হল কিন্তু তাতে তিনি সাজদাহ্ করেননি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম, সূরা হজে কি দুটি সেজদাহ রয়েছে? সে বলল, হ্যাঁ। আর যে ব্যক্তি সেজদাহ দুইটি না করবে সে যেন সে দুটি তিলাওয়া না করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন কোন খুশীর খবর আসতো বা তাঁকে কোন সুসংবাদ দেওয়া হতো, তখনই তিনি আল্লাহর উদ্দেশ্যে শোকর-সূচক সিজদা আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ মুযানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমরা মাগরেবের পূর্বে (দু’ রাকআত) নামায পড়।” অতঃপর বললেন, “যার ইচ্ছা হবে মাগরিবের পূর্বে দু’রাকাত সালাত পড়বে”। মানুষ এটাকে সুন্নত হিসেবে গ্রহণ করতে পারে আশঙ্কায়। সুনানু আবূ দাউদ, এটা তারই শব্দ, তবে বুখারীতে অনুরূপ হাদীস রয়েছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বলেনঃ “দু’রাক‘আত দু’রাক‘আত করে আদায় করবে
عربي الإنجليزية الأوردية
বিতরের সালাত প্রমাণিত (ওয়াজিব)। অতএব, যে ইচ্ছা করবে সে সাত রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে পাঁচ রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে তিন রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে এক রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে বিতির ও আট রাকা‘আত পড়তেন। তারপর যখন পরবর্তী রাত আসলো আমরা মসজিদে একত্র হলাম এবং আশা করছিলাম যে, তিনি আমাদের মাঝে বের হয়ে আসবেন। আমরা সকাল পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করলাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুক লোকের মতো হয়ো না, যে রাতে নফল সালাত পড়ত, অতঃপর তা ছেড়ে দিয়েছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে কুরআনের ধারকগণ! তোমরা বিতির পড়। নিশ্চয় আল্লাহ বিতর (বিজোড়) তিনি বিতরকে (বিজোড়কে) ভালবাসেন। সুনানে আবূ দাউদ
عربي الإنجليزية الأوردية
এক রাতে দুইবার বিতির নাই।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি ঘুমানোর কারণে বিতর সালাত আদায় করতে পারেনি অথবা তা আদায় করতে ভুলে যায়, পরে স্মরণ হওয়া মাত্রই যেন তা আদায় করে নেয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
যায়দ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, একদা তিনি একদল লোককে পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাত পড়তে দেখলেন। তিনি বললেন, ‘যদি ওরা জানত যে, নামায এ সময় ছাড়া অন্য সময়ে পড়া উত্তম। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আওয়াবীন (আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী)দের নামায যখন উঁটের বাচ্চার পা বালিতে গরম অনুভব করে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
এমন করবে না, যখন তোমাদের কেউ তার ঘরে সালাত আদায় করে তারপর সে ইমামকে পেল যে, সে এখনো সালাত আদায় করেনি, তাহলে সে যেন তার সাথে পূণরায় সালাত আদায় করে। কারণ, তা তার জন্য নফল হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে লোক সকল! তোমরা মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি কর। অতএব যে লোকদের নিয়ে সলাত আদায় করবে সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ তাদের মধ্যে রোগী, দুর্বল ও কর্মব্যস্ত লোকও থাকে।
عربي الإنجليزية الأوردية
জামা‘আতের ইমামতি ঐ ব্যক্তি করবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কুরআন পড়তে জানে।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে নূর (বা আলো) দান করুন, আমার চোখে নূর দান করুন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দান করুন, আমার ডানে নূর দান করুন, আমার বামে নূর দান করুন, আমার উপরে নূর দান করুন, আমার নিচে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার জন্য নূর দান করুন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এবং একজন ইয়াতীম আমাদের ঘরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে সালাত আদায় করি। আর আমার মা উম্মে সুলাইম আমাদের পিছনে। সহীহ বুখারী।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহ তোমার আগ্রহকে বাড়িয়ে দিন, তবে তুমি এমন আর করো না।
عربي الإنجليزية الأوردية
উম্মু ওয়ারাকাহ বিনত আব্দুল্লাহ ইবনু হারেস আল-আনসারিয়্যাহ যিনি সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যেন সে তার ঘরের লোকদের ইমামতী করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবন উম্মে মাকতুমকে প্রতিনিধি বানিয়েছেন, যে মানুষদের ইমামতি করত, অথচ তিনি অন্ধ ছিলেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যারা হাজীদের পানি সরবরাহ করে এবং মসজিদুল হারামের রক্ষণাবেক্ষণ করে তোমরা কি তাদেরকে ওদের সমান করো, যারা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান আনে ..." [তাওবাহ:১৯] আয়াতটি শেষ পর্যন্ত।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায়ের পর সূর্য স্পষ্টভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সালাতের জায়গায় বসে থাকতেন
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা আল্লাহর বাঁদীদেরকে আল্লাহর ঘরে (মসজিদে) যেতে নিষেধ করো না। তবে তারা বের হওয়ার সময় যেন সুগন্ধি ব্যবহার না করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের যে কেউ মসজিদে প্রবেশকালে যেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি সালাম পেশ করে, অতঃপর বলেঃ اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ “হে আল্লাহ্! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দিন
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলা মুখী হয় আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে-ই মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে বিশ্বাসঘাতকতা করো না।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ডানে এবং বামে সালাম ফিরাতে দেখতাম। এমনকি (তিনি এমনভাবে মুখ ঘুরাতেন যে,) আমি তার গালের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
বান্দা সালাত আদায় করে, কিন্তু কেউ সালাতের সওয়াব পায় দশ ভাগের এক ভাগ, কেউ নয় ভাগের এক ভাগ, কেউ আট ভাগের এক ভাগ, কেউ সাত ভাগের এক ভাগ, কেউ ছয় ভাগের এক ভাগ, কেউ পাঁচ ভাগের এক ভাগ, কেউ চার ভাগের এক ভাগ, কেউ তিন ভাগের এক ভাগ, আর কেউবা পায় কেবল অর্ধেক সওয়াব।
عربي الإنجليزية الأوردية
“প্রত্যেক আযান ও ইক্বামাতের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত আদায় করা যায়। তারপর তৃতীয়বার বলেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা সর্বাগ্রে প্রথম কাতার পূর্ণ করবে, তারপর তার পরবর্তী কাতার পূর্ণ করবে। এরপর কোন কাতার অসম্পূর্ণ থাকলে তা যেন শেষ কাতারে হয়”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“ফরয সালাতের ইকামাত দেয়া হলে তখন উক্ত ফরয ব্যতীত অন্য কোন সালাত আদায় করা যাবে না”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যারা জুমুআর সালাত ত্যাগ করে তাদেরকে এ অভ্যাস বর্জন করতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে সীল মেরে দিবেন, অতঃপর তারা গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে”।
عربي الإنجليزية الإندونيسية
“যে ব্যক্তি (বিনা কারণে) অলসতা করে পরপর তিনটি জুমু’আহ ত্যাগ করে মহান আল্লাহ তার অন্তরে সীলমোহর মেরে দেন”।
عربي الإنجليزية الإندونيسية
“হে বিলাল! ইসলাম গ্রহণের পর সর্বাধিক সন্তুষ্টিব্যঞ্জক যে ‘আমল তুমি করেছ, তার কথা আমার নিকট ব্যক্ত কর
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা তোমাদের পরবিারের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের মাঝেই বসবাস কর । তাদেরকে শিক্ষা দান কর এবং তাদেরকে (ভাল কাজের) আদেশ দাও। অমুক সালাত অমুক সময়ে পড়। অমুক সালাত অমুক সময়ে পড়। সুতরাং যখন সালাতের সময় হবে তখন তোমাদের মধ্যে কেউ একজন আযান দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইইহ ওয়াসাল্লামের যুগে র্সূযগ্রহণ হল, তখন তিনি ভীত অবস্থায় উঠলনে ও কিয়ামত সংঘটিত হবার ভয় করতে লাগলেন, অবশেষে তিনি মাসজিদে আসেন ও দাঁড়িয়ে যান এবং সবচেয়ে দীর্ঘ কিয়াম ও সাজদা দ্বারা সালাত আদায় করেন। আমি কখনো তাকে তার সালাতে এরূপ করতে দেখেনি। অতঃপর তিনি বললেন, এগুলো হল নিদর্শন যা আল্লাহ্ পাঠিয়ে থাকেন, তা কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে হয় না। বরং আল্লাহ্ তা‘আলা এর মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন। কাজেই যখন তোমরা এর কিছু দেখতে পাবে, তখন ভীত অবস্থায় আল্লাহর যিকির, দু‘আ ও ইস্তিগ্ফারের দিকে ধাবিত হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহর রাসূল! আমি এখনও ‘আসরের সালাত আদায় করতে পারিনি, এমন কি সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আল্লাহর শপথ! আমিও তা আদায় করিনি। অতঃপর আমরা উঠে বুতহানের দিকে গেলাম। সেখানে তিনি সালাতের জন্য উযূ করলেন এবং আমরাও উযূ করলাম; অতঃপর সূর্য ডুবে গেলে ‘আসরের সালাত আদায় করেন, তারপর মাগরিবের সালাত আদায় করেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি আমার খালা মায়মুনার নিকট রাত্রি যাপন করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সালাতে দাঁড়ালেন, আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম, তিনি আমার মাথা ধরে তাঁর ডানপাশে দাঁড় করালেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা তাদের ঘর ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিক। যেমনিভাবে তারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রাখছে, এমনকি সূর্য ডুবে গেল।
عربي الإنجليزية الأوردية
সাজদা সাহু বিষয়ে যুল ইয়াদাইনের হাদীস
عربي الإنجليزية الأوردية
যাতুররিকা‘ যুদ্ধে সালাতুল খাওফ আদায়ের পদ্ধতি
عربي الإنجليزية الأوردية
তিনি ফজরের শেষ রাকা‘আতে রুকু‘ থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ الله لمن حَمِدَه رَبَّنا ولك الحَمْدُ বলার পর বলেন, “হে আল্লাহ তুমি অমুক অমুককে ধ্বংস কর”। তারপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেন, “এ বিষয়ে তোমার কোন অধিকার নেই”। আলে-ইমরান: (১২৮)
عربي الإنجليزية الأوردية
সালাতুল খাওফের পদ্ধতি যেমনটি তা বর্ণনা করেছেন যাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু
عربي الإنجليزية الأوردية
‘আমর ইবন আবাসার ইসলাম গ্রহণের কাহিনী এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সালাত ও অযু শিক্ষা দেওয়ার ঘটনা।
عربي الإنجليزية الأوردية
কোনো এক দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেন। তখন এক জামা‘আত তার সাথে সালাতে দাড়ালো এবং অপর জামা‘আত দুশমনের মুকাবালায় দাড়ালো। যারা তার সাথ ছিল তাদের নিয়ে তিনি এক রাকা‘আলা আদায় করলেন। অতঃপর তারা চলে গেল এবং অন্যরা আসলো। তারপর তাদের নিয়ে এক রাকা‘আত আদায় করলেন। আর উভয় জামা‘আত এক রাকা‘আত এক রাকা‘আত নিজেরা আদায় করে নিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবন আবূ রাবী‘আকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! সালামাহ ইবন হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবন ওয়ালীদকে রক্ষা কর। হে আল্লাহ! দুর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি কর। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রের ওপর তোমার শাস্তি কঠোর করে দাও। হে আল্লাহ! ইউসুফ আলাইহিস সালামের সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো তাদেরকে করে দিন।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা ফজরের সালাত সকাল করে আদায় কর। কারণ, তা তোমাদের সাওয়াবের দিক বিবেচনায় অধিক। অথবা সাওয়াবের জন্য মহান।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি বিলালকে দেখলাম আবতাহ নামক স্থানে বের হল ও আযান দিল। যখন সে হাইয়া আলাস সালাহ, হাইয়া আলাল ফালাহ পৌঁছলো তার গর্দানকে ডানে ও বামে ঘুরালো তবে সে নিজে ঘুরেনি।
عربي الإنجليزية الأوردية
মু’আজ্জিন আযানের বিষয়ে অধিক ক্ষমতা রাখেন আর ইমাম ইকামাতের ব্যাপারে অধিক ক্ষমতা রাখেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
সা‘ঈদ ইব্নু হারিস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ-কে একটি কাপড়ে সালাত আদায় করা সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে কোন এক সফরে বের হয়েছিলাম। এক রাতে আমি কোন দরকারে তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তিনি সালাতে রত আছেন। তখন আমার শরীরে মাত্র একখানা কাপড় ছিল। আমি কাপড় দিয়ে শরীর জড়িয়ে নিলাম আর তাঁর পার্শ্বে সালাতে দাঁড়ালাম। তিনি সালাত শেষ করে জিজ্ঞেস করলেন, জাবির! রাতের বেলা আসার কারণ কী? তখন আমি তাঁকে আমার প্রয়োজনের কথা জানালাম। আমার কাজ শেষ হলে তিনি বললেন, এ কিরূপ জড়ানো অবস্থায় তোমাকে দেখলাম? আমি বললাম, কাপড় একটিই ছিল (তাই এভাবে করেছি)। তিনি বললেন, কাপড় যদি বড় হয়, তাহলে শরীরে জড়িয়ে পরবে। আর যদি ছোট হয় তাহলে লুঙ্গি হিসেবে ব্যবহার করবে। সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় বর্ণিত: যদি বড় হয় তবে তার দুই কিনারা দুই দিকে ছাড়বে। আর যদি ছোট হয় তাহলে সেটি তোমার কোমরে বেঁধে নিবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
এই সালাত এমন তাতে লোকেদের কোনো কথা যথাযথ নয়। (এতে যা বলতে হয়,) তা হল তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন পাঠ।”
عربي الإنجليزية الأوردية
বিলাল সুবহে সাদিকের পূর্বে (ফজরের সালাতের) আযান দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরে গিয়ে বলতে নির্দেশ দিলেন : “জেনে রাখ! বান্দা ঘুমিয়ে ছিল। জেনে রাখ! বান্দা ঘুমিয়ে ছিল।”
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাড়ায়, অবশ্যই রহমত তার সম্মূখীন হয়। সতুরাং সে যেন পাথর দূর না করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
মসজিদে হদ্দ (শরী‘আতের শাস্তি) কার্যকর করা যাবে না এবং তাতে কিসাস কার্যকর করা যাবে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
(আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন) দাসীটি আমার কাছে আসতো আর আমার সঙ্গে কথা-বার্তা বলতো। সে আমার কাছে যখনই বসত তখনই বলতো: “সেই হারের দিনটি আমার রবের আশ্চর্য ঘটনা বিশেষ। জেনে রাখুন সে ঘটনাটি আমাকে কুফরের শহর থেকে মুক্তি দিয়েছে।” সহীহ বুখারী।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ হুরাইরাহ্ রাদয়িাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা বিকালের এক সfলাত দু’রাকাত আদায় করলেন। মুহাম্মাদ বলেন, আমার অধিক ধারণা আসরের সালাত। অতঃপর সালাম ফিরালেন। অতঃপর মাসজিদে অগ্রাভাগে রাখা এক টুকরা কাঠের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন এবং তার ওপর তার হাত রাখলেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ বকর ও ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-ও ছিলেন। কিন্তু তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের-এর সঙ্গে কথা বলতে ভয় পেলেন। যাদের তাড়া ছিল তারা বের হয়ে পড়ল। তারা বলল, সালাত কি সংক্ষেপ করা হয়েছে? একজন লোককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘যুল-ইয়াদাইন’ বলে ডাকতেন। সে বলল, আপনি কি ভুলে গেছেন, নাকি সালাত সংক্ষেপ করা হয়েছে? তিনি বললেন, আমি ভুলিনি এবং সালাত সংক্ষেপও করা হয়নি। সে বলল, অবশ্যই, আপনি ভুলে গিয়েছেন। তারপর তিনি দু্ই রাকা‘আত সালাত আদায় করলেন, সালাম ফিরালেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ’র মতো বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন। অতঃপর তার মাথা রাখলেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ’র মত বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন।” সহীহ বুখারী।
عربي الإنجليزية الأوردية
যদি সালাত সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টি সাজদাহ দেয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
প্রত্যেক ভুলের জন্য সালামের পর দুই সেজদা।
عربي الإنجليزية الأوردية
সূরাহ্ সা-দ এর সাজদাহ্ অত্যাবশ্যক সাজদাহ্সমূহের মধ্যে গণ্য নয়, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি তা তিলাওয়াতের পর সাজদাহ্ করতে দেখেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
জিবরীল আলাইহিস সালাম আমার কাছে এসে সুসংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেছেন যে, যে ব্যক্তি আপনার প্রতি দরুদ পাঠ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি দরুদ (রহমত বর্ষণ) পাঠ করব। আর যে ব্যক্তি আপনার প্রতি সালাম পেশ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা) পেশ করব। ফলে আমি মহান আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করে সিজদা দিয়েছিলাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালিদ ইবন ওয়ালিদকে ইয়ামনের দিকে প্রেরণ করেন যাতে তিনি তাদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দেয়। কিন্তু তারা তাকে সাড়া দেয়নি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী ইবন আবী তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পাঠালেন এবং তাকে নির্দেশ দিলেন যে, খালিদ এবং তার সাথে আরও যারা আছে তাদের ফেরত পাঠাতে। তবে যদি খালিদের সাথে থাকা কোন লোক আলীর সাথে থাকতে চায় সে যেন তার সাথে থাকে। বারা বলেন, আমি তাদের মধ্যে একজন ছিলাম সে তার সাথে রয়ে গেল। তারপর যখন আমরা সম্প্রদায়ের লোকদের কাছাকাছি গেলাম, তারা আমাদের কাছে বের হয়ে আসল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের সালাত পড়ালেন এবং এক কাতার করে দাড়ালাম। তারপর তিনি আমাদের সামনে অগ্রসর হলেন। তারপর তাদেরকে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিঠি পড়ে শুনালেন, ফলে হামদান গোত্রের সব লোক ইসলাম গ্রহণ করে ফেলল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাদের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ জানিয়ে চিঠি লিখলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন চিঠিটি পড়লো সেজদায় লুটে পড়ল। তারপর তিনি তার মাথা তুললেন এবং বললেন, হামদান সম্প্রদায়ে ওপর শান্তি। হামদান সম্প্রদায়ে ওপর শান্তি। সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী।
عربي الإنجليزية الأوردية
মুয়াযযিন যখন ফজরের প্রথম আযান শেষ করত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াতেন এবং দু’রাকাত হালকা সালাত আদায় করতেন ফজরের সালাতের পূর্বে ফজর স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর। তারপর তিনি ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন। যতক্ষণ না একামত দেওয়ার জন্যে মুয়াযযিন তার নিকট আসতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন ফজরের দু’ রাকআত সুন্নত পড়বে, তখন সে যেন তার ডান পার্শ্বে শুয়ে যায়।” মারওয়ান ইবন হাকাম তাকে বলল, আমাদের কারো মসজিদের দিকে গমন করা ডান পার্শ্বে শুয়ার জন্য যথেষ্ট হবে না। উবাউদুল্লাহ স্বীয় হাদীসে বলেন: তিনি বললেন, না, তিনি বলেন: বিষয়টি ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার ওপর বাড়াবাড়ি করল। তখন ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হলো, তিনি যা বলেন তার কোন কিছু কি আপনি অস্বকীর করেন। সে বলল, “না, তবে সে সাহস দেখিয়েছে আর আমরা ভীরুতা প্রদর্শন করেছি।” তিনি বলেন, বিষয়টি আবূ হুরায়রার নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, আমার কি অপরাধ যদি আমি স্মরণ রাখি এবং তারা ভুলে যায়। সুনানে আবূ দাউদ।
عربي الإنجليزية الأوردية
ফরয সালাতসমূহের মতো বিতিরের সালাত আবশ্যক নয়। তবে সুন্নাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সুন্নাত করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে ইশা ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন, আর তা হলো বিতর, তা হলো বিতর।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকাল অতিবাহিত করল অথচ বিতির আদায় করেনি তার কোন বিতির নাই।” সহীহ ইবন খুজাইমাহ।
عربي الإنجليزية الأوردية
যদি সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী জানত যে, তা তার জন্য কত পাপ, তাহলে সে সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে চল্লিশ (দিন/মাস/বছর) দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম মনে করত।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কেউ যখন কোনো বস্তুর দিকে ফিরে সালাত আদায় করে যা তাকে মানুষকে থেকে আড়াল করে, আর কেউ তার সামনে দিয়ে যেতে চায়, তাহলে সে তাকে বাধা দিবে, সে যদি না মানে, তবে সে ব্যক্তি (মুসল্লী) তার সাথে লড়াই করে, কেননা সে শয়তান।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নিশ্চয় চন্দ্র ও সুর্য্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। এ দুটি দ্বারা আল্লাহ তার বান্দাদের সতর্ক করেন। কোন লোকের মৃত্যুর কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তাই তোমরা যখন সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হতে দেখবে, তখন সালাত আদায় করবে। আর দো‘আ করতে থাকবে যতক্ষণ না দূর হয়ে যায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
কোনো ব্যক্তির জামা‘আতের সাথে সলাতের সওয়াব, তার নিজের ঘরে ও বাজারে আদায়কৃত সালাতের সওয়াবের চেয়ে পঁচিশ গুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর কিরাত ও আলহামদু লিল্লাহ রাব্বুল আলামীন দ্বারা সালাত আরম্ভ করতেন। আর তিনি যখন রুকূ করতেন তখন তিনি মাথা ঝুকাতেন না এবং খাড়া করে রাখতেন না তবে দুইয়ের মাঝামাঝি থাকতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কেউ যেন এক কাপড়ে সালাত আদায় না করে যে অবস্থায় তার গর্দানের ওপর কোন কিছুই থাকে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাকবীর বলতেন তার দুই হাত কান বরাবর উঠাতেন, যখন রুকূ করতেন তখন দুই হাত কান বরাবর উঠাতেন এবং যখন তিনি রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন তখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে একই ধরনের আমল করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“ফিরে যাও ও সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি।”
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যাবতীয় কাজের জন্য ইস্তিখারা শিখাতেন, যেভাবে তিনি কুরআনের সূরা শেখাতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
إِذَا جَآءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ সূরাহ অবতীর্ণ হবার পর নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রুকু’ ও সিজদাতে) নিম্নোক্ত দু’আটি পাঠ ব্যতীত (রুকু’ ও সিজদাতে অন্য কোন দু’আ দ্বারা) সালাত আদায় করেন নি: (আর তা হচ্ছে): سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ’’হে আল্লাহ্! তুমি পবিত্র, তুমিই আমার রব। সকল প্রশংসা তোমারই জন্য নির্ধারিত। হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে ক্ষমা কর
عربي الإنجليزية الأوردية
“লোকেরা যদি আযান দেয়া ও সালাতের প্রথম কাতারে কী (ফযীলত) রয়েছে জানত, অতঃপর তা অর্জন করতে লটারির বিকল্প না পেত, তাহলে অবশ্যই তারা লটারি করত।”
عربي الإنجليزية الإندونيسية
“সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা এমন একদিন (কিয়ামতের দিন) তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া অবশিষ্ট থাকবে না।
عربي الإنجليزية الإندونيسية
সালাত পড়বে এবং তোমাদের অধীনস্থ দাস-দাসীর সাথে সদ্ব্যবহার করবে।
عربي الإنجليزية الإندونيسية