হাদীসসমূহের তালিকা

“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল ক্বদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।”
عربي الإنجليزية الأوردية
”নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমি দশ রাক‘আত সালাত আমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রেখেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আয়েশা! উঠো, বিতর সালাত আদায় করো।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য দাঁতন ও ওযূর পানি প্রস্তুত করে রাখতাম। অতঃপর আল্লাহর যখন রাতে তাঁকে জাগাবার ইচ্ছা হত, তখন তিনি জেগে উঠতেন। তারপর দাঁতন করতেন, ওযূ ক’রতেন ও সালাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
দৈহিক ব্যথা বা অন্য কোন অসুবিধার কারণে যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের সালাত ছুটে যেত, তাহলে তিনি দিনের বেলায় ১২ রাকাত সালাত পড়তেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাতের সব অংশেই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অর্থাৎ বিভিন্ন সময়ে) সালাত বিতর আদায় করতেন। রাতের প্রথমাংশে, মধ্যভাগে ও শেষাংশের সালাতে বিতর আদায় করতেন। রাতের শেষভাগে সাহরির সময় তার বিতর শেষ হতো।
عربي الإنجليزية الأوردية
“হে লোকসকল! তোমরা সালামের ব্যাপক প্রচলন করো, আহার করাও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বহাল রাখো এবং লোকজন যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন রাতের বেলা সালাত পড়ো। শান্তিতে জান্নাতে প্রবেশ করো”।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাজর হবার পর জামা‘আত দাঁড়ানোর পূর্বে সংক্ষিপ্ত দু’রাক‘আত সলাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাকাত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকাত সালাত ত্যাগ করতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি জোহরের পূর্বে চার রাকাত এবং তার পরে চার রাকাত সালাত রীতিমত আদায় করবে তার উপর আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন”।
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহ সে ব্যক্তির উপর রহমত বর্ষণ করেন যে আসরের (ফরযের) পূর্বে চার রাক‘আত (নফল) সালাত আদায় করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাত ও দিনের সালাত দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রমযান মাসের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সিয়াম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহার্রামের সিয়াম। আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের (তাহাজ্জুুদের) সালাত।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা তের রাক‘আত সলাত আদায় করতেন, যার ভিতর আছে বিতির এবং ফজরের দু’ রাক‘আত (সুন্নাত)।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা ভোর করার পূর্বে ভিতিরের সালাত আদায় কর।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগ্রত না হওয়ার আশঙ্কা করে সে যেন প্রথম রাতে বিতির পড়ে নেয়, আর যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগার আশা করে সে যেন শেষ রাতে বিতির পড়ে নেয়। কারণ, শেষ রাতের সালাতের সময় ফিরিশতাদের উপস্থিত হয়। আর তা অবশ্যই উত্তম।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঘরে সলাত আদায় কর। কেননা, ব্যক্তির উত্তম সালাত হচ্ছে তার ঘরের সালাত তবে ফরয সালাত ব্যতীত।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, সে যেন বসার আগে দু’রাকাত সালাত আদায় করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি তো আপনাকে দেখলাম কিবলাহ বিহীন দিকে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমন করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বাহনের পিঠে সালাত আদায় করতেন। যেদিকেই তার মুখ হতো সেদিকেই মুখ করতেন। তিনি মাথা দ্বারা ইশারা করতেন। আর ইবন উমার এ কাজটি করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন নফল সলাতকে ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাতের চেয়ে অধিক গুরুত্ব প্রদান করতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
সুবহে সাদিকের আগে আগেই তোমরা বিতর পড়ে নিবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তোমাদের কেউ রাতে জাগ্রত হয় এবং কুরআন তার মুখে কঠিন ঠেকে, কী বলছে বুঝতে পারে না, সে শুয়ে পড়বে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবন উমার কতই না ভালো মানুষ হত, যদি সে রাতে সালাত পড়ত।
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে (এত দীর্ঘ) কিয়াম করতেন যে, তাঁর পা দু’খানা (ফুলে) ফেটে (দাগ পড়ে) যেত। একদা আমি তাঁকে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এরূপ কাজ কেন করছেন? আল্লাহ তো আপনার আগের ও পিছের সমস্ত পাপ মোচন করে দিয়েছেন।’ তিনি বললেন, আমি কি তাঁর কৃতজ্ঞ বান্দা হতে পছন্দ করব না?
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহুমা খুতবার পূর্বে দুই ঈদের সালাত আদায় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন সালাত আদায় করা অবস্থায় তোমাদের কারো তন্দ্রা আসবে, তখন তার উচিত ঘুমিয়ে যাওয়া, যতক্ষণ না তার ঘুম চলে যাবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাদের কারও জন্য উচিৎ হবে সে যেন কর্ম সচেতন থাকা কালে সালাত আদায় করে। অতঃপর সে যখন শ্রান্ত হয়ে পড়বে, তখন সে যেন শুয়ে যায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
থামো! তোমরা সাধ্যমত আমল কর। আল্লাহর কসম! আল্লাহ ক্লান্ত হন না, যতক্ষণ না তোমরা ক্লান্ত হয়ে পড়।” আর সেই আমলই তাঁর নিকট প্রিয়তম, যেটা ব্যক্তি লাগাতার করে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা কোনো স্থানে অবতরণ করলে বাহনের পিঠ থেকে বোঝা নামিয়ে এর বিশ্রামের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত সালাত আদায় করতাম না।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দেন আমরা যেন আমাদের যুবতী ও উড়না বিশিষ্ট নারীদেরকে দুই ঈদে বের করে নিয়ে যাই এবং ঋতুমতী নারাীদেরকে তিনি মুসলিমদের সালাত আদায়ের স্থান থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ্! আপনার নিকটই আমি আত্মসমর্পণ করলাম; আপনার প্রতি ঈমান আনলাম; আপনার উপরেই তাওয়াক্কুল করলাম, আপনার সাহায্যেই তর্কে লিপ্ত হলাম এবং আপনাকেই বিচারক মেনে নিলাম। তাই আপনি আমার পূর্বাপর ও প্রকাশ্য গোপন সব অপরাধ ক্ষমা করুন। এবং আপনি আমার সম্পর্কে যা জানেন, (সব ক্ষমা করুন)। আপনি ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ্ নেই।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমতাবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেছি যে, কান্নার কারণে তার বুকের মধ্যে চাক্কির আওয়াজের মতো আওয়াজ ছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ মুযানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমরা মাগরেবের পূর্বে (দু’ রাকআত) নামায পড়।” অতঃপর বললেন, “যার ইচ্ছা হবে মাগরিবের পূর্বে দু’রাকাত সালাত পড়বে”। মানুষ এটাকে সুন্নত হিসেবে গ্রহণ করতে পারে আশঙ্কায়। সুনানু আবূ দাউদ, এটা তারই শব্দ, তবে বুখারীতে অনুরূপ হাদীস রয়েছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বলেনঃ “দু’রাক‘আত দু’রাক‘আত করে আদায় করবে
عربي الإنجليزية الأوردية
বিতরের সালাত প্রমাণিত (ওয়াজিব)। অতএব, যে ইচ্ছা করবে সে সাত রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে পাঁচ রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে তিন রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে এক রাক‘আত দ্বারা বিতর আদায় করবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে বিতির ও আট রাকা‘আত পড়তেন। তারপর যখন পরবর্তী রাত আসলো আমরা মসজিদে একত্র হলাম এবং আশা করছিলাম যে, তিনি আমাদের মাঝে বের হয়ে আসবেন। আমরা সকাল পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করলাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুক লোকের মতো হয়ো না, যে রাতে নফল সালাত পড়ত, অতঃপর তা ছেড়ে দিয়েছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে কুরআনের ধারকগণ! তোমরা বিতির পড়। নিশ্চয় আল্লাহ বিতর (বিজোড়) তিনি বিতরকে (বিজোড়কে) ভালবাসেন। সুনানে আবূ দাউদ
عربي الإنجليزية الأوردية
এক রাতে দুইবার বিতির নাই।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি ঘুমানোর কারণে বিতর সালাত আদায় করতে পারেনি অথবা তা আদায় করতে ভুলে যায়, পরে স্মরণ হওয়া মাত্রই যেন তা আদায় করে নেয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
যায়দ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, একদা তিনি একদল লোককে পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাত পড়তে দেখলেন। তিনি বললেন, ‘যদি ওরা জানত যে, নামায এ সময় ছাড়া অন্য সময়ে পড়া উত্তম। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আওয়াবীন (আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী)দের নামায যখন উঁটের বাচ্চার পা বালিতে গরম অনুভব করে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে নূর (বা আলো) দান করুন, আমার চোখে নূর দান করুন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দান করুন, আমার ডানে নূর দান করুন, আমার বামে নূর দান করুন, আমার উপরে নূর দান করুন, আমার নিচে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার জন্য নূর দান করুন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“প্রত্যেক আযান ও ইক্বামাতের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত আদায় করা যায়। তারপর তৃতীয়বার বলেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে”।
عربي الإنجليزية الأوردية
“হে বিলাল! ইসলাম গ্রহণের পর সর্বাধিক সন্তুষ্টিব্যঞ্জক যে ‘আমল তুমি করেছ, তার কথা আমার নিকট ব্যক্ত কর
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি আমার খালা মায়মুনার নিকট রাত্রি যাপন করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সালাতে দাঁড়ালেন, আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম, তিনি আমার মাথা ধরে তাঁর ডানপাশে দাঁড় করালেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
মুয়াযযিন যখন ফজরের প্রথম আযান শেষ করত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াতেন এবং দু’রাকাত হালকা সালাত আদায় করতেন ফজরের সালাতের পূর্বে ফজর স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর। তারপর তিনি ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন। যতক্ষণ না একামত দেওয়ার জন্যে মুয়াযযিন তার নিকট আসতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন ফজরের দু’ রাকআত সুন্নত পড়বে, তখন সে যেন তার ডান পার্শ্বে শুয়ে যায়।” মারওয়ান ইবন হাকাম তাকে বলল, আমাদের কারো মসজিদের দিকে গমন করা ডান পার্শ্বে শুয়ার জন্য যথেষ্ট হবে না। উবাউদুল্লাহ স্বীয় হাদীসে বলেন: তিনি বললেন, না, তিনি বলেন: বিষয়টি ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার ওপর বাড়াবাড়ি করল। তখন ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হলো, তিনি যা বলেন তার কোন কিছু কি আপনি অস্বকীর করেন। সে বলল, “না, তবে সে সাহস দেখিয়েছে আর আমরা ভীরুতা প্রদর্শন করেছি।” তিনি বলেন, বিষয়টি আবূ হুরায়রার নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, আমার কি অপরাধ যদি আমি স্মরণ রাখি এবং তারা ভুলে যায়। সুনানে আবূ দাউদ।
عربي الإنجليزية الأوردية
ফরয সালাতসমূহের মতো বিতিরের সালাত আবশ্যক নয়। তবে সুন্নাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সুন্নাত করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে ইশা ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন, আর তা হলো বিতর, তা হলো বিতর।
عربي الإنجليزية الأوردية
আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকাল অতিবাহিত করল অথচ বিতির আদায় করেনি তার কোন বিতির নাই।” সহীহ ইবন খুজাইমাহ।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যাবতীয় কাজের জন্য ইস্তিখারা শিখাতেন, যেভাবে তিনি কুরআনের সূরা শেখাতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية