হাদীসসমূহের তালিকা
“তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি হলো এমন বীর্য থেকে যাকে মায়ের পেটে চল্লিশ দিন একত্রিত রাখা হয়
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোক তারা, যাদের জীবদ্দশায় কিয়ামত কায়িম হবে এবং যারা কবরকে মসজিদ (ইবাদতের স্থান) বানায় ।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন; তার আমল যাই হোক না কেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কোন ব্যক্তি যদি কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় বা তার নিকট পাওনা মাফ করে দেয়, আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় তাকে ছায়া দিবেন। যে দিন আল্লাহর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা শীঘ্রই তোমাদের রব্ব কে দেখতে পাবে, যেমনি তোমরা এ চাঁদটিকে দেখতে পাচ্ছো। তাঁকে দেখতে তোমাদের কোনো অসুবিধা হবে না(ভিড়ে ঠেলাঠেলিও করবেনা)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সাবধান! অচিরেই এমন ব্যক্তির উদ্ভব হবে যে তার আসনে হেলান দেওয়া অবস্থায় বসে থাকবে এবং তার কাছে আমার থেকে হাদীস পৌঁছালে সে বলবে: আমাদের ও তোমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাবই রয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ আমার উম্মাতের মধ্য হতে একজনকে কিয়ামাতের দিন সমগ্র সৃষ্টিজগতের সামনে উপস্থিত করবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন আল্লাহ তা‘আলা জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি জিবরীল ‘আলাইহিস সালামকে জান্নাতে প্রেরণ করে বললেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামতের দিন মানুষের মাঝে প্রথমেই রক্ত সংক্রান্ত বিচার করা হবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এদের ’আযাব দেয়া হচ্ছে; তবে কোন গুরুতর অপরাধের জন্য তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তাদের একজন পেশাব হতে সতর্ক থাকত না। আর অপরজন চোগলখোরী(একের কথা অন্যজন কে লাগান) করে বেড়াত।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি বললেন, “তুমি তার জন্য কী জোগাড় করেছ?”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে আমি কি এমন কথা বলব না, যা কোন নবীই তাঁর জাতিকে বলেননি? তা এই যে, সে হবে কানা। আর সে নিজের সাথে নিয়ে আসবে জান্নাত ও জাহান্নামের মত কিছু।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ"। (আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মাবূদ নেই) আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর এ পরিমাণ খুলে গেছে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি মাথা উঠাও এবং বল, তোমার কথা শোন হবে। আর তুমি চাও, তোমাকে দেওয়া হবে। আর তুমি সুপারিশ কর, তোমার সুপারিশ কবুল করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের পরিচয় বলব না? তারা দুর্বল এবং অসহায়; কিন্তু তাঁরা যদি কোন ব্যাপারে আল্লাহর নামে কসম করে বসেন, তাহলে তা পূরণ করে দেন। আমি কি তোমাদেরকে জাহান্নামী লোকদের পরিচয় বলব না? তারা রূঢ় স্বভাব, অধিক মোটা এবং অহংকারী তারাই জাহান্নামী”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহ থেকে মারফু‘ সূত্রে বর্ণিত, “নিশ্চয় আল্লাহর পথে মুজাহিদদের জন্য আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে একশটি মর্যাদার স্তর প্রস্তুত রেখেছেন। দু’টি স্তরের ব্যবধান আসমান ও যমীনের দূরত্বের ন্যায়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন মোটা-তাজা বৃহৎ মানুষ আসবে, আল্লাহর কাছে তার ওজন মাছির ডানার সমানও হবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মুসলিমকে যখন কবরে প্রশ্ন করা হবে, তখন সে সাক্ষ্য দেবে যে: আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামতের দিনে মুমিন ব্যক্তিকে তার প্রভুর নিকটবর্তী করা হবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা তার উপর পর্দা ঢেলে দিবেন এবং তার পাপের ব্যাপারে তার থেকে জবানবন্দি নিবেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামতের দিন বান্দার দু’পা সরবে না, যতক্ষণ না তাকে প্রশ্ন করা হবে; তার আয়ু সম্পর্কে, সে তা কিসে শেষ করেছে? তার ইলম (বিদ্যা) সম্পর্কে, সে অনুযায়ী কী আমল করেছে? তার মাল সম্পর্কে, কী উপায়ে তা উপার্জন করেছে এবং তা কোন্ পথে ব্যয় করেছে? আর তার দেহ সম্পর্কে, কোন কাজে সে তা নষ্ট করেছে?”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আর যে কেউ রাষ্ট্রপ্রধানের নিকট আনুগত্যের বাই‘আত করলো এবং তার হাতে হাত রাখলো ও নিজের অন্তরের একনিষ্ঠতা তাকে দিয়ে দিল, তার উচিত হবে যথাসম্ভব রাষ্ট্রপ্রধানের আনুগত্য করা। অতঃপর অন্য কোনো ব্যক্তি যদি তার কাছ থেকে তা কেড়ে নিতে আসে, তবে তোমরা দ্বিতীয় সে ব্যক্তির গর্দান উড়িয়ে দিবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জাহান্নামীদের কারো পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত আগুনে স্পর্শ করবে। করো হাটু পর্যন্ত আগুনে স্পর্শ করবে। কারো কোমর পর্যন্ত আবার কারো কণ্ঠ পর্যন্ত আগুন স্পর্শ করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
প্রতিটি বান্দাকে যার ওপর সে মারা যায় তার ওপর উঠানো হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছি অথচ তুমি আমাকে দেখাশুনা করনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ এমন কোনো নবী প্রেরণ করেন নি যিনি তার জাতিকে কানা মিথ্যুকটি সম্পর্কে সাবধান করেন নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
শাফা‘আতের হাদীস
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘‘তোমরা কি জান, নিঃস্ব কে?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সোনা-রূপার অধিকারী যেসব লোক এ হক (যাকাত) আদায় করে না, কিয়ামতের দিন তার ঐ সোনা-রূপা দিয়ে তার জন্য আগুনের অনেক পাত তৈরি করা হবে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার মহান রব আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাব ও বিনা আযাবে জান্নাতে দাখিল করবেন এবং প্রতি হাজারের সাথে থাকবে আরও সত্তর হাজার করে এবং আরো থাকবে আমার মহান রবের তিন মুঠো পরিমাণ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পুলসিরাত জাহান্নামের দু’ তীরের মাঝে স্থাপন করা হবে। তাতে থাকবে সাদান বৃক্ষের কাঁটা সদৃশ কাঁটাসমূহ। লোকজন তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে। কতক মুসলিম নিরাপদে তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে, কতক কাঁটার আঁচড় খেয়ে, কতক কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে থাকার পর নাজাত পাবে এবং কতক মুখ থুবড়ে জাহান্নামের তলদেশে নিক্ষিপ্ত হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমাদের রব স্বীয় নলা/পায়ের গোছা উন্মুক্ত করবেন। তখন প্রত্যেক মুমিন নারী ও পুরুষ তাকে সেজদা করবে। তবে তারা বাকী থাকবে যারা দুনিয়াতে লোক দেখানো ও সুনামের জন্য সাজদাহ করত। তারা সাজদাহ করতে চেষ্টা করবে কিন্তু তাদের পিঠ একটি কাটের তখতের মতো হয়ে ফিরে আসবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ সাঈদ খুদরীর হাদীস। তাতে রয়েছে কিয়ামতের দৃশ্য, মুমিনদের আল্লাহর দর্শন লাভ করা, ফুলসিরাত পার হওয়া এবং যার অন্তরে বিন্দু পরিমাণ ঈমান রয়েছে তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে আনা ও সুপারিশের আলোচনা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সর্বশেষে যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে বের হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, তার সম্পর্কে অবশ্যই আমার জানা আছে। এক ব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে (বা বুকে ভর দিয়ে) চলে জাহান্নাম থেকে বের হবে। তখন আল্লাহ আয্যা অজাল্লাহ বলবেন, ‘যাও জান্নাতে প্রবেশ কর।’ সুতরাং সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে সে ফিরে এসে বলবে, ‘হে রব! জান্নাত তো পরিপূর্ণ দেখলাম।’ আল্লাহ আয্যা অজাল্লাহ বলবেন, ‘যাও, জান্নাতে প্রবেশ কর।’ তখন সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত তো ভরে গেছে। তাই সে আবার ফিরে এসে বলবে, ‘হে রব! জান্নাত তো ভরতি দেখলাম।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দু‘আ বলবে, اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ القَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا الوَسِيلَةَ وَالفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ (হে আল্লাহ এই পূর্ণাঙ্গ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের তুমিই রব! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তুমি জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান ও মর্যাদা দান করো এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো)। তার জন্য কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশ অনিবার্য হয়ে যাবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তারা সত্য বলেছে, তাদেরকে এমন শাস্তি দেওয়া হয় যা সব চতুষ্পদ জন্তু শুনতে পায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় এ উম্মতকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। যদি তোমরা ভয়ে দাফন করবে এ আশঙ্ক না করতাম তাহলে আমি আল্লাহর নিকট দো‘আ করতাম যাতে তিনি তোমাদের কবরের শাস্তি শোনায় যা আমি শুনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের কেউ মারা গেলে অবশ্যই তার সামনে সকাল ও সন্ধ্যায় তার অবস্থান স্থল উপস্থাপন করা হয়
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে কিয়ামতের সাথে এ রকম, এ কথা বলে তিনি আঙ্গুল দু'টিকে প্রসারিত করে ইশারা করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“এ বিষয়টি (দীন ইসলাম ) অবশ্যই যেখানে রাত ও দিন পৌঁছে সেখানেই পৌঁছে যাবে। এ দীনকে প্রবেশ করানো ছাড়া গ্রাম ও শহরের কোন ঘরকে আল্লাহ ছাড়বেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“নিশ্চয় আল্লাহ কোন মুমিনের ভালোকাজের ব্যাপারে জুলুম করেন না
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামাতের আলামতসমূহের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে: ইলম উঠে যাওয়া, অজ্ঞতা বেড়ে যাওয়া, ব্যভিচার বৃদ্ধি পাওয়া, মদ্যপান বেড়ে যাওয়া, পুরুষের সংখ্যা কমে যাওয়া ও নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া, এমনকি পঞ্চাশজন নারীর জন্য মাত্র একজন পরিচালক বিদ্যমান থাকবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ: يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ
‘কিয়ামত ততক্ষণ কায়েম হবে না, যতক্ষণ না এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির কবরের পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় বলবে : হায়! যদি আমি তার স্থলে হতাম ‘
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা ইহুদীদের সাথে যুদ্ধ না করা পর্যন্ত কিয়ামাত কায়েম হবে না, এমনকি কোন একটি পাথরের পিছনে একজন ইহুদী থাকলে, সে পাথর বলবে: হে মুসলিম, এই যে আমার পিছনে একটি ইহুদী, তাকে হত্যা কর।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَيُوشِكَنَّ أَنْ يَنْزِلَ فِيكُمْ ابْنُ مَرْيَمَ حَكَمًا مُقْسِطًا، فَيَكْسِرَ الصَّلِيبَ، وَيَقْتُلَ الخِنْزِيرَ، وَيَضَعَ الجِزْيَةَ، وَيَفِيضَ المَالُ حَتَّى لاَ يَقْبَلَهُ أَحَدٌ».
“শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। অচিরেই তোমাদের মাঝে ন্যায় বিচারকরূপে মারইয়ামের পুত্র [ঈসা (আ.)] অবতরণ করবেন। তারপর তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিযিয়া রহিত করবেন এবং ধন-সম্পদের এরূপ প্রাচুর্য হবে যে, কেউ তা গ্রহণ করবে না।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামাত কায়েম হবে না, যতক্ষণ না সূর্য তার অস্তাচল থেকে উদয় হবে, যখন তা উদয় হবে আর সকল মানুষ তা প্রত্যক্ষ করবে, তখন সবাই ঈমান আনবে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَقَارَبَ الزَّمَانُ
عربي
الإنجليزية
الأوردية
يَقْبِضُ اللَّهُ الأَرْضَ، وَيَطْوِي السَّمَوَاتِ بِيَمِينِهِ، ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا المَلِكُ، أَيْنَ مُلُوكُ الأَرْضِ».
“আল্লাহ জমিনকে মুষ্টিতে ধারণ করবেন আর আসমানসমূহ কে তাঁর ডান হাতে ভাজ করে রাখবেন। তারপরে বলবেন: আমিই মালিক। কোথায় দুনিয়ার মালিকেরা (রাজা-বাদশাহরা)?”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমার হাউযটি এক মাসের সমান দূরত্ব। এর পানি দুধ অপেক্ষা বেশী সাদা, মেশক অপেক্ষা বেশী সুগন্ধিময়
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি হাউযের কাছে উপস্থিত হব, এমনকি আমি তোমাদের মধ্য হতে আমার নিকটে আগত ব্যক্তিদেরকে দেখতে পাব আর তারপরই একদল মানুষকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলব: হে আমার রব! আমার লোক, আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ঐ সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মাদের জান, হাউযের পানপাত্র পরিষ্কার মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আসমানের তারকা ও গ্রহ-নক্ষত্রের চেয়ে বেশী হবে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মৃত্যুকে সাদা-কালো মিশ্রিত একটি ভেড়ার আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের কাছে বিদ্যমান আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তরভাগের একভাগ
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীস বর্ণনা করেছেন আর তিনি হচ্ছেন সত্যবাদী এবং সত্যবাদী হিসেবে প্রত্যায়িত: “নিশ্চয় তোমাদের যে কোন ব্যক্তি তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন ও চল্লিশ রাত অবস্থান করে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বিষয় উল্লেখ করে বললেন: “সেটা হচ্ছে ইলম উঠে যাওয়ার সময়
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমার সাথে তারা যে খিয়ানত করেছে, অবাধ্য হয়েছে এবং মিথ্যা বলেছে আর তুমি এ সবের জন্য তাদের যে শাস্তি দিয়েছ তা হিসাব করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যিনি তাকে দুনিয়াতে দুই পায়ে ভর করে হাটাচ্ছেন, তিনি কি তাকে কিয়ামাতের দিনে মুখের উপরে ভর করিয়ে হাটাতে সক্ষম নন?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
{ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ}
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“শেষ যুগে আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোকের আবির্ভাব ঘটবে যারা তোমাদের এমন হাদীস শোনাবে যা তোমরা কিংবা তোমাদের পূর্বপুরুষরা কেউ শোনেনি। অতএব তোমরা সাবধান থাকবে এবং তাদেরও সাবধান রাখবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা যখন মুওয়াযযিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার ওপর দুরূদ পাঠ কর
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মানুষ এক ঘুম ঘুমাবে আর তার অন্তর থেকে আমানত তুলে নেওয়া হবে। তখন একটি বিন্দুর মত তার চিহ্ন অবশিষ্ট থাকবে। পুনরায় এক ঘুম ঘুমাবে। আবারো তার অন্তর থেকে আমানত উঠিয়ে নেওয়া হবে। তখন আগুনের আঙ্গারার মত তার চিহ্ন অবশিষ্ট থাকবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন অবশ্যই মেহমানের পারিতোষিকসহ তার সম্মান করে। লোকেরা বলল, ‘তার পারিতোষিক কী? হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, “একদিন ও একরাত (উত্তমভাবে পানাহারের ব্যবস্থা করা)। আর সাধারণতঃ মেহমানের খাতির তিন দিন পর্যন্ত। তিনদিনের অতিরিক্ত হবে মেহমানের ওপর সাদকাহ স্ব¦রূপ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সেই মহান সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন, ততক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়া বিনাশ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না কোনো ব্যক্তি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে উক্ত কবরের উপর গড়াগড়ি দেবে আর বলবে, ‘হায়! হায়! যদি আমি এই কবরবাসীর স্থানে হতাম!’ এরূপ উক্তি সে দীন রক্ষার মানসে বলবে না, বরং তা বলবে পার্থিব বালা-মুসীবতে অতিষ্ঠ হওয়ার কারণে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ততদিন পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতদিন পর্যন্ত ফুরাত নদী একটি সোনার পাহাড় বের না করবে, যা নিয়ে যুদ্ধ বাঁধবে। ফলে যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী প্রত্যেক শ থেকে নিরানব্বই জনই মারা যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মদীনার অবস্থা উত্তম থাকা সত্বেও তার অধিবাসীরা মদীনা ত্যাগ ক’রে চলে যাবে। (সে সময়) সেখানে কেবল বন্য হিংস্র পশু-পাখিতে ভরে যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
লোকেদের উপর এমন একটি সময় অবশ্যই আসবে, যখন মানুষ সোনার যাকাত নিয়ে ঘোরাঘুরি করবে; কিন্তু সে এমন কাউকে পাবে না যে, তার নিকট হতে তা গ্রহণ করবে। আর দেখা যাবে যে, পুরুষের সংখ্যা কম ও মহিলার সংখ্যা বেশী হওয়ার দরুন চল্লিশজন মহিলা একজন পুরুষকে আশ্রয় করে থাকবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নেককার ব্যক্তিরা একে একে চলে যাবেন। আর যব ও খেজুরের অব্যবহৃত অংশের মতো কেবল নিকৃষ্টরাই পড়ে থাকবে। আল্লাহ এদের প্রতি মোটেই পরোয়া করবেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি ক্রোধ সংবরণ করবে অথচ সে তা বাস্তবায়িত করার ক্ষমতা রাখে। আল্লাহ তা‘আলা তাকে কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টির সামনে ডেকে হুর থেকে যত ইচ্ছা গ্রহণ করার এখতিয়ার দিবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন বলবেন, ‘আমার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের জন্য পরস্পরকে যারা ভালবেসেছিল তারা কোথায়? আজকের দিন আমি তাদেরকে আমার ছায়ায় আশ্রয় দেব, যেদিন আমার (আরশের) ছায়া ছাড়া অন্য কোন ছায়া নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাঁর আকাশমণ্ডলীকে গুটিয়ে ফেলবেন। অতঃপর স্বীয় ডান দ্বারা তা ধরবেন। তারপর তিনি বলবেন, আমিই অধিপতি, প্রতাপশালীরা কোথায়? দাম্ভিকেরা কোথায়? তারপর সাত যমীনকে গুটিয়ে নিবেন। তারপর এগুলো বাম হাত দ্বারা তালুবদ্ধ করবেন। তারপর তিনি বলবেন, আমি অধিপতি, প্রতাপশালীরা কোথায়? দাম্ভিকেরা কোথায়?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন বলবেন, ‘আমার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের জন্য পরস্পরকে যারা ভালবেসেছিল তারা কোথায়? তাদের জন্য রয়েছে নূরের মিম্বারসমূহ। যার প্রতি নবী ও শহীদগণ আগ্রহ করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একটি বাহিনী কা‘বা ঘরের উপর আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বের হবে। অতঃপর যখন তারা সমতল মরুপ্রান্তরে (বাইদা) পৌঁছবে তখন তাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি সকলকেই যমীনে ধসিয়ে দেওয়া হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলুমের জন্য দায়ী থাকে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোন দীনার বা দিরহাম থাকবে না
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মানুষকে হাশরের মাঠে উঠানো হবে নগ্ন পদ, নগ্ন দেহ ও খাতনাবিহীন অবস্থায়”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যেদিন সকল মানুষ জগতসমূহের রবের সামনে দন্ডায়মান হবে” এমনকি সেদিন কেউ কেউ তার ঘামের মধ্যে কানের লতা পর্যন্ত ডুবে যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন প্রত্যেক হকদারকে অবশ্যই হক বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এমন কি শিংবিহীন ছাগলের জন্যে শিংযুক্ত ছাগল থেকে বদলা গ্রহণ করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
১৮০৮- নাওয়াস ইবনে সামআন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তাতে তিনি স্বর নিম্ন ও উচ্চ করলেন যে, আমরা তাকে সামনের কয়েকটি খেজুর গাছের মধ্যেই ভাবলাম। আমরা যখন তাঁর নিকট গেলাম, তিনি আমাদের মধ্যে তার (উদ্বিগ্নতার) আলামত দেখতে পেলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমাদের কি হয়েছে?’’ আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আজ সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে স্বর নিম্ন ও উচ্চ করলেন, যার ফলে আমরা ধারণা করে বসি যে, সে যেন খেজুর বাগানের মধ্যেই রয়েছে।’ তিনি বললেন, ‘দাজ্জাল ছাড়া তোমাদের ব্যাপারে অন্য জিনিসকে আমার আরও বেশী ভয় হয়। আমি তোমাদের মাঝে থাকাকালে দাজ্জাল যদি বের হয়, তাহলে আমি স্বয়ং তোমাদের পক্ষ থেকে তাকে প্রতিরোধ করব। আর যদি সে বের হয় এবং আমি তোমাদের মাঝে না থাকি, তাহলে [তোমরা] প্রত্যেক ব্যক্তি নিজকে রক্ষা করবে। আর আল্লাহ স্বয়ং প্রতিটি মুসলমানের জন্য [আমার] প্রতিনিধিত্ব করবেন।
দাজ্জাল হবে যুবক, তার মাথার কেশরাশি হবে খুব বেশি কোঁচকানো। তার একটি চোখ [আঙ্গুরের ন্যায়] ফোলা থাকবে। যেন সে আব্দুল উয্যা ইবনে ক্বাত্বানের মত দেখতে হবে। সুতরাং তোমাদের যে কেউ তাকে পাবে, সে যেন তার সামনে সূরা কাহ্ফের শুরুর [দশ পর্যন্ত] আয়াতগুলি পড়ে। সে শাম ও ইরাকের মধ্যবর্তী স্থানে আবির্ভূত হবে। আর তার ডাইনে-বামে [এদিকে ওদিকে] ফিতনা ছড়াবে। হে আল্লাহর বান্দারা। [ঐ সময়] তোমরা অবিচল থাকবে।’
আমরা বললাম, ‘পৃথিবীতে তার অবস্থান কতদিন থাকবে?’ তিনি বললেন, ‘চল্লিশ দিন। একটি দিন এক বছরের সমান দীর্ঘ হবে। একটি দিন হবে এক মাসের সমান লম্বা। একটা দিন এক সপ্তাহের সমান হবে এবং বাকি দিনগুলি প্রায় তোমাদের দিনগুলির সম পরিমাণ হবে।’ আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! যেদিনটি এক বছরের সমান লম্বা হবে, তাতে আমাদের একদিনের [পাঁচ ওয়াক্তের] নামাযই কি যথেষ্ট হবে?’ তিনি বললেন, ‘‘তোমরা [দিন রাতের ২৪ ঘণ্টা হিসাবে] অনুমান করে নামায আদায় করতে থাকবে।’ আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ভূপৃষ্ঠে তার দ্রুত গতির অবস্থা কিরূপ হবে? তিনি বললেন, তীব্র বায়ু তাড়িত মেঘের ন্যায় [দ্রুত বেগে ভ্রমণ করে অশান্তি ও বিপর্যয় ছড়াবে।] সুতরাং সে কিছু লোকের নিকট আসবে ও তাদেরকে তার দিকে আহ্বান জানাবে এবং তারা তার প্রতি ঈমান আনবে ও তার আদেশ পালন করবে। সে আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণ করতে আদেশ করবে, আকাশ আদেশক্রমে বৃষ্টি বর্ষণ করবে। আর জমিনকে [গাছ-পালা] উদ্গত করার নির্দেশ দেবে। জমিন তার নির্দেশক্রমে তাই উদ্গত করবে। সুতরাং [সে সব গাছ-পালা ভক্ষণ করে] সন্ধ্যায় তাদের গবাদি পশুদের কুঁজ [ও ঝুঁটি] অধিক উঁচু হবে ও তাদের পালানে অধিক পরিমাণে দুধ ভরে থাকবে। উদর পূর্ণ আহার জনিত তাদের পেট টান হয়ে থাকবে। অতঃপর দাজ্জাল [অন্য] লোকের নিকট যাবে ও তার দিকে [আসার জন্য] তাদেরকে আহ্বান জানাবে। তারা কিন্তু তার ডাকে সাড়া দেবে না। ফলে সে তাদের নিকট থেকে ফিরে যাবে। সে সময় তারা চরম দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়ে পড়বে ও সর্বস্বান্ত হবে। তারপর সে কোন প্রাচীন ধ্বংসস্তূপের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় সেটাকে সম্বোধন করে বলবে, ‘তুই তোর গচ্ছিত রত্নভাণ্ডার বের করে দে।’ তখন সেখানকার গুপ্ত রত্নভাণ্ডার মৌমাছিদের নিজ রাণী মৌমাছির অনুসরণ করার মতো [মাটি থেকে বেরিয়ে] তার পিছন ধরবে। তারপর এক পূর্ণ যুবককে ডেকে তাকে অস্ত্রাঘাতে দ্বিখণ্ডিত করে তীর নিক্ষেপের লক্ষ্যমাত্রার দূরত্বে নিক্ষেপ করে দেবে। তারপর তাকে ডাক দেবে। আর সে উজ্জ্বল সহাস্য-বদনে তার দিকে [অক্ষত শরীরে] এগিয়ে আসবে। দাজ্জাল এরূপ কর্ম-কাণ্ডে মগ্ন থাকবে। ইত্যবসরে মহান আল্লাহ তা'আলা মসীহ বিন মারয়্যাম আলাইহিস সালাম-কে পৃথিবীতে পাঠাবেন। তিনি দামেস্কের পূর্বে অবস্থিত শেবত মিনারের নিকট অর্স ও জাফরান মিশ্রিত রঙের দুই বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় দু’জন ফিরিশ্তার ডানাতে হাত রেখে অবতরণ করবেন। তিনি যখন মাথা নিচু করবেন, তখন মাথা থেকে বিন্দু বিন্দু পানি ঝরবে এবং যখন মাথা উঁচু করবেন, তখনও মতির আকারে তা গড়িয়ে পড়বে। যে কাফেরই তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের নাগালে আসবে, সে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণ হারাবে। তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস তাঁর দৃষ্টি যত দূর যাবে, তত দূর পৌঁছবে। অতঃপর তিনি দাজ্জালের সন্ধান চালাবেন। শেষ পর্যন্ত [জেরুজালেমের] ‘লুদ’ প্রবেশ দ্বারে তাকে ধরে ফেলবেন এবং অনতিবিলম্বে তাকে হত্যা করে দেবেন। তারপর ঈসা আলাইহিস সালাম এমন এক জনগোষ্ঠীর নিকট আসবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা'আলা দাজ্জালের চক্রান্ত ও ফিতনা থেকে মুক্ত রেখেছেন। তিনি তাদের চেহারায় হাত বোলাবেন [বিপদমুক্ত করবেন] এবং জান্নাতে তাদের মর্যাদাসমূহ সম্পর্কে তাদেরকে জানাবেন। এসব কাজে তিনি ব্যস্ত থাকবেন এমন সময় আল্লাহ তা'আলা তাঁর নিকট অহি পাঠাবেন যে, ‘‘আমি আমার কিছু বান্দার আবির্ভাব ঘটিয়েছি, তাদের বিরুদ্ধে কারো লড়ার ক্ষমতা নেই। সুতরাং তুমি আমার প্রিয় বান্দাদের নিয়ে ‘ত্বূর’ পর্বতে আশ্রয় নাও।’ আল্লাহ তা'আলা য়্যা’জুজ-মা’জুজ জাতিকে পাঠাবেন। তারা প্রত্যেক উচ্চস্থান থেকে দ্রুত বেগে ছুটে যাবে। তাদের প্রথম দলটি ত্বাবারী হ্রদ পার হবার সময় তার সম্পূর্ণ পানি এমনভাবে পান করে ফেলবে যে, তাদের সর্বশেষ দলটি সেখান দিয়ে পার হবার সময় বলবে, এখানে এক সময় পানি ছিল। আল্লাহর নবী ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর সাথীরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়বেন। এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁদের কাছে একটি গরুর মাথা, বর্তমানে তোমাদের একশ’টি স্বর্ণমুদ্রা অপেক্ষা অধিক উত্তম হবে। সুতরাং আল্লাহর নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এবং তাঁর সঙ্গীগণ আল্লাহর কাছে দু'আ করবেন। ফলে আল্লাহ তা'আলা তাদের [য়্যা’জূজ-মা’জূজ জাতির] ঘাড়সমূহে এক প্রকার কীট সৃষ্টি করে দেবেন। যার শিকারে পরিণত হয়ে তারা এক সঙ্গে সবাই মারা যাবে। তারপর আল্লাহ তা'আলার নবী ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর সাথীগণ নিচে নেমে আসবেন। তারপর [এমন অবস্থা ঘটবে যে,] সেই অঞ্চল তাদের মৃতদেহ ও দুর্গন্ধে ভরে থাকবে; এক বিঘত জায়গাও তা থেকে খালি থাকবে না। সুতরাং ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর সঙ্গীরা আল্লাহর কাছে দু'আ করবেন। ফলে তিনি বুখতী উটের ঘাড়ের ন্যায় বৃহদকায় এক প্রকার পাখি পাঠাবেন। তারা উক্ত লাশগুলিকে তুলে নিয়ে গিয়ে আল্লাহ যেখানে চাইবেন সেখানে নিয়ে গিয়ে নিক্ষেপ করবে। তারপর আল্লাহ তা'আলা এমন প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যে, কোন ঘর ও শিবির বাদ পড়বে না। সুতরাং সমস্ত জমিন ধুয়ে মসৃণ পাথরের ন্যায় অথবা স্বচ্ছ কাঁচের ন্যায় পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপর জমিনকে আদেশ করা হবে যে, ‘তুমি আপন ফল-মূল যথারীতি উৎপন্ন কর ও নিজ বরকত পুনরায় ফিরিয়ে আন।’ সুতরাং [বরকতের এত ছড়াছড়ি হবে যে,] একদল লোক একটি মাত্র ডালিম ফল ভক্ষণ করে পরিতৃপ্ত হবে এবং তার খোসার নীচে ছায়া অবলম্বন করবে। পশুর দুধে এত প্রাচুর্য প্রদান করা হবে যে, একটি মাত্র দুগ্ধবতী উটনী একটি সম্প্রদায়ের জন্য যথেষ্ট হবে। একটি দুগ্ধবতী গাভী একটি গোত্রের জন্য যথেষ্ট হবে। আর একটি দুগ্ধবতী ছাগী কয়েকটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে। তারা ঐ অবস্থায় থাকবে, এমন সময় আল্লাহ তা'আলা এক প্রকার পবিত্র বাতাস পাঠাবেন, যা তাদের বগলের নীচে দিয়ে প্রবাহিত হবে। ফলে প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জীবন হরণ করবে। তারপর স্রেফ দুর্বৃত্ত ও অসৎ মানুষজন বেঁচে থাকবে, যারা এই ধরার বুকে গাধার ন্যায় প্রকাশ্যে লোকচক্ষুর সামনে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে। সুতরাং এদের উপরেই সংঘটিত হবে মহাপ্রলয় [কিয়ামত]।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিসরের) নীল প্রত্যেকটি নদীই জান্নাতের নদী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্ক করল। জাহান্নাম বলল, আমাকে অহংকারী ও প্রতাপশালীদের দ্বারা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আর জান্নাত বলল, আমার কি হলো যে, আমার মধ্যে দূর্বল, অবহেলিত ও মূল্যহীন লোক ব্যতীত কেউ প্রবেশ করবে না?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামাতের দিন মানুষ বা বললেন বান্দাদের বিবস্ত্র, খাতনাবিহীন ও খালি হাতে একত্র করা হবে। তিনি বলেন আমরা বললাম খালি হাত কি? তাদের হাতে কোন সম্পদ থাকবে না। অঃপর তাদের এমন আওয়াজে আহ্বান করা হবে, যারা দূরে তারা এমনই শুনতে পাবে যেমন যারা কাছে তারা শুনতে পায়। আমি বাদশাহ, আমি প্রতিদান দাতা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কাফির যখন দুনিয়াতে কোন পুণ্য কাজ করে, তখন বিনিময়ে তাকে দুনিয়ার (কিছু আনন্দ) উপভোগ করতে দেওয়া হয়। (আখেরাতে সে এর কিছুই প্রতিদান পাবে না)। কিন্তু মুমিন, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য আখেরাতে তার প্রতিদান সঞ্চিত করে রাখেন, তদুপরি দুনিয়াতে তিনি তাকে জীবিকা দেন তাঁর আনুগত্যের কারণে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনদের ঘাড় সবচেয়ে লম্বা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার কাছে ওহী প্রেরণ করা হয়েছে যে, দাজ্জালের ফিতনার মতো কাছাকাছি ফিতনা দ্বারা তোমাদের কবরে পরীক্ষা করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হলেন, তখন সূর্য্য ডুবে গিয়েছিল। তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়াহুদীদেরকে তাদের কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কবরের নি‘আমত ও আযাবের আংশিক বর্ণনা
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের পূর্বেকার ছয়টি আলামত গণনা কর। একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু। অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয়। অতঃপর দু’টি মৃত্যু তোমাদের মধ্যে থেকে মেষপালের ন্যায় (অধিকহারে লোক) গ্রহণ করবে। তারপর সম্পদের প্রাচুর্য হবে, এমনকি মাথাপিছু শত দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) পেয়েও মানুষ সন্তুষ্ট হবে না। তারপর তোমাদের মধ্যে এমন বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, যা থেকে আরবের কোন ঘর রেহাই পাবে না। এরপর বনু আসফার (রোমক খৃস্টান)-এর সাথে তোমাদের সন্ধি হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ততক্ষণ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষন হিজাযের জমিন থেকে আগুন বের না হবে, যা বুসরার উটগুলোর গর্দান আলোকিত করে দিবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
শেষ যামানায় আমার উম্মতের মধ্যে একজন খলীফা হবেন যিনি সম্পদকে দুই হাত দ্বারা ছিটাতে থাকবে হিসাব করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না তোমরা এমন তুর্ক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের চোখ ছোট, চেহারা লাল, নাক চেপ্টা এবং মুখমণ্ডল পেটানো চামড়ার ঢালের ন্যায়। আর ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতদিন না তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের জুতা হবে পশমের।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা লাল বর্ণ বিশিষ্ট চেহারা, চেপটা উঁচা নাক, ছোট চোখ বিশিষ্ট অনারবী খূয ও কিরমাদের সাথে যুদ্ধ না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তাদের চেহারা হবে মোটা হাতুড়ির ন্যায় আর তাদের পাদুকা পশম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত এবং সর্বপ্রথম আমাদের হিসাব গ্রহণ করা হবে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“হে বিলাল! ইসলাম গ্রহণের পর সর্বাধিক সন্তুষ্টিব্যঞ্জক যে ‘আমল তুমি করেছ, তার কথা আমার নিকট ব্যক্ত কর
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আখেরী যামানায় তোমাদের খলীফাগণের মধ্যে একজন খলীফা এমন হবেন, যিনি হাত ভর্তি দান করবেন; গণনা করবেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমকে একজন ইয়াহূদী অথবা খ্রিষ্টানকে দিয়ে বলবেন, এই তোমার জাহান্নাম থেকে বাঁচার মুক্তিপণ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা জাযিরাতুল আরবে যূদ্ধ করবে, আল্লাহ তা বিজিত করে দিবেন। অতঃপর পারস্যবাসীদের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তাও বিজিত করে দিবেন। এরপর রোমীয়দের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা‘আলা এতেও তোমাদের বিজয়ী করবেন। অবশেষে তোমরা দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে। এখানেও আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার উম্মতের দুটি জামা‘আত আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। এক জামা‘আত যারা হিন্দুস্থানের বিপক্ষে যুদ্ধ করবে আর অপর জামা‘আত যারা ঈসা ইবন মারইয়ামের সাথে থাকবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা কিয়ামতের দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তাঁর শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আছে, আমি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশী যে, জান্নাতবাসীদের অর্ধেক তোমরাই হবে। এটা এ জন্য যে, শুধুমাত্র মুসলিম প্রাণ ছাড়া অন্য কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর মুশরিকদের তুলনায় তোমরা এরূপ, যেরূপ কালো বলদের গায়ে (একটি) সাদা লোম অথবা লাল বলদের গায়ে (একটি) কালো লোম।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন জানাযা খাটে রাখা হয় এবং পুরুষরা তা কাঁধে বহন করে নেয়, তখন সে সৎ হলে বলতে থাকে, আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“কিয়ামতের দিন সূর্যকে মানুষের নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। অবশেষে তা মানুষের এক মাইল দূরত্বে চলে আসবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের শুরু থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের হাত থেকে রক্ষা পাবে।" অন্য বর্ণনায় আছে: “সূরা আল-কাহফের শেষ থেকে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যা কামনা করেছ তা এবং এর অনুরূপ তোমাকে প্রদান করা হলো।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন আগের ও পরের সকল মানুষ এমন এক ময়দানে জমায়েত হবে, যেখানে একজন আহবানকারীর আহবান সকলে শুনতে পাবে এবং সকলেই এক সঙ্গে দৃষ্টিগোচর করবে। সূর্য নিকটে এসে যাবে। মানুষ এমনি কষ্ট-ক্লেশের সম্মুখীন হবে যা অসহনীয় ও অসহ্যকর হয়ে পড়বে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সর্বপ্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমার রাতের চন্দ্রের মত উজ্জ্বল। অতঃপর যে দল তাদের অনুগামী হবে তাদের মুখমণ্ডল হবে আকাশের সর্বাধিক দীপ্তিমান উজ্জ্বল তারকার ন্যায়।
عربي
الإنجليزية
الإندونيسية
তোমরা যখন আল্লাহর কাছে (জান্নাত) চাইবে, তখন তাঁর কাছে জান্নাতুল ফিরদাউস চাও।”
عربي
الإنجليزية
الإندونيسية