হাদীসসমূহের তালিকা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, পতিতার পারিশ্রমিক ও গণকের টাকা থেকে নিষেধ করছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কুকুরের দাম, পতিতার পারিশ্রমিক এবং শিঙ্গার উপার্জন নিকৃষ্ট।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি কি আমাকে ভেবেছ যে, আমি তোমার উট গ্রহণ করার জন্যে তোমার সাথে দরকষাকষি করেছি? তুমি তোমার উট নাও এবং তোমার দিরহামও নাও, সেটিও তোমার।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাফে‘ ইবন খাদীজকে স্বর্ণ রুপার বিনিময়ে যমীন ইজারা দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন, তাতে কোনো অসুবিধা নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা আল্লাহর নিকট মুসীবতের কাঠিন্য, অনিষ্টের স্পর্শ, খারাপ তাকদীর ও শত্রুর উপহাস থেকে পানাহ চাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আযলের বিষয়টি আলোচনা করা হলো, তিনি বললেন, তোমাদের কেউ সেটা কেন করে? কারণ, আল্লাহ যাকে সৃষ্টি করবেন, সেটা অবশ্যই করবেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওসাক কিংবা তার চেয়ে কম খেজুরের ক্ষেত্রে আরায়ার ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যার মালিককে অনুমতি প্রদান করেছেন তা অনুমানে বিক্রি করার।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
উসমান ইবন মাযউনের জন্য বৈরাগ্যকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি যদি তাকে অনুমতি দিতেন, আমরা অবশ্যই খাসি হয়ে যেতাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইদ্দত সংক্রান্ত সুবাইয়্যাহ আসলামিয়্যাহর হাদীস
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ পড়তেন, اللهم إني أعوذ بك مِنَ البَرَصِ، والجُنُونِ، والجُذَامِ، وَسَيِّيءِ الأسْقَامِ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! অবশ্যই আমি তোমার নিকট শেত, উম্মাদ, কুষ্ঠরোগ এবং সকল প্রকার কঠিন ব্যাধি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সবেচয়ে বড় কবীরাহ গুনাহ হলো আল্লাহর সাথে শির্ক করা, আল্লাহর পাঁকড়াও থেকে নিরাপদ হওয়া, আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া ও আল্লাহর প্রশস্ততা হতে হতাশ হওয়া।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সালাতুল খাওফের পদ্ধতি যেমনটি তা বর্ণনা করেছেন যাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণ অথবা চাঁদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তুমি তার বাঁধনের রশি এবং থলে-ঝুলি ভালো করে চিনে রাখ। অতঃপর এক বছর পর্যন্ত তার ঘোষণা দিতে থাক। যদি তুমি তার মালিক না পাও, তা তোমার নিকট রেখে দাও। আর তা যেন তোমার নিকট আমানত হিসেবেই থাকে। যদি কোনো সময় তার মালিক তোমার নিকট আসে তাহলে তুমি তা তার নিকট ফিরিয়ে দাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
দু’জনের খাবার তিনজনের জন্যে যথেষ্ট ও তিনজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ, তোমার নিকট আমি জাহান্নামের ফিতনা, জাহান্নামের শাস্তি এবং সম্পদ ও দারিদ্রতার ফিতনা থেকে সুরক্ষা চাই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার (দেওয়া) সাদকাহ ফিরিয়ে নিয়ো না; যদিও সে তোমাকে তা এক দিরহামের বিনিময়ে দেয়। কেননা, স্বীয় দান ফেরৎ গ্রহণকারী ব্যক্তি: নিজ বমিকে ভক্ষণকারীর মতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিজের দান ফিরিয়ে নেওয়া নিজের বমি ফিরিয়ে নেওয়ার মতোই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একবার অসুস্থাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজগৃহে সালাত আদায় করেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যদি সে আমার ঘরে পালক না হত, তবুও আমার জন্যে সে হালাল হত না। কারণ, সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। আমাকে ও আবু সালামাকে সুআইবাহ দুধ পান করিয়েছেন। অতএব, তোমরা তোমাদের মেয়ে ও বোনদের আমার ওপর (বিয়ের জন্যে) পেশ কর না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি খেজুরে সলম করতে চায় সে যেন নির্দিষ্ট মাপে, নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট ওজনে সলম করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবন-স্বত্ব তার জন্য ফায়সালা করেছেন যাকে তা দান করা হলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যৌথমালিকানার যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, তার মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুফ‘আর অধিকার প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র করা হয় তখন আর শু‘ফআর অধিকার থাকবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আনসারদের মধ্যে ফসলের জমি আমাদের বেশি ছিল। আমারা এ শর্তে জমি ইজারা দিতাম যে, জমির এ অংশ আমাদের আর এ অংশ তাদের। তখন দেখা যেত, কখনো এক অংশে ফসল হত আর অন্য অংশে হত না। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তার থেকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু রুপার বিনিময়ে নিষেধ করেন নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা আযল করতাম অথচ তখন কুরআন অবতীর্ণ হচ্ছিল। যদি এটি নিষিদ্ধ হত, তবে অবশ্যই কুরআন আমাদের নিষেধ করত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সমান পরিমাণ ছাড়া তোমরা সোনার বদলে সোনা বিক্রি করবে না, একটি অপরটি থেকে কম-বেশি করবে না। সমান ছাড়া তোমরা রূপার বদলে রূপা বিক্রি করবে না ও একটি অপরটি হতে কম-বেশি করবে না। আর নগদ মুদ্রার বিনিময়ে বাকী মুদ্রা বিক্রি করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বিবাহিত মহিলাকে তার নির্দেশ ছাড়া বিবাহ দেওয়া যাবে না। আর কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিবাহ দেওয়া যাবে না। তার বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তার অনুমতি কীভাবে গ্রহণ করা হবে? তিন বললেন, তার চুপ থাকা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি কি চাও পুণরায় রিফা‘আহ নিকট ফিরে যেতে? তবে তা তুমি পারবে না যতক্ষণ না তুমি তার স্বাদ এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহণ না করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একজন নারীকে তার ফুফু বা খালার সাথে জমা করা যাবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাস করে এমন কোনো মহিলার জন্য তার স্বামী ছাড়া কোনো মৃত ব্যক্তির ওপর তিন দিনের বেশি শোক পালন করা বৈধ নয়। তবে স্বামী হলে সে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কোনো প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি পুঁততে নিষেধ করবে না। তারপর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, কী হলো, আমি তোমাদেরকে এ হাদীস থেকে উদাসীন দেখছি? আল্লাহর কসম, আমি সব সময় তোমাদেরকে এ হাদীস দ্বারা তোমাদের দুই কাঁধের মাঝে আঘাত করতে থাকব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো এবং প্রত্যেক উঁচু স্থানে ‘আল্লাহু আকবার’ তথা আল্লাহর তাকবীর বলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “আত্মসম্মান আমার লুঙ্গি এবং অহঙ্কার আমার চাদর। সুতরাং যে আমার সাথে তার কোনো একটি নিয়ে টানাটানি করবে আমি তাকে শাস্তি দিব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একটা লোক বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্য থেকে কোন লোক তার ভাইয়ের সাথে কিম্বা তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করলে তার সামনে কি মাথা নত করবে?’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন কোনো ব্যক্তি নিজের অসুস্থতার অভিযোগ করত
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ধনীর গড়িমসি করা যুলুম। যখন তোমাদের কাউকে কোন ধনী ব্যক্তির হাওয়ালা করা হয়, তখন সে যেন তা মেনে নেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে কোন ব্যক্তি জ্ঞাতসারে অন্যকে নিজের বাপ বলে দাবী করে, সে কুফরী করে। যে ব্যক্তি এমন কিছু দাবী করে, যা তার নয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয়। আর সে যেন নিজের বাসস্থান জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। আর যে ব্যক্তি কাউকে ‘কাফের’ বলে ডাকে বা ‘আল্লাহর দুশমন’ বলে, অথচ বাস্তবে যদি সে তা না হয়, তাহলে তার (বক্তার) উপর তা বর্তায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সুন্নাত হলো যখন বয়স্ক স্ত্রীরের ওপর কুমারীকে বিবাহ করবে তার নিকট সাত থাকবে তারপর বন্টন করবে। আর যদি বয়স্ক বিবাহ করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে তারপর বন্টন করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় ক্রীতদাসের ওয়ালা মুক্তকারীর জন্যে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বিছানা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযাহ’র মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়, আর সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একদা আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে একটি দো‘আ শিখিয়ে দিন।’ তিনি বললেন, বল, ‘আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযু বিকা মিন শার্রি সাম্য়ী, ওয়া মিন শার্রি বাসারী, ওয়া মিন শার্রি লিসানী, ওয়া মিন শার্রি ক্বালবী, ওয়া মিন শার্রি মানিইয়্যী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একদা একটি লোক সূরা কাহাফ পাঠ করছিল। তার পাশেই দুটো রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন রাতের এক তৃতীয়াংশ পার হত, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে বলতেন, “হে লোক সকল! আল্লাহকে স্মরণ কর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত পড়ার আগে কতিপয় টাটকা পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একজন ইয়াহূদী বালক নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেবা করত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর একজন ক্রীতদাস ছিল, চুক্তি অনুযায়ী সে তার কাছে ধার্যকৃত কর আদায় করত। আর আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তার সেই আদায়কৃত অর্থ ভক্ষণ করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ‘আদবা’ নামক একটি উষ্ট্রী ছিল। কোনো উষ্ট্রী তার আগে যেতে পারতো না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা উপরে উঠলে বলতাম, আল্লাহু আকবর। আর নিচে নামলে বলতাম সুবহানাল্লাহ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে লোকসকল! তোমরা নিজেদের ওপর কোমলতা অবলম্বন কর। কেননা, তোমরা কোনো বধির ও অনুপস্থিতকে ডাকছ না। তিনি তো তোমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। তিনি সর্বশ্রোতা ও নিকটবর্তী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যার অন্তরে অণু পরিমাণও অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাকে দাউদের সুললিত কণ্ঠের মত মধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবানের চাইতে বেশি সিয়াম কোনো মাসে রাখতেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন ইয়ামানের লোকেরা আসলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কাছে ইয়ামানের লোকেরা এসেছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যদি আমাকে হালাল পশুর পায়া বা হাতা খেতে আহ্বান করা হয় বা হাদিয়া দেওয়া হয় তাহলে আমি তা গ্রহণ করবো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে মুহাররম মাসের নবম তারিখে অবশ্যই রোযা রাখব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মহান আল্লাহ এভাবে উৎকর্ণ হয়ে কোন কথা শোনেন না, যেভাবে সেই মধুরকণ্ঠী পয়গম্বরের প্রতি উৎকর্ণ হয়ে শোনেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা এমন কোনো নবী পাঠান নি, যিনি বকরী চরান নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালু অপেক্ষা মোলায়েম কোনো মোটা রেশমী কাপড় কিংবা ছিকন রেশমি কাপড় স্পর্শ করিনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কোনো মুসলিম যদি অপর কোনো মুসলিম রোগীকে সকাল বেলায় দেখতে যায় তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা দো‘আ করতে থাকেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মানুষের জন্যে সর্বোত্তম জীবন হলো ঐ ব্যক্তির জীবন যে আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে ঘোড়ার লাগাম ধরে থাকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কেউ যখন বলে, (لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ) আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই আর আল্লাহ মহান। তখন তার রব তার এ কথা সত্যায়ন করে বলেন, (لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا، وَأَنَا أَكْبَرُ) হ্যাঁ, আমি ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই আর আমি মহান।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় আল্লাহ অনুগ্রহকারী, তিনি প্রত্যেক বস্তুতে অনুগ্রহ করাকে পছন্দ করেন। অতএব, তোমরা যখন হত্যা করবে সেটাও সুন্দরভাবে করবে, আর যখন যবেহ করবে সেটাও সুন্দরভাবে করবে, তোমাদের প্রত্যেকে তার ছুরি ধার দিয়ে নিবে এবং যবেহকৃত জন্তুকে শান্ত হতে দিবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ যখন কোনো জাতিকে শাস্তি দিতে চান, তখন শাস্তি তাদেরকেও স্পর্শ করে যারা তাদের ভেতর থাকে (অথচ তাদের মতাবলম্বী নয়)। অতঃপর তাদের সবাইকে আমল হিসেবে উত্থিত করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কুরসী দুই পায়ের স্থান আর আরশ, তার পরিমাণ নির্ধারণে কেউ সক্ষম নয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমাদের কেউ যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করত তখন আবূ সালেহ আমাদের নির্দেশ দিতেন যে, সে যেন তার ডান কাতের উপর শয়ন করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা রেহেমের (মাতৃগর্ভের জন্যে একজন মালাইকাহ নির্ধারণ করেছেন। তিনি (পর্যায়ক্রমে) বলতে থাকেন, হে রব! এখন বীর্য-আকৃতিতে আছে। হে রব! এখন জমাট রক্তে পরিণত হয়েছে। হে রব! এখন মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন জিজ্ঞেস করেন, পুরুষ, না স্ত্রী? সৌভাগ্যবান, না দুর্ভাগা? রিযিক ও বয়স কত? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তার মাতৃগর্ভে থাকতেই তা লিখে দেওয়া হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ভালো কাজ করা, খারাপ কাজ ত্যাগ করা ও মিসকিনদের ভালোবাসা প্রার্থনা করছি। আরো প্রার্থনা করছি, আপনি আমাকে ক্ষমা ও রহম করুন। আর যদি কোনো কওমকে ফেতনায় ফেলতে চান, আমাকে ফিতনা ছাড়াই মৃত্যু দান করুন এবং আপনার ভালোবাসা, যারা আপনাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসা এবং এমন আমলের তাওফিক প্রার্থনা করছি, যা আপনার ভালোবাসার দিকে নিয়ে যায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একজন ইয়াহূদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ, আল্লাহ আসমানসমূহকে এক আঙ্গুলের ওপর ধরে রাখবেন, যমীনসমূহকে এক আঙ্গুলের ওপর ধরে রাখবেন, পাহাড়সমূহকে এক আঙ্গুলের ওপর ধরে রাখবেন, গাছ-পালাকে এক আঙ্গুলের উপর ধরে রাখবেন এবং সমগ্র মাখলুককে আঙ্গুলের উপর ধরে রাখবেন। তারপর তিনি বলবেন, আমি বাদশাহ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জান্নাত ও জাহান্নামের তর্ক হলো। জাহান্নাম বলল, ‘আমার মধ্যে প্রবেশ করবে উদ্ধত ও অহংকারী লোকেরা।’ আর জান্নাত বলল, ‘দুর্বল ও দরিদ্র ব্যক্তিরা আমার ভিতরে প্রবেশ করবে।’ অতঃপর তিনি জাহান্নামকে বলেন, তুমি আমার শাস্তি, তোমার দ্বারা আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিব। আর জান্নাতকে বলেন, “তুমি আমার রহমত, তোমার দ্বারা আমি যার প্রতি ইচ্ছা অনুগ্রহ করব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কোনো মুসলিম যখন সালাত ও যিকিরের জন্য মসজিদে অবস্থান করে, তখন আল্লাহ তার প্রতি খুব খুশি হন, যেমন দূর থেকে কেউ বাড়ি ফিরলে বাড়ির লোকজন খুব খুশি হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে যখন আদমের আকৃতি তৈরি করেছেন, সেখানে তাকে যত দিন রাখার তিনি রাখলেন। ইত্যবসের ইবলিস তাকে ঘুরে দেখতে লাগল এটি কী? যখন তার পেট দেখল, তখন সে বুঝতে পারল তাকে এমনভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যে, সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এটা খুলে ফেলো, কারণ তা তোমার অবসন্নতাই বৃদ্ধি করবে। যদি তুমি মারা যাও আর এটি তোমার কাছে রয়েছে, তবে তুমি কখনো সফল হবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের মধ্য হতে যে ব্যক্তি যুদ্ধে বের হওয়া ব্যক্তির পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদে কল্যাণের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে, তার জন্য যোদ্ধার সাওয়াবের অর্ধেক সাওয়াব মিলবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সুখে-দুঃখে, হর্ষে-বিষাদে এবং তোমার ওপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেওয়ার সময়ও তোমার ওপর কর্তব্য হচ্ছে, (শাসকের) কথা শোনা ও আনুগত্য করা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর কথা শোনা ও আনুগত্য করার উপর বায়‘আত করতাম তখন তিনি আমাদের বলতেন, “যতটুকু তোমরা পার।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মুসলিমের জন্য (তার শাসকদের) কথা শোনা ও মানা ফরয, সে যা পছন্দ করে বা যা পছন্দ করে না উভয় ক্ষেত্রে যতক্ষণ না পাপ কাজের নির্দেশ দেয়, যখন পাপকাজের আদেশ দেয়, তখন তার কথা শোনা ও মানা ফরয নয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি বাদশাহকে অপমান করল, আল্লাহ তাকে অপমান করবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
১৭৯৭- আনাস ইবনে সীরীন হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি অগ্নিপূজক সম্প্রদায়ের কিছু লোকের কাছে আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় রূপার পাত্রে ‘ফালূযাজ’ (নামক এক প্রকার মিষ্টান্ন) আনা হল। তিনি (আনাস ইবনে মালেক) তা খেলেন না। তাদেরকে বলা হল যে, ওটার পাত্র পাল্টে দাও। সুতরাং তা পাল্টে কাঠের পাত্রে রাখা হল এবং তা তাঁর নিকট হাজির করা হল। তখন তিনি তা খেলেন।” হাদীসটি বাইহাকী হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন। আর খালনাজ হচ্ছে জাফনাহ (পাত্র)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদের জন্য জাফরানী রঙ্গের কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সাবালক হওয়ার পর ইয়াতীম বলা যাবে না এবং কোনো দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাক বন্ধ রাখা যাবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কায়েস ইবন আবূ হাযেম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আহমাস গোত্রের যয়নাব নামক এক মহিলার নিকট এসে দেখলেন যে, সে কথা বলে না। তিনি বললেন, ‘ওর কী হয়েছে যে, কথা বলে না?’ তারা বলল, ‘ও নীরব থেকে হজ্জ করার সংকল্প করেছে।’ তিনি বললেন, ‘কথা বল। কারণ, এ (নীরবতা) বৈধ নয়। এ হল জাহেলী যুগের কাজ।’ সুতরাং সে কথা বলল।” এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করে, অথচ সে জানে যে, সে তার পিতা নয়, তার জন্য জান্নাত হারাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা তোমাদের পিতাদের থেকে বিমুখ হয়ো না। কারণ, যে কেউ স্বীয় পিতা থেকে বিমুখ হলো সে তো কুফুরী করলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
১৮০৮- নাওয়াস ইবনে সামআন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তাতে তিনি স্বর নিম্ন ও উচ্চ করলেন যে, আমরা তাকে সামনের কয়েকটি খেজুর গাছের মধ্যেই ভাবলাম। আমরা যখন তাঁর নিকট গেলাম, তিনি আমাদের মধ্যে তার (উদ্বিগ্নতার) আলামত দেখতে পেলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমাদের কি হয়েছে?’’ আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আজ সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে স্বর নিম্ন ও উচ্চ করলেন, যার ফলে আমরা ধারণা করে বসি যে, সে যেন খেজুর বাগানের মধ্যেই রয়েছে।’ তিনি বললেন, ‘দাজ্জাল ছাড়া তোমাদের ব্যাপারে অন্য জিনিসকে আমার আরও বেশী ভয় হয়। আমি তোমাদের মাঝে থাকাকালে দাজ্জাল যদি বের হয়, তাহলে আমি স্বয়ং তোমাদের পক্ষ থেকে তাকে প্রতিরোধ করব। আর যদি সে বের হয় এবং আমি তোমাদের মাঝে না থাকি, তাহলে [তোমরা] প্রত্যেক ব্যক্তি নিজকে রক্ষা করবে। আর আল্লাহ স্বয়ং প্রতিটি মুসলমানের জন্য [আমার] প্রতিনিধিত্ব করবেন।
দাজ্জাল হবে যুবক, তার মাথার কেশরাশি হবে খুব বেশি কোঁচকানো। তার একটি চোখ [আঙ্গুরের ন্যায়] ফোলা থাকবে। যেন সে আব্দুল উয্যা ইবনে ক্বাত্বানের মত দেখতে হবে। সুতরাং তোমাদের যে কেউ তাকে পাবে, সে যেন তার সামনে সূরা কাহ্ফের শুরুর [দশ পর্যন্ত] আয়াতগুলি পড়ে। সে শাম ও ইরাকের মধ্যবর্তী স্থানে আবির্ভূত হবে। আর তার ডাইনে-বামে [এদিকে ওদিকে] ফিতনা ছড়াবে। হে আল্লাহর বান্দারা। [ঐ সময়] তোমরা অবিচল থাকবে।’
আমরা বললাম, ‘পৃথিবীতে তার অবস্থান কতদিন থাকবে?’ তিনি বললেন, ‘চল্লিশ দিন। একটি দিন এক বছরের সমান দীর্ঘ হবে। একটি দিন হবে এক মাসের সমান লম্বা। একটা দিন এক সপ্তাহের সমান হবে এবং বাকি দিনগুলি প্রায় তোমাদের দিনগুলির সম পরিমাণ হবে।’ আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! যেদিনটি এক বছরের সমান লম্বা হবে, তাতে আমাদের একদিনের [পাঁচ ওয়াক্তের] নামাযই কি যথেষ্ট হবে?’ তিনি বললেন, ‘‘তোমরা [দিন রাতের ২৪ ঘণ্টা হিসাবে] অনুমান করে নামায আদায় করতে থাকবে।’ আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ভূপৃষ্ঠে তার দ্রুত গতির অবস্থা কিরূপ হবে? তিনি বললেন, তীব্র বায়ু তাড়িত মেঘের ন্যায় [দ্রুত বেগে ভ্রমণ করে অশান্তি ও বিপর্যয় ছড়াবে।] সুতরাং সে কিছু লোকের নিকট আসবে ও তাদেরকে তার দিকে আহ্বান জানাবে এবং তারা তার প্রতি ঈমান আনবে ও তার আদেশ পালন করবে। সে আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণ করতে আদেশ করবে, আকাশ আদেশক্রমে বৃষ্টি বর্ষণ করবে। আর জমিনকে [গাছ-পালা] উদ্গত করার নির্দেশ দেবে। জমিন তার নির্দেশক্রমে তাই উদ্গত করবে। সুতরাং [সে সব গাছ-পালা ভক্ষণ করে] সন্ধ্যায় তাদের গবাদি পশুদের কুঁজ [ও ঝুঁটি] অধিক উঁচু হবে ও তাদের পালানে অধিক পরিমাণে দুধ ভরে থাকবে। উদর পূর্ণ আহার জনিত তাদের পেট টান হয়ে থাকবে। অতঃপর দাজ্জাল [অন্য] লোকের নিকট যাবে ও তার দিকে [আসার জন্য] তাদেরকে আহ্বান জানাবে। তারা কিন্তু তার ডাকে সাড়া দেবে না। ফলে সে তাদের নিকট থেকে ফিরে যাবে। সে সময় তারা চরম দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়ে পড়বে ও সর্বস্বান্ত হবে। তারপর সে কোন প্রাচীন ধ্বংসস্তূপের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় সেটাকে সম্বোধন করে বলবে, ‘তুই তোর গচ্ছিত রত্নভাণ্ডার বের করে দে।’ তখন সেখানকার গুপ্ত রত্নভাণ্ডার মৌমাছিদের নিজ রাণী মৌমাছির অনুসরণ করার মতো [মাটি থেকে বেরিয়ে] তার পিছন ধরবে। তারপর এক পূর্ণ যুবককে ডেকে তাকে অস্ত্রাঘাতে দ্বিখণ্ডিত করে তীর নিক্ষেপের লক্ষ্যমাত্রার দূরত্বে নিক্ষেপ করে দেবে। তারপর তাকে ডাক দেবে। আর সে উজ্জ্বল সহাস্য-বদনে তার দিকে [অক্ষত শরীরে] এগিয়ে আসবে। দাজ্জাল এরূপ কর্ম-কাণ্ডে মগ্ন থাকবে। ইত্যবসরে মহান আল্লাহ তা'আলা মসীহ বিন মারয়্যাম আলাইহিস সালাম-কে পৃথিবীতে পাঠাবেন। তিনি দামেস্কের পূর্বে অবস্থিত শেবত মিনারের নিকট অর্স ও জাফরান মিশ্রিত রঙের দুই বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় দু’জন ফিরিশ্তার ডানাতে হাত রেখে অবতরণ করবেন। তিনি যখন মাথা নিচু করবেন, তখন মাথা থেকে বিন্দু বিন্দু পানি ঝরবে এবং যখন মাথা উঁচু করবেন, তখনও মতির আকারে তা গড়িয়ে পড়বে। যে কাফেরই তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের নাগালে আসবে, সে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণ হারাবে। তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস তাঁর দৃষ্টি যত দূর যাবে, তত দূর পৌঁছবে। অতঃপর তিনি দাজ্জালের সন্ধান চালাবেন। শেষ পর্যন্ত [জেরুজালেমের] ‘লুদ’ প্রবেশ দ্বারে তাকে ধরে ফেলবেন এবং অনতিবিলম্বে তাকে হত্যা করে দেবেন। তারপর ঈসা আলাইহিস সালাম এমন এক জনগোষ্ঠীর নিকট আসবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা'আলা দাজ্জালের চক্রান্ত ও ফিতনা থেকে মুক্ত রেখেছেন। তিনি তাদের চেহারায় হাত বোলাবেন [বিপদমুক্ত করবেন] এবং জান্নাতে তাদের মর্যাদাসমূহ সম্পর্কে তাদেরকে জানাবেন। এসব কাজে তিনি ব্যস্ত থাকবেন এমন সময় আল্লাহ তা'আলা তাঁর নিকট অহি পাঠাবেন যে, ‘‘আমি আমার কিছু বান্দার আবির্ভাব ঘটিয়েছি, তাদের বিরুদ্ধে কারো লড়ার ক্ষমতা নেই। সুতরাং তুমি আমার প্রিয় বান্দাদের নিয়ে ‘ত্বূর’ পর্বতে আশ্রয় নাও।’ আল্লাহ তা'আলা য়্যা’জুজ-মা’জুজ জাতিকে পাঠাবেন। তারা প্রত্যেক উচ্চস্থান থেকে দ্রুত বেগে ছুটে যাবে। তাদের প্রথম দলটি ত্বাবারী হ্রদ পার হবার সময় তার সম্পূর্ণ পানি এমনভাবে পান করে ফেলবে যে, তাদের সর্বশেষ দলটি সেখান দিয়ে পার হবার সময় বলবে, এখানে এক সময় পানি ছিল। আল্লাহর নবী ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর সাথীরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়বেন। এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁদের কাছে একটি গরুর মাথা, বর্তমানে তোমাদের একশ’টি স্বর্ণমুদ্রা অপেক্ষা অধিক উত্তম হবে। সুতরাং আল্লাহর নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এবং তাঁর সঙ্গীগণ আল্লাহর কাছে দু'আ করবেন। ফলে আল্লাহ তা'আলা তাদের [য়্যা’জূজ-মা’জূজ জাতির] ঘাড়সমূহে এক প্রকার কীট সৃষ্টি করে দেবেন। যার শিকারে পরিণত হয়ে তারা এক সঙ্গে সবাই মারা যাবে। তারপর আল্লাহ তা'আলার নবী ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর সাথীগণ নিচে নেমে আসবেন। তারপর [এমন অবস্থা ঘটবে যে,] সেই অঞ্চল তাদের মৃতদেহ ও দুর্গন্ধে ভরে থাকবে; এক বিঘত জায়গাও তা থেকে খালি থাকবে না। সুতরাং ঈসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর সঙ্গীরা আল্লাহর কাছে দু'আ করবেন। ফলে তিনি বুখতী উটের ঘাড়ের ন্যায় বৃহদকায় এক প্রকার পাখি পাঠাবেন। তারা উক্ত লাশগুলিকে তুলে নিয়ে গিয়ে আল্লাহ যেখানে চাইবেন সেখানে নিয়ে গিয়ে নিক্ষেপ করবে। তারপর আল্লাহ তা'আলা এমন প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যে, কোন ঘর ও শিবির বাদ পড়বে না। সুতরাং সমস্ত জমিন ধুয়ে মসৃণ পাথরের ন্যায় অথবা স্বচ্ছ কাঁচের ন্যায় পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপর জমিনকে আদেশ করা হবে যে, ‘তুমি আপন ফল-মূল যথারীতি উৎপন্ন কর ও নিজ বরকত পুনরায় ফিরিয়ে আন।’ সুতরাং [বরকতের এত ছড়াছড়ি হবে যে,] একদল লোক একটি মাত্র ডালিম ফল ভক্ষণ করে পরিতৃপ্ত হবে এবং তার খোসার নীচে ছায়া অবলম্বন করবে। পশুর দুধে এত প্রাচুর্য প্রদান করা হবে যে, একটি মাত্র দুগ্ধবতী উটনী একটি সম্প্রদায়ের জন্য যথেষ্ট হবে। একটি দুগ্ধবতী গাভী একটি গোত্রের জন্য যথেষ্ট হবে। আর একটি দুগ্ধবতী ছাগী কয়েকটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে। তারা ঐ অবস্থায় থাকবে, এমন সময় আল্লাহ তা'আলা এক প্রকার পবিত্র বাতাস পাঠাবেন, যা তাদের বগলের নীচে দিয়ে প্রবাহিত হবে। ফলে প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জীবন হরণ করবে। তারপর স্রেফ দুর্বৃত্ত ও অসৎ মানুষজন বেঁচে থাকবে, যারা এই ধরার বুকে গাধার ন্যায় প্রকাশ্যে লোকচক্ষুর সামনে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে। সুতরাং এদের উপরেই সংঘটিত হবে মহাপ্রলয় [কিয়ামত]।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
(শাসকদের) কথা শোনো এবং (তাদের) আনুগত্য কর; যদিও তোমাদের ওপর কোনো নিগ্রো ক্রীতদাসকে (শাসক) নিযুক্ত করা হয়; তার মাথা যেন কিশমিশ।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে তো আল্লাহর আনুগত্য করল এবং যে আমার অবাধ্যতা করল, সে তো আল্লাহর অবাধ্যতা করল। আর যে ব্যক্তি নেতার আনুগত্য করবে, সে তো আমার আনুগত্য করল এবং যে নেতার অবাধ্যতা করবে, সে তো আমার অবাধ্যতা করল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা ছোট শিশুদের সাথে (মদীনার উপকণ্ঠে অবস্থিত) ‘সানিয়াতুল ওদা‘’ নামক স্থানে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তন করাও জিহাদের মতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সংশোধনকারী অধীনস্থ দাসের জন্য রয়েছে দু’টি নেকী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তাকে ফিরিশতাগণ নিজেদের ডানা দিয়ে সর্বদা ছায়া দান করছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে জিহাদ ব্যতীত তাঁর নিজ হাতে কোনো দিন কাউকে মারেন নি, কোনো স্ত্রীকেও না, খাদিমকেও না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করবে, আল্লাহ ঐ ক্রীতদাসের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে তার একেকটি অঙ্গকে (জাহান্নামের) আগুন থেকে মুক্ত করবেন। এমনকি তার গুপ্তাঙ্গের বিনিময়ে তার গুপ্তাঙ্গও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একদিন সাওম পালন করবে, আল্লাহ তার ও জাহান্নামের মধ্যে আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যেকার দূরত্বসম একটি গর্ত খনন করে দিবেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি তীর নিক্ষেপের জ্ঞান অর্জন করল, তারপর সে তা পরিত্যাগ করল, সে আমাদের দলভুক্ত নয় অথবা সে অবাধ্য হলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ভালোবাস এবং তারাও তোমাদেরকে ভালোবাসে, তোমরা তাদের জন্য দো‘আ কর এবং তারাও তোমাদের জন্য দো‘আ করে। আর তোমাদের নিকৃষ্টতম শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ঘৃণা কর এবং তারাও তোমাদেরকে ঘৃণা করে, তোমরা তাদেরকে অভিশাপ প্রদান কর, তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ প্রদান করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে যোদ্ধাদল বা সেনাবাহিনী যুদ্ধ করল এবং গনীমতের সম্পদ অর্জন করল এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরে এল, সে দল বা বাহিনী স্বীয় প্রতিদানের (নেকীর) তিন ভাগের দু’ভাগ (পার্থিব জীবনেই) সত্ত্বর লাভ করে নিল (এবং একভাগ আখেরাতে পাবে)। আর যে সেনাদল বা বাহিনী লড়াই করে গনীমতের মাল পেল না এবং শহীদ বা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেল, সে সেনাদল পূর্ণ প্রতিদান অর্জন করল।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে লোক মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিবে অতঃপর তার কোনো দোষ-ত্রুটি দেখলে তা গোপন রাখবে, আল্লাহ তাকে চল্লিশ বার ক্ষমা করবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করলো না, অথবা কোনো মুজাহিদকে (যুদ্ধ-সরঞ্জাম দিয়ে যুদ্ধের জন্য) প্রস্তুত করলো না কিংবা মুজাহিদদের গৃহবাসীদের ভালোভাবে তত্ত্বাবধান করার জন্য তার প্রতিনিধিত্ব করল না, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিনের পূর্বেই কোনো বিপদ বা দুর্ঘটনায় আক্রান্ত করবেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি মারা গেল অথচ তার নফসকে জিহাদ সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করে নি, সে মুনাফিকীর একটি শাখার ওপর মারা গেল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এটা হচ্ছে রহমত (দয়া); যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তরে রেখেছেন। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়ালুদের প্রতিই দয়া করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
উহুদের দিনের চেয়ে কঠিন কোনো দিন আপনার ওপর এসেছিল? তিনি বললেন, আমি তোমার কওম থেকে কষ্টের সম্মুখীন হয়েছি।তবে সবচেয়ে অধিক কষ্টের সম্মুখিন হয়েছি আকাবার দিন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি এমন ব্যক্তি যে, তোমার ভেতর জাহেলিয়াত রয়েছে। তারা তোমাদের ভাই ও অনুসারী, আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীন করেছেন। অতএব, যার অধীনে তার ভাই থাকবে, সে তাকে তাই খাওয়াবে যা সে খায় এবং সে তাকে তাই পরাবে যা সে পরিধান করে। আর তাকে কাবু করে ফেলে এমন দায়িত্ব দিবে না, যদি তোমরা তাকে এরূপ দায়িত্ব দাও, তাকে সাহায্য কর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তাঁর শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আছে, আমি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশী যে, জান্নাতবাসীদের অর্ধেক তোমরাই হবে। এটা এ জন্য যে, শুধুমাত্র মুসলিম প্রাণ ছাড়া অন্য কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর মুশরিকদের তুলনায় তোমরা এরূপ, যেরূপ কালো বলদের গায়ে (একটি) সাদা লোম অথবা লাল বলদের গায়ে (একটি) কালো লোম।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বান্দা যখন আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে একহাত এগিয়ে যাই, আর সে যখন আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে দুই বাহু পরিমাণ এগিয়ে যাই, আর যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে যাই দৌঁড়ে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমকে একজন ইয়াহূদী অথবা খ্রিষ্টানকে দিয়ে বলবেন, এই তোমার জাহান্নাম থেকে বাঁচার মুক্তিপণ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘আমর ইবন আবাসার ইসলাম গ্রহণের কাহিনী এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সালাত ও অযু শিক্ষা দেওয়ার ঘটনা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ তালহা (আমার মা) উম্মে সুলাইমকে বললেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কণ্ঠ স্বরটা খুব ক্ষীণ শুনলাম। আমি বুঝতে পারলাম, তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার নিকট কিছু আছে কি?’ উম্মে সুলাইম বললেন, ‘হ্যাঁ।’ অতঃপর তিনি কিছু যবের রুটি তার ওড়নার এক অংশ দিয়ে বেঁধে গোপনে আমার কাপড়ের নিচে গুঁজে দিলেন। আর অপর অংশ আমার গায়ে জড়িয়ে দিয়ে আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঠালেন। আমি তা নিয়ে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে বসা অবস্থায় পেলাম। তাঁর সাথে কিছু লোক ছিল। আমি তাদের নিকটে গিয়ে দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “তোমাকে আবূ তালহা পাঠিয়েছে?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “খাবারের জন্যে ?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর (সাথীদেরকে) বললেন, “ওঠ।” সুতরাং তাঁরা রওনা হল। আমিও তাঁদের আগে আগে চলতে লাগলাম এবং আবূ তালহার নিকট এসে খবর জানালাম। তখন আবূ তালহা বললেন, ‘হে উম্মে সুলাইম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদেরসহ আমাদের নিকট এসেছেন, অথচ আমাদের নিকট সবাইকে খাওয়ানোর মত খাদ্য সামগ্রী নেই (এখন কী করা যায়)?’ উম্মে সুলাইম বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভাল জানেন।’ অতঃপর আবূ তালহা (আগে) গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গে আগমন করলেন এবং উভয়ে ঘরে প্রবেশ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে উম্মে সুলাইম! তোমার নিকট যা আছে নিয়ে এসো।’ সুতরাং তিনি ঐ রুটিগুলো এনে হাজির করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলিকে টুকরা টুকরা করতে আদেশ করলেন। অতঃপর তার উপর উম্মে সুলাইম ঘিয়ের পাত্র ঢেলে তরকারি বানালেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে আল্লাহর ইচ্ছায় যা বলার বললেন। তারপর বললেন, “দশজনকে আসতে বল।” তখন দশজনকে আসতে বলা হল। তারা এসে পরিতৃপ্তি সহকারে খেয়ে বেরিয়ে গেল। তারপর বললেন, “আরো দশজনকে আসতে বল।” তখন আরও দশজন এসে খেয়ে তৃপ্ত হল। আগত লোকদের সংখ্যা ছিল ৭০ কিংবা ৮০ জন। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম) অন্য বর্ণনায় আছে, দশজন ক’রে প্রবেশ করতে ও বের হতে থাকল। এমনকি শেষ পর্যন্ত এমন কোন ব্যক্তি বাকী রইল না, যে প্রবেশ করে পরিতৃপ্তি সহকারে খায়নি। অতঃপর ঐ খাবার জমা ক’রে দেখা গেল যে, খাওয়ার আগের মতই বাকী রয়েছে। অন্য বর্ণনায় আছে, তারা দশ দশজন ক’রে খাবার খেল। এইভাবে শেষ পর্যন্ত ৮০ জন লোককে তিনি খাওয়ালেন। সবশেষে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং গৃহবাসীরা খেলেন এবং তাঁরাও কিছু (খাবার) ছেড়ে দিলেন। অন্য বর্ণনায় আছে, অতঃপর তাঁরা এত খাবার অবশিষ্ট রাখলেন যে, তা প্রতিবেশীদের নিকট পৌঁছে দিলেন। অন্য বর্ণনায় আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এলাম, তারপর দেখলাম যে, তিনি তাঁর সাথীদের সঙ্গে বসে আছেন। তখন তিনি তাঁর পেটে পট্টি বেঁধে ছিলেন। আমি তাঁর কিছু সাথীকে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন তাঁর পেটে পট্টি বেঁধে আছেন।’ তাঁরা বললেন, ‘ক্ষুধার কারণে।’ অতঃপর আমি (আমার মা) উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহানের স্বামী আবূ তালহার নিকট গেলাম এবং বললাম, ‘আব্বা! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পেটে পট্টি বাঁধা অবস্থায় দেখলাম। আমি তাঁর কিছু সাথীকে (এর কারণ) জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা বললেন, ক্ষুধা।’ অতঃপর আবূ তালহা আমার মায়ের নিকট গিয়ে বললেন, ‘তোমার কাছে কিছু আছে কি?’ মা বললেন, ‘হ্যাঁ, আমার কাছে কয়েক টুকরো রুটি এবং কিছু খেজুর আছে। যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট একাই আসেন, তাহলে তাঁকে পরিতৃপ্তি সহকারে খাওয়াব; আর যদি তাঁর সাথে অন্য লোকও এসে যায়, তাহলে তাঁদের জন্য এ খাবার কম হয়ে যাবে।’ অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীস উল্লেখ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তুমি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকার ধরতে ছেড়ে দাও এবং আল্লাহর নাম নাও, তখন সে যা ধরে নিয়ে আসে তা তুমি খাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ মক্কা থেকে হস্ত বাহিনীকে বিরত রেখেছেন। তার ওপর তার রাসূল ও মু’মিনদের বিজয়ী করেছেন। আর এ শহর আমার পূর্বে কারো জন্য বৈধ ছিল না এবং আমার পরে কারো জন্য বৈধ নয়। আর আমার জন্যও দিনের কিছু সময়ের জন্য বৈধ করা হয়েছে। আর তা হলো এ সময়টুকু।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি কোনো কিছু ঝুলালো তাকে তার দিকে সপর্দ করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে রুওয়াফা, হতে পারে তোমার হায়াত দীর্ঘ হবে। তুমি মানুষকে জানিয়ে দাও যে, যে তার দাঁড়িতে গিরা লাগায় অথবা গলায় পুঁথি জুলায় অথবা গোবর অথবা হাঁড় দ্বারায় পবিত্রতা অর্জন করে অবশ্যই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে মুক্ত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি রেখা টানলেন এবং বললেন, এটা মানুষ আর এটা তার আয়ু। মানুষ যখন এ অবস্থায় থাকে হঠাৎ নিকটবর্তী রেখা (মৃত্যু) এসে যায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন কুরআন ও কুরআনের ধারকদ- যারা তার ওপর দুনিয়াতে আমল করত. তাদের উপস্থিত করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
অতি শীঘ্রই মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে কয়েকটি বকরী, যা নিয়ে সে পাহাড়ের চূড়ায় অথবা বৃষ্টিপাতের স্থানে চলে যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সবচেয়ে বানোয়াট মিথ্যা হলো, মানুষ যে স্বপ্ন দু’চোখে দেখে নি সেটাই দেখছে বলে প্রকাশ করা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মুহাম্মাদ ইবন যায়েদ হতে বর্ণিত, কতিপয় লোক তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার নিকট নিবেদন করল যে, ‘আমরা আমাদের শাসকদের নিকট যাই এবং তাদেরকে ঐ সব কথা বলি, যার বিপরীত বলি তাদের নিকট থেকে বাইরে আসার পর। (সে সম্বন্ধে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি উত্তর দিলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যামানায় এরূপ আচরণকে আমরা ‘মুনাফিককী’ আচরণ বলে গণ্য করতাম।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, একজন মহিলা বলল, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার এক সতীন আছে, সুতরাং স্বামী আমাকে যা দেয় না, তা নিয়ে যদি পরিতৃপ্তি প্রকাশ করি, তাতে আমার কোন ক্ষতি হবে কি?’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যা দেওয়া হয়নি, তা নিয়ে পরিতৃপ্তি প্রকাশকারী মিথ্যা দুই বস্ত্র পরিধানকারীর ন্যায়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সিদ্দিকের জন্য অভিসম্পাতকারী হওয়া সঙ্গত নয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা আল্লাহর অভিশাপ, আল্লাহর গযব বা জাহান্নাম দ্বারা অভিশাপ দিও না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তিনজন শিশু ছাড়া কেউ দোলনায় কথা বলে নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি দয়া করুন। সহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! চুল খাটোকারীদের প্রতিও। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি দয়া করুন। তারা বললেন, চুল খাটোকারীদের জন্যও (দু‘আ করুন) হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, এবং চুল খাটোকারীদের প্রতিও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সলাত আদায় করেননি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দেন আমরা যেন আমাদের যুবতী ও উড়না বিশিষ্ট নারীদেরকে দুই ঈদে বের করে নিয়ে যাই এবং ঋতুমতী নারাীদেরকে তিনি মুসলিমদের সালাত আদায়ের স্থান থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পঞ্চম : জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে নাজ্দের (বর্তমানে রিয়াদ অঞ্চল) দিকে জিহাদে রওনা হলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বাড়ী) ফিরতে লাগলেন, তখন তিনিও তাঁর সঙ্গে ফিরলেন। (রাস্তায়) প্রচুর কাঁটাগাছ ভরা এক উপত্যকায় তাঁদের দুপুরের বিশ্রাম নেওয়ার সময় হল। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বিশ্রামের জন্য) নেমে পড়লেন এবং (সাহাবীগণও) গাছের ছায়ার খোঁজে তাঁরা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাবলার গাছের নীচে অবতরণ করলেন এবং তাতে স্বীয় তরবারি ঝুলিয়ে দিলেন, আর আমরা অল্পের জন্য ঘুমিয়ে গেলাম। অতঃপর হঠাৎ (আমরা শুনলাম যে,) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ডাকছেন। সেখানে দেখলাম যে, একজন বেদুঈন তাঁর কাছে রয়েছে। তিনি বললেন, “আমার ঘুমের অবস্থায় এই ব্যক্তি আমার তরবারি খুলে আমার উপর ধরে আছে। অতঃপর আমি যখন জাগলাম, তখন তরবারিখানি তার হাতে খুলা অবস্থায় দেখলাম। (তারপর) সে আমাকে বলল, ‘আমা হতে তোমাকে কে বাঁচাবে?’ আমি বললাম, ‘আল্লাহ!’ এ কথা আমি তিনবার বললাম।” তিনি তাকে কোন শাস্তি দিলেন না। অতঃপর তিনি বসে গেলেন। (বুখারী ও মুসলিম২)
অন্য এক বর্ণনায় আছে জাবের বলেন যে, আমরা ‘যাতুর রিকা’তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর (ফিরার সময়) যখন আমরা ঘন ছায়াবিশিষ্ট একটি গাছের কাছে এলাম, তখন তা রাসূলুল্লাহ-এর জন্য ছেড়ে দিলাম। (তিনি বিশ্রাম করতে লাগলেন।) ইতিমধ্যে একজন মুশরিক এল। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তরবারি গাছে ঝুলানো ছিল। তারপর সে তা (খাপ থেকে) বের ক’রে বলল, ‘তুমি আমাকে ভয় করছ?’ তিনি বললেন, “না।” সে বলল, ‘তোমাকে আমার হাত থেকে কে বাঁচাবে?’ তিনি বললেন, “আল্লাহ।”
বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তার হাত থেকে তরবারিটি পড়ে গেল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তরবারিখানি তুলে নিয়ে বললেন, “(এবার) তোমাকে আমার হাত থেকে কে বাঁচাবে?” সে বলল, ‘তুমি উত্তম তরবারিধারক হয়ে যাও।’ অতঃপর তিনি বললেন, “তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ (সত্য) উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল?” সে বলল, ‘না। কিন্তু আমি তোমার কাছে অঙ্গীকার করছি যে, তোমার বিরুদ্ধে কখনো লড়বো না। আর আমি সেই সম্প্রদায়েরও সাথ দেবো না, যারা তোমার বিরুদ্ধে লড়বে।’ সুতরাং তিনি তার পথ ছেড়ে দিলেন। অতঃপর সে তার সঙ্গীদের নিকট এসে বলল, ‘আমি তোমাদের নিকটে সর্বোত্তম মানুষের কাছ থেকে এলাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কেউ যেন এক কাপড়ে সালাত আদায় না করে যে অবস্থায় তার গর্দানের ওপর কোন কিছুই থাকে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ফিরিশতাদেরকে আলো থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। জিন্ন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়েছে অগ্নিশিখা থেকে। আর আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে সেই বস্তু থেকে, যা তোমাদেরকে বর্ণনা করা হয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিসরের) নীল প্রত্যেকটি নদীই জান্নাতের নদী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যিকিরের মজলিসের মর্যাদা সম্পর্কিত হাদীস
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবুল আব্বাস সাহল ইবন সা’দ সায়েদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সংবাদ পৌঁছল যে, আমর ইবন আউফ গোত্রের মাঝে অনিষ্ট (ঝগড়া-বিবাদ) সংঘটিত হয়েছে। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে কিছু লোককে নিয়ে তাদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা ক’রে দেওয়ার জন্য সেখানে হাজির হলেন। সেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আটকে গেলেন। অপর দিকে সালাতের সময় হয়ে গেল। সুতরাং বিলাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকট এসে বললেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আটকে গেছেন। এদিকে সালাতেরও সময় হয়ে গেছে। আপনি কি সালাতে লোকেদের ইমামতি করবেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তুমি যদি চাও।’ অতঃপর বিলাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সালাতের ইকামত দিলেন আর আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এগিয়ে গিয়ে (তাহরীমার) তকবীর বললেন লোকেরাও তকবীর বলল। ইতোমধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং কাতারগুলো অতিক্রম ক’রে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়ালেন। (তা দেখে) লোকেরা হাততালি দিতে শুরু করল। আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সালাতরত অবস্থায় কোন দিকে তাকাতেন না, কিন্তু লোকেদের অধিক মাত্রায় হাততালির কারণে তিনি তাকিয়ে দেখতে পেলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত হয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে হাতের ইশারায় (নিজের জায়গায় থাকতে) নির্দেশ দিলেন। আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁর হাত উপরে তুলে আল্লাহর প্রশংসা করলেন। তারপর কিবলার দিকে মুখ রেখে পিছনে ফিরে এসে কাতারে শামিল হলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে গিয়ে লোকদের ইমামত করলেন এবং সালাত শেষ ক’রে লোকদের দিকে ফিরে বললেন, “হে লোক সকল! কি ব্যাপার যে, সালাত অবস্থায় কিছু ঘটতে দেখে তোমরা হাততালি দিতে শুরু করলে? (জেনে রেখো, সালাতে) হাততালি দেওয়া তো মহিলাদের কাজ। সালাত অবস্থায় কারো কিছু ঘটলে সে যেন ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে। কারণ, এটা শুনলে কেউ তার দিকে ভ্রুপেক্ষ না ক’রে পারবে না। হে আবূ বকর! তোমাকে যখন ইশারা করলাম, তখন ইমামত করতে তোমার কিসের বাধা ছিল?” তিনি বললেন, ‘আবূ কুহাফার ছেলের জন্য সঙ্গত ছিল না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে লোকেদের ইমামত করবে।’ (বুখারী ও মুসলিম)
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ- যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপনে করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই অগ্রগামী করেন এবং আপনিই পিছিয়ে দেন, আপনি ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাতে দাঁড়ালাম। তিনি দাঁড়িয়ে সূরা বাকারাহ তিলাওয়াত করলেন। যখনই কোনো রহমতের আয়াত অতিক্রম করতেন, তিনি থামতেন এবং রহমত কামনা করতেন। আর যখনই কোনো শাস্তির আয়াত অতিক্রম করতেন, তিনি থামতেন এবং আশ্রয় চাইতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার মহান রব আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাব ও বিনা আযাবে জান্নাতে দাখিল করবেন এবং প্রতি হাজারের সাথে থাকবে আরও সত্তর হাজার করে এবং আরো থাকবে আমার মহান রবের তিন মুঠো পরিমাণ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় আত্মীয়তা সম্পর্ক এমন একটি সম্পর্ক যা রহমানের কোমরকে আঁকড়ে ধরে থাকে। যে ব্যক্তি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখেন তিনি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখেন আর যে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে তিনি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বান্দা যখন কাউকে অভিশাপ করে তখন অভিশাপটি আকাশের দিকে অগ্রসর হয়। অতঃপর তার জন্য তার দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। অতঃপর যমীনের দিকে নেমে আসে। তখন তার জন্য দুনিয়ার দরজাসমূহও বন্ধ করে দেওয়া হয়। যখন সে কোথাও সুযোগ না পায় তখন যাকে অভিশাপ করা হয়েছে তার নিকট ফিরে আসে। সে যদি অভিশাপের যোগ্য হয়, তার ওপর পতিত হয়। অন্যথায় অভিশাপকারীর ওপরই পতিত হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। আনসারী এক মহিলা এক উটনীর উপর সওয়ার ছিল। সে বিরক্ত হয়ে উটনীটিকে অভিসম্পাত করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনে (সঙ্গীদেরকে) বললেন, “এ উটনীর উপরে যা কিছু আছে সব নামিয়ে নাও এবং ওকে ছেড়ে দাও। কেননা, ওটি (এখন) অভিশপ্ত।” ইমরান বলেন, ‘যেন আমি এখনো উঁটনীটিকে দেখছি, উটনীটি লোকদের মধ্যে হাঁটছে, আর কেউ তাকে বাধা দিচ্ছে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ বারযাহ নাধলাহ ইবন উবাইদ আসলামী -রাদিয়াল্লাহ আনহু- বলেন, একবার এক যুবতী মহিলা একটি উটনীর উপর সওয়ার ছিল। আর তার উপর লোকেদের (সহযাত্রীদের) কিছু আসবাব-পত্র ছিল। ইত্যবসরে মহিলাটি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখল। এ দিকে লোকেদের কারণে পাহাড়টি সংকীর্ণ হয়ে আসছিল। মহিলাটি উটনীকে (দ্রুত গতিতে চলাবার উদ্দেশ্যে) বলল, ‘হাল! হে আল্লাহ! এর উপর অভিশাপ কর।’ তা শুনে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “এমন উটনী আমাদের সাথে থাকবে না, যাকে অভিশাপ করা হয়েছে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কোনো এক দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেন। তখন এক জামা‘আত তার সাথে সালাতে দাড়ালো এবং অপর জামা‘আত দুশমনের মুকাবালায় দাড়ালো। যারা তার সাথ ছিল তাদের নিয়ে তিনি এক রাকা‘আলা আদায় করলেন। অতঃপর তারা চলে গেল এবং অন্যরা আসলো। তারপর তাদের নিয়ে এক রাকা‘আত আদায় করলেন। আর উভয় জামা‘আত এক রাকা‘আত এক রাকা‘আত নিজেরা আদায় করে নিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তোমার সাথে যে সু-সম্পর্ক রাখবে, আমিও তার সাথে সু-সম্পর্ক রাখব। আর যে তোমার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, আমিও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করব?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর কিতাবে বর্ণিত তার ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গেছে। তাকে বিবাহের প্রস্তাব দাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘আরাফার দিন অপেক্ষা এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ সর্বাধিক বেশি সংখ্যায় বান্দাকে জাহান্নামমুক্ত করেন। এ দিন তিনি (বান্দার) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদের সম্পর্কে ফিরিশতাদের নিকট গৌরব করে বলে, তারা কী চায়?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় আল্লাহ মূল্য নিয়ন্ত্রণকারী, সংকোচনকারী, সম্প্রসারণকারী এবং রিযিক দানকারী। আমি আমার রবের সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাত করতে চাই যে, কেউ যেন আমার বিরুদ্ধে রক্তের ও সম্পদের কোনোরূপ অভিযোগ উত্থাপন করতে না পারে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমাদের রব স্বীয় নলা/পায়ের গোছা উন্মুক্ত করবেন। তখন প্রত্যেক মুমিন নারী ও পুরুষ তাকে সেজদা করবে। তবে তারা বাকী থাকবে যারা দুনিয়াতে লোক দেখানো ও সুনামের জন্য সাজদাহ করত। তারা সাজদাহ করতে চেষ্টা করবে কিন্তু তাদের পিঠ একটি কাটের তখতের মতো হয়ে ফিরে আসবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
অবশ্যই আল্লাহ আয্যা ওয়াজাল্লা লজ্জাশীল ও গোপনকারী। তিনি লজ্জা ও গোপন করাকে পছন্দ করেন। তোমাদের কেউ যখন গোসল করবে সে যেন ঢেকে নেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ্! আপনার নিকটই আমি আত্মসমর্পণ করলাম; আপনার প্রতি ঈমান আনলাম; আপনার উপরেই তাওয়াক্কুল করলাম, আপনার সাহায্যেই তর্কে লিপ্ত হলাম এবং আপনাকেই বিচারক মেনে নিলাম। তাই আপনি আমার পূর্বাপর ও প্রকাশ্য গোপন সব অপরাধ ক্ষমা করুন। এবং আপনি আমার সম্পর্কে যা জানেন, (সব ক্ষমা করুন)। আপনি ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ্ নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পুলসিরাত জাহান্নামের দু’ তীরের মাঝে স্থাপন করা হবে। তাতে থাকবে সাদান বৃক্ষের কাঁটা সদৃশ কাঁটাসমূহ। লোকজন তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে। কতক মুসলিম নিরাপদে তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে, কতক কাঁটার আঁচড় খেয়ে, কতক কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে থাকার পর নাজাত পাবে এবং কতক মুখ থুবড়ে জাহান্নামের তলদেশে নিক্ষিপ্ত হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “যখন বান্দা আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তখন আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই। যখন সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয় তখন আমি তার দিকে এক বাহু অগ্রসর হই। আর যখন সে আমার দিকে এক বাহু অগ্রসর হয় তখন আমি তার দিকে আরো দ্রুত অগ্রসর হই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
খাওলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তার স্বামীর ব্যাপারে অভিযোগ করতে এসেছে, তার কথাগুলো আমার নিকট অস্পষ্ট ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা সা‘আদের ঈর্ষা দেখে আশ্চর্য হয়েছ? আল্লাহর কসম আমি তার চেয়েও অধিক ঈর্ষান্বিত। আর আল্লাহ তা‘আলা আমার চেয়েও অধিক ঈর্ষান্বিত। আল্লাহর ঈর্ষার কারণেই প্রকাশ্য ও গোপন যাবতীয় অশ্লীলতাকে নিষিদ্ধ করেছেন। কোনো মানুষ আল্লাহর চেয়েও অধিক ঈর্ষার অধিকারী নয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবন আবূ রাবী‘আকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! সালামাহ ইবন হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবন ওয়ালীদকে রক্ষা কর। হে আল্লাহ! দুর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি কর। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রের ওপর তোমার শাস্তি কঠোর করে দাও। হে আল্লাহ! ইউসুফ আলাইহিস সালামের সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো তাদেরকে করে দিন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হলো। একটি খণ্ড পাহাড়কে ডেকে ফেলল, অপর একটি খণ্ড পাহাড়ের উপর ছিল। তখন রাসলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ তুমি সাক্ষ্য থাক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কোনো কষ্টের কথা শোনার পর তার ওপর ধৈর্য ধারনের বিষয়ে কেউ অথবা কোনো কিছু আল্লাহর চেয়ে অধিক ধৈর্যশীল নয়। কারণ, তারা আল্লাহর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে অথচ আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন এবং তাদের রিযিক দান করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ সত্য বলেছেন তোমার ভাইয়ের পেটই মিথ্যা বলছে, তুমি তাকে মধু পান করাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ সাঈদ খুদরীর হাদীস। তাতে রয়েছে কিয়ামতের দৃশ্য, মুমিনদের আল্লাহর দর্শন লাভ করা, ফুলসিরাত পার হওয়া এবং যার অন্তরে বিন্দু পরিমাণ ঈমান রয়েছে তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে আনা ও সুপারিশের আলোচনা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ সকল স্রষ্টার স্রষ্টা এবং তার সৃষ্টিরও স্রষ্টা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ডাক্তার কেবল আল্লাহ, বরং তুমি একজন বন্ধু। আর এর ডাক্তার কেবল তিনিই যিনি তা সৃষ্টি করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
খিযিরের সাথে মূসা আলাইহিস সালামের ঘটনা
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখে দাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
শয়তান বলেছে, হে রব! তোমার ইয্যতের শপথ, যতদিন পর্যন্ত তোমার বান্দার রুহসমূহ দেহের মধ্যে থাকবে, ততদিন পর্যন্ত আমি তাদের গোমরাহ করতে থাকবো। রাব্বুল আলামীন বলেন, আমি আমার ইয্যত ও মহত্বের শপথ করে বলছি যতদিন পর্যন্ত তারা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, ততদিন পর্যন্ত আমি তাদের ক্ষমা করতে থাকবো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা মাযলুমের বদ-দো‘আ থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, তা আগুনের মশালের মতো আকাশের দিকে আরোহণ করতে থাকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তা পড়তেন এবং তার দুই আঙ্গুলকে রাখতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! জিবরীল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব, আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, গায়েব ও প্রকাশ্য সবকিছু জান্তা, আপনার বান্দাগণ যেসব বিষয়ে মতভেদে লিপ্ত আপনিই তার মীমাংসা করে দিবেন। যেসব বিষয়ে মতভেদ হয়েছে তন্মধ্যে আপনি আপনার অনুমতিক্রমে আমাকে যা সত্য সেদিকে পরিচালিত করুন। নিশ্চয় আপনি যাকে ইচ্ছা সরল পথ প্রদর্শন করেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জাহান্নাম সব সময় বলতে থাকবে, আরও অতিরিক্ত আছে কি? এমনকি রাব্বুল ইজ্জত তাঁর পা তাতে রাখবেন। তখন সে বলবে থামো! থামো! তোমার ইজ্জতের শপথ। তার একটি অংশ অপর অংশের মধ্যে চুর্ণবিচুর্ণ হয়ে ডুকে পড়বে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্ক করল। জাহান্নাম বলল, আমাকে অহংকারী ও প্রতাপশালীদের দ্বারা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আর জান্নাত বলল, আমার কি হলো যে, আমার মধ্যে দূর্বল, অবহেলিত ও মূল্যহীন লোক ব্যতীত কেউ প্রবেশ করবে না?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ বলেন, যখন আমার বান্দা কোনো খারাপ কর্ম করার ইচ্ছা করে, তোমরা তা না করা পর্যন্ত তার ওপর লিপিবদ্ধ কর না। যখন বাস্তবায়ন করে তখন তুমি কর্ম সমান গুনাহ লিখ। আর যদি আমার কারণে তা ছেড়ে দেয়, তখন তার জন্য একটি নেকি লিপিবদ্ধ কর। আর যদি কোনো নেক আমল করার ইচ্ছা করল কিন্তু সে করেনি। তোমরা তার জন্য একটি নেকি লিখ। আর যদি সে নেক আমলটি করে, তাহলে তোমরা দশ গুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত নেকি লিপিবদ্ধ কর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
দু’টি জান্নাতের পাত্রসমূহ ও অন্যান্য জিনিস পত্র হবে রূপার তৈরি। আর দু’টি জান্নাতের পাত্রসমূহ ও অন্যান্য জিনিস পত্র হবে সোনার তৈরি। আদন নামক জান্নাতে জান্নাতীগণ ও তাদের মহান প্রভুকে দেখার মাঝে রবের চেহারার উপর বড়ত্বের চাদরের প্রতিবন্ধক ব্যতীত কিছুই থাকবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামাতের দিন মানুষ বা বললেন বান্দাদের বিবস্ত্র, খাতনাবিহীন ও খালি হাতে একত্র করা হবে। তিনি বলেন আমরা বললাম খালি হাত কি? তাদের হাতে কোন সম্পদ থাকবে না। অঃপর তাদের এমন আওয়াজে আহ্বান করা হবে, যারা দূরে তারা এমনই শুনতে পাবে যেমন যারা কাছে তারা শুনতে পায়। আমি বাদশাহ, আমি প্রতিদান দাতা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“অবশ্যই জান্নাতীগণ তাদের উপরের প্রাসাদের অধিবাসীদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জল স্থির তারকা দেখতে পাও। এটি হবে তাদের মর্যাদার ব্যবধানের জন্য।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জান্নাতীগণ (তাদের উপরস্থ) খাসকামরার লোকগণকে এমনভাবে দেখবে, যেভাবে তোমরা আকাশের তারকা দেখে থাক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পানি পবিত্র, তাকে কোনো জিনিস অপবিত্র করে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিজের স্ত্রী) মাইমূনা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার গোসলের অবশিষ্ট পানি দ্বারা গোসল করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আদম ও মূসা আলাইহিমাস সালাম বিতর্ক করেন। মূসা আলাইহিস সালাম আদম আলাইহিস সালামকে বললেন, হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুলস্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করেছেন। আদম আলাইহিস সালাম তাকে বলেন, হে মূসা! আল্লাহ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তিনি স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ তা‘আলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেছেন? অতএব, আদম আলাইহিস সালাম বিতর্কে মূসা আলাইহিস সালামের ওপর বিজয়ী হলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তিনি বনী ইসরাঈলের জনৈক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে বনী ইসরাঈলের অপর এক ব্যক্তির নিকট এক হাজার দীনার ঋণ চাইল। তখন সে (ঋণদাতা) বলল, কয়েকজন সাক্ষী আন, আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখব। সে বলল, সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। তারপর (ঋণদাতা) বলল, তা হলে একজন যামিনদার উপস্থিত কর। সে বলল, যামিনদার হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। ঋণদাতা বলল, তুমি সত্যই বলেছ। এরপর নির্ধারিত সময়ে পরিশোধের শর্তে তাকে এক হাজার দীনার দিয়ে দিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় পানি অপবিত্র হয় না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘুরাফেরাকারী ও তোমাদের সংশ্রবে আশ্রিত প্রাণী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের জন্য দু’প্রকারের মৃতজীব ও দু’ধরনের রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃতজীব দু’টি হলো মাছ ও টিড্ডি। আর দু’প্রকারের রক্ত হলো কলিজা ও প্লীহা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পড়ে যায়, সে যেন তাকে ডুবিয়ে দেয়, অতঃপর উঠিয়ে ফেলে। কারণ, তার এক পাখায় রোগ ও অপর পাখায় আরোগ্য রয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কতিপয় কুরাইশ প্রায় গাধার সমান তাদের একটি বকরী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দিয়ে টেনে হিঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: যদি তোমরা এর চামড়া গ্রহণ করতে। তারা বললো: এটা তো মৃত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “পানি এবং ছলম বৃক্ষের পাতার রস (কারাজ) এটাকে পবিত্র করে দেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাত্র ফেটে গিয়েছিল, ফলে তিনি ফাটা স্থানে রুপার একটি টুকরা দিয়ে জোড়া লাগান।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আম্মার ইবন ইয়াসিরকে আমি ওযূ করতে দেখেছি, তিনি তা দাড়ি খেলাল করলেন। তখন তাকে বলা হল বা তিনি বললেন, আমি তাকে বললাম আপনি আপনার দাড়ি খিলাল করলেন? তিনি বললেন, কেন করব না? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার দাড়ি খিলাল করতে দেখিছি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহর নিকট এক মুদের দুই তৃতীয়াংশ পানি আনা হলে তিনি তার বাহুকে ঘষতে আরম্ভ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অযু করলেন। আর অযুতে তিনি মাথার অগ্রভাগ এবং পাগড়ি ও মোজার উপর মাসাহ করলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অযু করতেন তখন তার দুই কনুইর উপর পানি পৌঁছাতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তার মোজার উপরিভাগের ওপর মাসেহ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। আমরা রাতে চলতে চলতে শেষরাতে এক স্থনে ঘুমিয়ে পড়লাম। মুসাফিরের জন্য এর চাইতে মধুর ঘুম আর হতে পারে না। (আমরা এমন ঘোর নিদ্রায় নিমগ্ন ছিলাম যে) সূর্যের তাপ ছাড়া অন্য কিছু আমাদের জাগাতে পারেনি। সর্বপ্রথম জাগলেন অমুক, তারপর অমুক, তারপর অমুক। তারপর ‘উমর ইবনুল খাত্তাব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সৈন্যদল পাঠান যাদের ঠান্ডা পেয়ে বসল। তারপর যখন তারা রাসূলুল্লাহর নিকট গমন করলো, তিনি তাদের আদেশ দিলেন যে, তারা যেন তাদের মোজা ও পাগড়ীর ওপর মাসেহ করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সাহাবীগণ ইশার সালাত আদায়ের জন্য এতো অপেক্ষা করতেন যে তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে তাদের ঘাড়সমূহ নিচের দিকে ঝুলে পড়ত। এমতাবস্থায়ও তারা পুনরায় অযু না করে সালাত আদায় করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক স্ত্রীকে চুম্বন করে অযু না করেই সালাতের জন্য বের হয়ে গিয়েছিলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সেটি তো তার এক টুকরো গোশত বৈ কিছু নয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি নিজের পুরুষাংগ স্পর্শ করবে সে যেন অযু করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সে বলল, বকরীর খোঁয়াড়ে/আস্তাবলে সালাত আদায় করব কি?তিনি বললেন, “হ্যাঁ” সে বলল, উটের খোয়াড়ে/আস্তাবলে সালাত আদায় করব কি? তিনি বললেন, “না”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবন হাযামকে যে চিঠি লিখেছেন তাতে রয়েছে যে, “পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কেউ কুরআনকে স্পর্শ করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বার বেধে রাখার রশি স্বরূপ। সুতরাং চোখ দু’টি যখন ঘুমায় তখন রশির বন্ধন খুলে যায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“মৌতাহ যুদ্ধে আমার হাতে নয় খানা তরবারি ভেঙ্গেছে। কেবল একটি ইয়ামানী ক্ষুদ্র তলোয়ার আমার হাতে অবশিষ্ট ছিল।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জ্বরের উৎপত্তি জাহান্নামের তীব্রতা থেকে, অতএব তোমরা তা পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
অতীতে যা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে সে সমস্ত বিষয়গুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানালেন। অতএব আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক বড় জ্ঞানী, যিনি এ সব কথাগুলি সবার চাইতে বেশি মনে রাখতে সমর্থ হয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম টিকটিকি মারতে আদেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, “এটি ইবরাহীমের অগ্নিকুণ্ডে ফুঁ দিয়েছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি প্রথম আঘাতেই টিকটিকি হত্যা করে, তার জন্য একশত নেকী, দ্বিতীয় আঘাতে তার চাইতে কম (নেকী) এবং তৃতীয় আঘাতে তার চাইতে কম (নেকী) হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية