হাদীসসমূহের তালিকা
যে কোনো মুসলিমের তিনটি (নাবালক) সন্তান মারা যাবে, তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। কিন্তু (আল্লাহ) তাঁর কসম পূরা করার জন্যে (যা ঘটার তা ঘটবে) ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে কোনো মুসলিমের তিনটি নাবালক সন্তান মারা যাবে, তাকে আল্লাহ তাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহের বরকতে জান্নাত দিবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি (গর্বভরে) বলে, লোকেরা ধ্বংস হয়ে গেল, সেই তাদের মধ্যে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
গালাগালিতে রত দু’জন ব্যক্তি যে সব কুবাক্য উচ্চারণ করে, সে সব তাদের মধ্যে সূচনাকারীর উপরে বর্তায়; যতক্ষণ না অত্যাচারিত ব্যক্তি (প্রতিশোধ গ্রহণে) সীমা অতিক্রম করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
১৮৬৫- আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “একটি লোক বলল, ‘(আজ রাতে) আমি অবশ্যই সাদকাহ করব।’ সুতরাং সে আপন সাদকার বস্তু নিয়ে বের হল এবং (অজান্তে) এক চোরের হাতে তা দিয়ে দিল। লোকেরা সকালে উঠে বলাবলি করতে লাগল যে, ‘আজ রাতে এক চোরের হাতে সাদকা দেওয়া হয়েছে।’ সাদকাকারী বলল, ‘হে আল্লাহ! তোমারই যাবতীয় প্রশংসা! (আজ রাতে) অবশ্যই আবার সাদকা করব।’ সুতরাং সে নিজ সাদকা নিয়ে বের হল এবং (অজান্তে) এক বেশ্যার হাতে তা দিয়ে দিল। সকাল বেলায় লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, ‘আজ রাতে এক বেশ্যাকে সাদকা দেওয়া হয়েছে।’ সে তা শুনে আবার বলল, ‘হে আল্লাহ! তোমারই প্রশংসা যে, বেশ্যাকে সাদকা করা হল। আজ রাতে পুনরায় অবশ্যই সাদকাহ করব।’ সুতরাং তার সাদকা নিয়ে বের হয়ে গেল এবং (অজান্তে) এক ধনী ব্যক্তির হাতে সাদকা দিল। সকাল বেলায় লোকেরা আবার বলাবলি করতে লাগল যে, ‘আজ এক ধনী ব্যক্তিকে সাদকা দেওয়া হয়েছে।’ লোকটি শুনে বলল, ‘হে আল্লাহ! তোমারই সমস্ত প্রসংশা যে, চোর, বেশ্যা তথা ধনী ব্যক্তিকে সাদকা করা হয়েছে।’ সুতরাং তাকে বলা হল যে, ‘(তোমার সাদকা ব্যর্থ যায়নি; বরং) তোমার যে সাদকা চোরের হাতে পড়েছে তার দরুন হয়তো চোর তার চৌর্যবৃত্তি ত্যাগ ক’রে দেবে। বেশ্যা হয়তো তার দরুন তার বেশ্যাবৃত্তি ত্যাগ করবে। আর ধনী; সম্ভবতঃ সে উপদেশ গ্রহণ করবে এবং সে তার আল্লাহ প্রদত্ত ধন-সম্পদ আল্লাহর রাহে ব্যয় করবে।” এই শব্দে হাদিসটি বুখারী বর্ণনা করেছেন, আর মুসলিম বর্ণনা করেছেন তার অর্থ।
আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা এক জানাযায় বাকীউল গারকাদ (কবর স্থানে) ছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তাঁর আশপাশে বসে গেলাম। তাঁর সাথে একটি ছড়ি ছিল, তিনি মাথা নীচু করে তা দিয়ে (চিন্তাগ্রস্তের মত) মাটিতে আঁক কাটতে লাগলেন। তারপর তিনি বললেন, “তোমাদের প্রত্যেকের জাহান্নামে ও জান্নাতে ঠিকানা লিখে দেওয়া হয়েছে।” সাহাবীরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! তাহলে আমরা কি আমাদের (ভাগ্য) লিপির উপর ভরসা করব না?’ তিনি বললেন, “(না, বরং) তোমরা কর্ম করতে থাক। কেননা, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সে কাজ সহজ হয়, যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।” এবং পুরো হাদীস উল্লেখ করেন। মুত্তাফাকুন আলাইহি
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যদি তুমি মুসলিমদের গুপ্ত দোষগুলো খুঁজে বেড়াও, তাহলে তুমি তাদেরকে নষ্ট করে দিবে অথবা তাদেরকে নষ্ট করার উপক্রম করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘‘কোন মুসলিমের জন্য এ কাজ বৈধ নয় যে, তার কোন মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা বন্ধ রাখবে। সুতরাং যে ব্যক্তি তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা বন্ধ রাখবে এবং সেই অবস্থায় মারা যাবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি কারো স্ত্রীকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অথবা ক্রীতদাসকে তার মনিবের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি তার কোনো (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে বছরব্যাপী বাক্যালাপ বন্ধ করবে, তা হবে তার রক্তপাত ঘটানোর মতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘জেনে রেখো আবূ মাসঊদ! ওর উপর তোমার যতটা ক্ষমতা আছে, তোমার উপর আল্লাহ তাআলা আরো বেশি ক্ষমতাবান।’ আমি বললাম: আমি এর পর কখনো গোলামকে প্রহার করব না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি তোমাদেরকে অমুক অমুককে আগুন দিয়ে জ্বালাতে বলেছিলাম। কিন্তু আগুন দিয়ে জ্বালানোর শাস্তি কেবল আল্লাহই দেন। বিধায় তোমরা যদি তাদেরকে পাও, তাহলে তাদেরকে হত্যা ক’রে দিও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবুল আসওয়াদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাদীনায় আসলাম এবং আমি ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকট বসলাম। এ সময় তাদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করল। তখন জানাযার লোকটি সম্পর্কে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হল। ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেলে। অতঃপর অপর একটি (জানাযা) অতিক্রম করল, তখন সে লোকটি সম্পর্কেও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হল। (এবারও) তিনি বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। অতঃপর তৃতীয় একটি (জানাযা) অতিক্রম করল, লোকটি সম্বন্ধে নিন্দাসূচক মন্তব্য করা হল। তিনি বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। আবুল আসওয়াদ বলেন, আমি বললাম, হে আমীরুল মু‘মিনীন! কি ওয়াজিব হয়ে গেল। তিনি বললেন, আমি তেমনই বলেছি, যেমন নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, যে কোন মুসলিম সম্পর্কে চার ব্যক্তি ভাল বলে সাক্ষ্য দিবে, আল্লাহ্ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন। ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, তখন আমরা বলেছিলাম, তিনজন হলে? তিনি বললেন, তিনজন হলেও। আমরা বললাম, দু’জন হলে? তিনি বললেন, দু’জন হলেও। অতঃপর আমরা একজন সম্পর্কে আর তাঁকে জিজ্ঞেস করিনি। এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন এক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! কেবলমাত্র পুরুষেরাই আপনার হাদীস শোনার সৌভাগ্য লাভ করছে। সুতরাং আপনি আমাদের জন্যও একটি দিন নির্ধারিত করুন। আমরা সে দিন আপনার নিকট আসব, আপনি আমাদেরকে তা শিক্ষা দেবেন, যা আল্লাহ আপনাকে শিক্ষা দিয়েছেন।’ তিনি বললেন, “তোমরা অমুক অমুক দিন একত্রিত হও।” অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট এসে সে শিক্ষা দিলেন, যা আল্লাহ তাঁকে শিক্ষা দিয়েছেন। তারপর তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে যে কোন মহিলার তিনটি সন্তান মারা যাবে, তারা তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে আড় হয়ে যাবে।” এক মহিলা বলল, ‘আর দু’টি সন্তান মারা গেলে?’ তিনি বললেন, “দু’টি মারা গেলেও (তাই হবে)। মুত্তাফাকুন আলাইহি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁর এক মেয়ের জানাযায় চার তাকবীর দিলেন। অতঃপর তিনি চতুর্থ তাকবীরের পর দুই তাকবীরের মধ্যস্থলে যতটা সময় লাগে ততক্ষণ দাঁড়িয়ে তার (কন্যার) জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ করলেন। তারপর তিনি বললেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই রকমই করতেন।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীব-জন্তুকে কষ্ট দিয়ে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি গাধা দেখতে পেলেন, যার চেহারা দাগা ছিল। তা দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীব-জন্তুর মুখে প্রহার ও দাগ লাগাতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি বিনা অপরাধে নিজের গোলামকে মারধর করে অথবা তাকে চপেটাঘাত করে, তাকে মুক্ত করে দেয়াই হচ্ছে তার কাফফারা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাস্তা-ঘাটে মজলিস করা তোমাদের অভ্যাস কেন? রাস্তাঘাটে বৈঠক করা তোমরা বর্জন করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার কী অভিমত, যে নেক আমল করে এবং লোকেরা তার প্রশংসা করে? তিনি বললেন, “এতো মুমিন ব্যক্তির জন্য অগ্রিম সুসংবাদ।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, কিছু লোক একটা জানাযা নিয়ে পার হয়ে গেল। লোকেরা তার প্রশংসা করল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “অবধারিত হয়ে গেল।” অতঃপর দ্বিতীয় আরেকটি জানাযা নিয়ে পার হলে লোকেরা তার দুর্নাম করল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “অবধারিত হয়ে গেল।” উমার বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, ‘কী অবধারিত হয়ে গেল?’ তিনি বললেন, “তোমরা যে এর প্রশংসা করলে তার জন্য জান্নাত, আর ওর দুর্নাম করলে তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেল। তোমরা হলে পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষী।” মুত্তাফাকুন আলাইহি
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তাঁর নিকট একটি লোককে নিয়ে আসা হল এবং তার সম্পর্কে বলা হল যে, ‘এ লোকটি অমুক। তার দাড়ি মদ টপকাচ্ছে।’ তিনি বললেন, ‘আমাদেরকে জাসূসী করতে (গুপ্ত দোষ খুঁজে বেড়াতে) নিষেধ করা হয়েছে। তবে যদি কোন অপরাধ আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে যায়, তাহলে আমরা তার কারণে তাকে পাকড়াও করব।’ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটি আবূ দাউদ সহীহ বুখারী ও মুসলিমের শর্ত মোতাবিক সনদ দ্বারা বর্ণনা করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর শপথ অবশ্যই আমি আমাকে বনী মুকাররিন গোত্রের সাত সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের সপ্তম লোক হিসেবে দেখতে পাচ্ছি। আমাদের একজন গোলাম ব্যতীত অন্য কোনো গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার সর্ব কনিষ্ঠ ব্যক্তি তাকে চপোটাঘাত করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে আযাদ করে দিতে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ আদম সন্তানের যিনার যে অংশ নির্ধারিত করেছেন, তা সে অবশ্যই করবে। আর দু’চোখের যিনা হলো দৃষ্টিপাত করা, কানের যিনা শ্রবণ করা, জিহ্বার যিনা কথোপকথন, হাতের যিনা স্পর্শ করা, পায়ের যিনা হেঁটে যাওয়া, অন্তরের যিনা আকাংখা ও কামনা করা। আর লজ্জাস্থান তা বাস্তবায়িত করে কিংবা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যার বিচার করা হবে, সে হচ্ছে এমন একজন যে শহীদ হয়েছিল। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ তার নি‘আমত রাশির কথা তাকে বলবেন এবং সে তার সবটাই চিনতে পারবে (যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে)। তখন আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, এর বিনিময়ে কী আমল করেছিলে? সে বলবে, আমি আপনারই পথে যুদ্ধ করেছি; এমন কি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়েছি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যারা যুদ্ধে যায় নি, তাদের জন্য মুজাহিদদের স্ত্রীগণ এমন হারাম, যেমন তাদের জন্য তাদের মাতাগণ হারাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা মাথা মুণ্ডন করলে পুরোপুরি মুণ্ডন করবে অথবা পুরোপুরি ছেড়ে দিবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কারো যদি একটি জুতার ফিতা ছিড়ে যায়, তখন সে যেন তা মেরামত না করা পর্যন্ত এক জুতা পায়ে দিয়ে না হাঁটে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইয়াহূদী ও খৃস্টানরা (দাঁড়ি ও চুলে) রং লাগায় না। অতএব তোমরা (রং লাগিয়ে) তাদের বিপরীত কাজ করো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এটি কোনো কিছু দিয়ে পরিবর্তন করে দাও; তবে কালো রং বর্জন করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আজকের পরে তোমরা আমার ভাইয়ের জন্য কাঁদবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা পাকা চুল-দাঁড়ি উপড়ে ফেলো না। কেননা এগুলো মুসলিমের জন্য কিয়ামতের দিন উজ্জ্বল নূর হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বানী ইস্রাঈল তখনই ধ্বংস হয়েছিল, যখন তাদের মহিলারা এই জিনিস ব্যবহার করতে আরম্ভ করেছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কেউ মারা যাওয়ার পর তার জন্য ক্ৰন্দনকারীরা যখন কাঁদে আর বলে, হায় আমার পাহাড়, হে আমার নেতা বা অনুরূপ কোনো কথা বলে তখন দু’জন ফেরেশতা ঐ মৃত ব্যক্তির জন্য নিয়োগ করা হয়। তারা তার বুকে ঘুষি মারে আর ধমক দিয়ে বলতে থাকে, তুমি কি এরূপ ছিলে?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা পাত্র ঢেকে দাও,পানির মশকের মুখ বেঁধে দাও, দরজাসমূহ বন্ধ ক’রে দাও, প্রদীপ নিভিয়ে দাও। কেননা, শয়তান মুখ বাঁধা মশক খুলে না, বন্ধ দরজাও খুলে না এবং পাত্রের ঢাকনাও উম্মুক্ত করে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নু’মান ইবন বাশীর —রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা— কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু (একবার) অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁর বোন কান্না করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘ও (আমার) পাহাড় গো! ও আমার এই গো! ও আমার ওই গো!’ এভাবে তাঁর একাধিক গুণ বর্ণনা করতে লাগলেন। সুতরাং যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, ‘তুমি যা কিছু বলেছ, সে সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করা হচ্ছিল যে, তুমি ঐরূপ ছিলে নাকি?’ (বুখারী)
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কু-লক্ষণ নিতেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব সৎকর্ম করতে ও তাতে তাঁর অবাধ্যতা না করতে আমাদের কাছে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, সে সবের মধ্যে এটিও ছিল যে, (শোকাহত হয়ে) আমরা চেহারা খামচাব না, ধ্বংস ও সর্বনাশ কামনা করব না, বুকের কাপড় ছিঁড়ব না এবং মাথার চুল আলুথালু করব না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ঘুমানোর সময় তোমরা তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে মানব সকল! তোমাদের কেউ কোনো কথা জানলে সে যেন তা-ই বলে। আর যে না জানে সে যেন বলে-আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। কেননা এটাও জ্ঞানের অংশ যে, যে বিষয়ে জানবে না সে বিষয়ে বলবে, আল্লাহ ভালো জানেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে দাঁড়িয়ে জুতা পরতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ঘন্টা বা ঘুঙুর শয়তানের বাঁশি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যারা এ জাতীয় (প্রাণীর) মূর্তি বা ছবি তৈরি করে, কিয়ামতের দিন তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে। তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যা বানিয়েছিলে তার জীবন দাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এক ব্যক্তি মসজিদে ঘোষণা দিয়ে বললো, কে লাল উটের খোঁজ দিতে পারবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যেন তা না পাও। মসজিদ যে উদ্দেশে নির্মিত সে উদ্দেশেই ব্যবহার করতে হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা যদি এই শহরের (মদীনার) লোক হতে, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদে উঁচুস্বরে কথা বলছ!’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে লোক সকল! তোমরা দুই শ্রেণির এমন গাছ (সবজি) খেয়ে থাক; যা আমি (কাঁচা অবস্থায় খাওয়া) অনুপযুক্ত মনে করি; পিঁয়াজ ও রসুন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আর দিনে ইমামের খুৎবা চলা অবস্থায় দুই হাঁটুকে পেটে লাগিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এ মেঘের কল্যাণ কামনা করছি এবং এর মধ্যে যে সব কল্যাণ রয়েছে এবং যে কল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছে তাও এবং আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এর ক্ষতি ও ধ্বংস থেকে এবং যে মন্দের জন্য একে পাঠানো হয়েছে তা থেকেও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বায়ু আল্লাহর আশীষ, যা রহমত আনে এবং আযাবও আনে। কাজেই তোমরা যখন তা প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন তাকে গালি দিও না; বরং আল্লাহর নিকট তার কল্যাণ প্রার্থনা কর এবং তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাও।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা কেনা-বেচার সময় বেশি বেশি কসম খাওয়া থেকে দূরে থাক। কেননা, তা বিক্রয় বৃদ্ধি করে; (কিন্তু) বরকত মুছে দেয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না। কারণ, সে সালাতের জন্যে জাগ্রত করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি জ্বরকে গালি দিয়ো না। কেননা জ্বর আদম সন্তানের গুনাহসমূহ মোচন করে দেয়, যেভাবে কামারের হাঁপর লোহার মরিচা দূর করে দেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা মুনাফিকদের সাইয়েদ বলবে না। কেননা তোমরা যদি তাদের সাইয়্যেদ বলো তবে তোমরা তোমাদের মহান রবকে অসন্তুষ্ট করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যে কেউ আপন পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে শপথকারী হয়ে তাতে সুদৃঢ়ভাবে অবস্থানকারী হয়ে থেকে গেলে সে আল্লাহর নিকট অধিক গুনাহগার বিবেচিত হবে, উক্ত শপথ ভঙ্গ করে আল্লাহ তা‘আলা তার ওপর যে কাফফারা আদায় করা অপরিহার্য করে দিয়েছেন তা প্রদান করে শপথকৃত কাজে ফিরে যাওয়ার চেয়ে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি কসম খেয়ে বলল যে, ‘আমি ইসলাম হতে (দায়) মুক্ত।’ অতঃপর যদি (তাতে) সে মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে তেমনি হবে, যেমন সে বলেছে। আর যদি সে (তাতে) সত্যবাদী হয়, তাহলে নিখুঁতভাবে ইসলামে কখনোই ফিরতে পারবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তারা কাযা করবে না। রাসূলের স্ত্রীদের মধ্যে কেউ নিফাস /প্রসূতি অবস্থায় চল্লিশ দিন বসে থাকত, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নিফাসের সালাত কাযা করার নির্দেশ দিতেন না।
আল্লাহ তা’আলা এটা আদামের কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তুমি হাজ্জ পালনকারীগণ যা করে তাই কর কিন্তু পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করো না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি তার ঋতুবর্তী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করলো, তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে এক দীনার বা অর্ধ দীনার দান-খয়রাত করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইয়াহূদীরা ঋতুবতী মহিলাদের সাথে ঘরে একত্রে খেত না এবং তাদের সাথে মেলামেশা করত না। তখন রাসূলের সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেন, “লোকে আপনাকে ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, তা অশুচি। অতএব, তোমরা ঋতুস্রাবকালে স্ত্রীসঙ্গ ত্যাগ করো” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২২২]
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহর রাসূল!, আমার প্রচুর পরিমাণ হায়েযের রক্ত আসে। আপনি এ ব্যাপারে কী মতামত দেন? তা আমাকে সালাত ও সাওম থেকে বিরত রাখছে। তখন তিনি বললেন, তুমি তুলার পট্টি ব্যবহার করো। তিনি বললেন, তার পরিমাণ এর চেয়েও অধিক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয় এটি শয়তানের পক্ষ থেকে। তার উচিৎ গোসলের পাত্রে বসা। যখন সে পানির উপর হলদে বর্ণ দেখবে, তখন সে যোহর ও আসরের জন্য একবার, মাগরিব ও এশার জন্য একবার এবং ফজরের জন্য একবার গোসল করবে। আর তার মাঝখানে সে অযু করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তারা তাকে হত্যা করেছে, আল্লাহ তাদের হত্যা করুন। যখন তারা জানত না তারা কেন জিজ্ঞাসা করল না। অবশ্যই অজ্ঞতার প্রতিষেধক হচ্ছে জিজ্ঞেস করা। তার জন্য তায়াম্মুম করাই যথেষ্ট ছিল অথবা সে তার জখমের উপর একটি পট্টি বেঁধে নিত, অতঃপর তার উপর মাসাহ করত এবং পুরো দেহ ধুয়ে নিত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি সুন্নাতকে যথাযথ অনুসরণ করছ, তোমার সালাত হয়ে গেছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পবিত্র মাটি একজন মুসলিমের পবিত্রতা যদিও দশ বছর পর্যন্ত হয়, যখন তুমি পানি পাবে তখন পানিই স্পর্শ করবে, কারণ সেটাই কল্যাণকর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমাকে ভীতি দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। যমীনের চাবিসমূহ আমাকে দেওয়া হয়েছে। আমার নাম আহমদ রাখা হয়েছে। মাটিকে আমার জন্য পবিত্র করা হয়েছে এবং আমার উম্মতকে সর্বশ্রেষ্ট উম্মত বানানো হয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মানুষের ওপর তিনটি বিষয় দ্বারা আমাদের সম্মানিত করা হয়েছে। আমাদের কাতারসমূহকে ফিরিশতাদের কাতারের মতো আখ্যায়িত করা হয়েছে। আমাদের জন্য সমগ্র যমীনকে মাসজিদ বানানো হয়েছে এবং যমীনের মাটিকে আমাদের জন্য পবিত্র করা হয়েছে যখন আমরা পানি না পাবো। অপর একটি বৈশিষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম একই পাত্রের পানি দিয়ে এভাবে গোসল করতাম যে, তাতে আমাদের দু’জনের হাত একের পর এক পড়তে থাকতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমার হাতে করে তিনবার মাথায় পানি ঢাললেই তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। অতঃপর তুমি তোমার সমস্ত দেহে পানি ঢেলে দিবে এবং তাতেই তুমি পবিত্র হয়ে যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য গোসলের পানি ঢেলে রাখলাম। তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে বাঁ হাতে পানি ঢাললেন এবং উভয় হাত ধুলেন। অতঃপর তাঁর লজ্জাস্থান ধৌত করলেন এবং মাটিতে তাঁর হাত ঘষলেন। পরে তা ধুয়ে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, তারপর তাঁর চেহারা ধুলেন এবং মাথার উপর পানি ঢাললেন। পরে ঐ স্থান হতে সরে গিয়ে দুই পা ধুলেন। অবশেষে তাঁকে একটি রুমাল দেয়া হল, কিন্তু তিনি তা দিয়ে শরীর মুছলেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমাদের কেউ তার পরিবারের নিকট আসে তারপর যখন পুণরায় তার কাছে যেতে চায় সে যেন মাঝখানে একবার অযু করে নেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন অযু করল সে যথেষ্ট করল ও ভালো করল, আর যে গোলস করল সে অধিক উত্তম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পুরুষের বীর্য গাঢ় সাদা আর মেয়েলোকের বীর্য পাতলা হলুদ। উভয়ের মধ্য থেকে যার বীর্য ওপরে উঠে যায় অথবা আগে চলে যায় (সন্তান) তারই সদৃশ হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহর রাসূল! কোন ব্যক্তি তার স্ত্রী থেকে তাড়াতাড়ি পৃথক হয়ে গেলে এবং ধাতু নির্গত না হলে তার কী হুকুম (সে গোসল করবে কি-না)? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “পানি পানির ফলেই ফরয হয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা পেশার থেকে সতর্ক থাকো। কারণ, কবরের অধিকাংশ শাস্তি তা হতে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
দুই অভিশাপকারী থেকে তোমরা সতর্ক থাকো। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল দুই অভিশাপকারী কি? বলল, যে মানুষের চলাচলের রাস্তায় অথবা তাদের ছায়ায় পেশাব-পায়খানা করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একবার একটি কুকুর কোনো এক কূপের পাশে চক্কর দিচ্ছিল, এমতাবস্থায় যে পিপাসা তাকে মেরে ফেলার উপক্রম করছিল। ইত্যবসরে বনী ইসরাঈলের বেশ্যাদের এক বেশ্যা তাকে দেখল। ফলে সে নিজের চামড়ার মোজা খুলে তার জন্যে পানি তুলল ও তাকে পান করাল। ফলে এর বিনিময়ে তাকে ক্ষমা করা হল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“ছিঃ ছিঃ! এটা ফেলে দাও। তুমি কি জান না যে, আমরা সাদকাহ খাই না?”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবারান্তে আঙ্গুল ও থালা চেটে খাবার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, “তোমরা জান না যে, এর কোনটিতে বরকত নিহিত আছে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় যামানা (কাল) নিজের ঐ অবস্থায় ফিরে এল যেদিন আল্লাহ তা‘আলা আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। (অর্থাৎ দুনিয়া সৃষ্টি করার সময় যেরূপ বছর ও মাসগুলো ছিল, এখন পুনর্বার সে পুরাতন অবস্থায় ফিরে এল এবং আরবের মুশরিকরা যে নিজেদের মন মত মাসগুলোকে আগে-পিছে করেছিল তা এখন থেকে শেষ করে দেওয়া হল।) বছরে বারটি মাস; তার মধ্যে চারটি হারাম (সম্মানীয়) মাস।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কাফির যখন দুনিয়াতে কোন পুণ্য কাজ করে, তখন বিনিময়ে তাকে দুনিয়ার (কিছু আনন্দ) উপভোগ করতে দেওয়া হয়। (আখেরাতে সে এর কিছুই প্রতিদান পাবে না)। কিন্তু মুমিন, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য আখেরাতে তার প্রতিদান সঞ্চিত করে রাখেন, তদুপরি দুনিয়াতে তিনি তাকে জীবিকা দেন তাঁর আনুগত্যের কারণে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
প্রত্যেক মাসে (নফল) সাওম পালন করলে তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে পালন করো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান পিঠ দেখিয়ে পালায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সাওম পালনকারীগণ তোমাদের কাছে ইফতার করুক, নেককার লোকেরা তোমাদের খানা খাক, আর ফিরিশতাগণ তোমাদের উপর রহমত প্রেরণ করুক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি প্রতি মাসে তিনদিন সাওম পালন করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা শিক্ষা দিব না?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি কি দেখনি যে, আজ রাতে আমার ওপর যে কয়েকটি আয়াত নাযিল হয়েছে তার ন্যায় মর্যাদাময় আর কোনো আয়াতই দেখা যায়নি? তা হলো সূরা ফালাক এবং সূরা নাস।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তা‘আলা মানুষদের থেকে ইলম জোর করে ছিনিয়ে নিবেন না; বরং আলিমদের উঠিয়ে নেওয়ার মাধ্যমেই ইলম উঠিয়ে নিবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা এই কিতাব দ্বারা কতক লোককে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন এবং কতককে অবনমিত করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইসরা (মিরাজের রাতে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে শরাব ও দুধের দু’টি পেয়ালা পেশ করা হয়েছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশূরার দিন সাওম পালন করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“সর্বশেষে যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে বের হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, তার সম্পর্কে অবশ্যই আমার জানা আছে। এক ব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে (বা বুকে ভর দিয়ে) চলে জাহান্নাম থেকে বের হবে। তখন আল্লাহ আয্যা অজাল্লাহ বলবেন, ‘যাও জান্নাতে প্রবেশ কর।’ সুতরাং সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে সে ফিরে এসে বলবে, ‘হে রব! জান্নাত তো পরিপূর্ণ দেখলাম।’ আল্লাহ আয্যা অজাল্লাহ বলবেন, ‘যাও, জান্নাতে প্রবেশ কর।’ তখন সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত তো ভরে গেছে। তাই সে আবার ফিরে এসে বলবে, ‘হে রব! জান্নাত তো ভরতি দেখলাম।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসাফিরের জন্য তিনদিন তিনরাত ও মুকীমের জন্য একদিন একরাত নির্ধারণ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বলো: মু’মিন ও মুসলিম কবরবাসিগণ তোমাদের ওপর সালাম ! আল্লাহ তা‘আলা আমাদের পূর্বের এবং পরবর্তীদের প্রতি দয়া করুন। যদি আল্লাহ চান তাহলে আমরাও তোমাদের সঙ্গে অচীরেই মিলিত হব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ঈমান ইয়ামনী, হিকমত ইয়ামনী। আর আমি রহমানের নিঃস্বাশ ইয়ামানের দিক থেকে পাচ্ছি। তবে কুফর, নাফরমানী ও অন্তরের কাঠিন্যতা চিৎকারী উট ও গরু-ছাগলের মালিকদের ভেতর বেশি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তারপর যখন আদম আলাইহিস সালামের বয়স শেষ হলো তখন মালাকুল মাওত আসলে তিনি বলেন, আমার হায়াতের চল্লিশ বছর কি এখনো বাকী নয়? সে বলল, তুমি কি তোমার ছেলে দাউদকে তা দিয়ে দাওনি? তিনি বলেন, আদম অস্বীকার করল, তারপর তার সন্তারা অস্বীকার করল। আদম নিজে ভুলে গেল তারপর সন্তানরাও ভুলে গেল। আদম নিজে ভুল করল, তারপর সন্তানরাও ভুল করল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মনে রাখো, আমার রব আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন তোমাদের শিখাই যা তোমরা জানো না। আজকের এই দিনে তিনি আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন, তা হচ্ছে: যে সব মাল আমি কোন বান্দাকে দিয়েছি তা হালাল। আমি আমার সব বান্দাদের মুসলিম হিসেবে সৃষ্টি করেছি। শয়তান তাদের কাছে এসে তাদেরকে দীন থেকে বিচ্যুত করেছে এবং আমি তাদের জন্য যা হালাল করি তা সে তাদের জন্য হারাম করে দেয় এবং সে তাদের নির্দেশ দেয় যাতে তারা আমার সাথে শির্ক করে যার ওপর কোন দলীল প্রেরণ করা হয়নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে রব! আমাকে সাহায্য করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাকে সহযোগিতা করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সহযোগিতা করো না, আমার জন্য কৌশল এঁটো, আমার বিরুদ্ধে কৌশল এঁটো না,আমাকে হেদায়াত দান করো, আমার জন্য হেদায়াতের পথ সহজতর করো এবং যে ব্যক্তি আমার উপর অত্যাচার ও সীমা লংঘন করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর তা‘আলা তার সৃষ্টিকে অন্ধকারে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তার নূর থেকে তাদের ওপর নিক্ষেপ করলেন। যে তার সে নূর থেকে পেল, সে হিদায়াত প্রাপ্ত হলো আর যে পেল না গোমরাহ হলো। এ কারণেই আমি বলি, আল্লাহর ইলমের ওপর কলম শুকিয়ে গিয়েছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ হুরায়রাহ থেকে একটি বর্ণনা বর্ণিত: তিনি বলেন, আল্লাহর রয়েছে নিরানব্বই নাম। এক কম একশ। যে ব্যক্তি এ গুলোর হিফাযত করবে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবেন। তিনি নিজে বিজোড়, তাই বিজোড়কে তিনি পছন্দ করেন। হাদীসটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন প্রকার পানি স্পর্শ করা ছাড়া নাপাকী অবস্থায় ঘুমাতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি এ দুআ পড়বে, অর্থাৎ, আমি সেই আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি যিনি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব, অবিনশ্বর। এবং আমি তাঁর কাছে তওবা করছি। সে ব্যক্তির পাপরাশি মার্জনা করা হবে; যদিও সে রণক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে (যাওয়ার পাপ করে) থাকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরীবের সালাত আদায় করতাম। তখন আমাদের লোকজন এমন অবস্থায় ফিরে যেত যে, তারা তাদের তীরের নিশানা দেখতে পেত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা ফজরের সালাত সকাল করে আদায় কর। কারণ, তা তোমাদের সাওয়াবের দিক বিবেচনায় অধিক। অথবা সাওয়াবের জন্য মহান।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি সূর্য উদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাকা‘আত সালাত পেল, সে ফজর পেল। আর যে ব্যক্তি সূর্য ডোবার পূর্বে আসরের সালাতের এক রাকা‘আত পেল সে আসর পেল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এ ঘরের তাওয়াফ করে এবং রাত ও দিন যখন ইচ্ছা সালাত আদায় করতে চায় এমন কোন ব্যক্তিকে তোমরা নিষেধ করো না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ফজর দুই প্রকার। এক ফজর হলো বাঘের লেজের মতো তাতে সালাত পড়া যাবে না এবং খাদ্য হারাম হবে না। আর যে ফজর আকাশে লম্বাভাবে দেখা তাতে সালাত বৈধ এবং খাদ্য নিষিদ্ধ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের যারা অনুপুস্থিত আছে উপস্থিত লোকেরা যেন তাদের নিকট পৌছে দেয়। তোমরা ফজর উদয় হওয়ার পর দুই রাকা‘আত ছাড়া আর কোন সালাত আদায় করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সূর্য (পশ্চিমাকাশে) ঢলে যাওয়ার পর যোহরের ওয়াক্ত হয় এবং মানুষের ছায়া তার সমপরিমাণ হওয়া থেকে আসরের ওয়াক্ত শুরু না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে। আসরের ওয়াক্ত সূর্য হলুদ না হওয়া পর্যন্ত থাকে। মাগরিবের ওয়াক্ত (পশ্চিমাকাশে) শাফাক তথা লালিমা দূরীভুত না হওয়া পর্যন্ত থাকে। আর ইশার ওয়াক্ত রয়েছে মধ্য রাত্রি পর্যন্ত। এবং ফজরের ওয়াক্ত রয়েছে ঊষার উদয়কাল হতে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি বিলালকে দেখলাম আবতাহ নামক স্থানে বের হল ও আযান দিল। যখন সে হাইয়া আলাস সালাহ, হাইয়া আলাল ফালাহ পৌঁছলো তার গর্দানকে ডানে ও বামে ঘুরালো তবে সে নিজে ঘুরেনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদের দিন সালাতে উপস্থিত হলাম। তিনি আযান ও ইকামত ছাড়া খুতবার আগে সালাত আরম্ভ করলেন। তারপর বিলালের ওপর হেলান দিয়ে দাড়ালেন এবং তাকওয়া অবলম্বন করার নির্দেশ দিলেন এবং তার অনুকরণ করার ওপর উৎসাহ দিলেন। তিনি মানুষকে নসিহত করলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লা মাগরিব ও এশার মাঝে একত্র করেন। মাগরিব তিন রাকা‘আত এবং এশা দুই রাকা‘আত আদায় করেন একই ইকামাত দ্বারা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তুমি তাদের ইমাম। তাদের যারা দুর্বল তাদের অনুসরণ করবে। আর এমন একজন মুয়াজ্জিন নিয়োগ করবে যে তার আযানের ওপর বিনিময় গ্রহণ করে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াযযিন (তাঁর জন্য) প্রতীক্ষা করতে থাকতেন ও ইক্বামাত দিতেন না। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বেরিয়ে আসতে দেখতেন তখনই সালাতের জন্য ইক্বামাত দিতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মু’আজ্জিন আযানের বিষয়ে অধিক ক্ষমতা রাখেন আর ইমাম ইকামাতের ব্যাপারে অধিক ক্ষমতা রাখেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পাপ্ত বয়স্কা নারীর সালাত আল্লাহ তা‘আলা উড়না ছাড়া কবুল করেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সা‘ঈদ ইব্নু হারিস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ-কে একটি কাপড়ে সালাত আদায় করা সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে কোন এক সফরে বের হয়েছিলাম। এক রাতে আমি কোন দরকারে তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তিনি সালাতে রত আছেন। তখন আমার শরীরে মাত্র একখানা কাপড় ছিল। আমি কাপড় দিয়ে শরীর জড়িয়ে নিলাম আর তাঁর পার্শ্বে সালাতে দাঁড়ালাম। তিনি সালাত শেষ করে জিজ্ঞেস করলেন, জাবির! রাতের বেলা আসার কারণ কী? তখন আমি তাঁকে আমার প্রয়োজনের কথা জানালাম। আমার কাজ শেষ হলে তিনি বললেন, এ কিরূপ জড়ানো অবস্থায় তোমাকে দেখলাম? আমি বললাম, কাপড় একটিই ছিল (তাই এভাবে করেছি)। তিনি বললেন, কাপড় যদি বড় হয়, তাহলে শরীরে জড়িয়ে পরবে। আর যদি ছোট হয় তাহলে লুঙ্গি হিসেবে ব্যবহার করবে। সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় বর্ণিত: যদি বড় হয় তবে তার দুই কিনারা দুই দিকে ছাড়বে। আর যদি ছোট হয় তাহলে সেটি তোমার কোমরে বেঁধে নিবে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে কিবলা অবস্থিত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের সওয়ারীর উপর (নফল) সালাত আদায় করতেন— সওয়ারী তাঁকে নিয়ে যে দিকেই মুখ করত না কেন। কিন্তু যখন ফরয সালাত আদায়ের ইচ্ছা করতেন, তখন নেমে পড়তেন এবং ক্বিবলামুখী হতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফর করতেন তখন নফল সালাত আদায় করার ইচ্ছা করলে তিনি তার উষ্টিকে কিবলামুখ করতেন এবং তাকবীর বলতেন। তারপর সালাত আদায় করতেন যে দিকে তার বাহন তাকে ফিরাতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
অন্ধকার রাতে একটি সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। আমরা জানলাম না যে কিবলা কোন দিকে? ফলে প্রত্যেকে নিজ নিজ ধারণা অনুযায়ী সালাত আদায় করল। তারপর যখন সকাল হলো বিষয়টি আমরা রাসূলুল্লাহর নিকট উল্লেখ করলাম। তখন আয়াত নাযিল হলো, “তোমরা যেদিকে ফিরো সেদিকেই আল্লাহর চেহারা”। [সূরা বাকারাহ, আয়াত: ১১৫]
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কবরস্থান এবং গোসল খানা ছাড়া সমগ্র যমীন মসজিদ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কেউ যখন সজিদে আসে তখন সে যেন তার জুতা দু’টি দেখে নেয়। সে যদি তার জুতাদ্বয়ে কোনো নাপাকী বা ময়লা দেখে তা যেন মুছে নেয় এবং তা পরিহিত অবস্থাতেই সালাত আদায় করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন মোজাদ্বয় দ্বারা নাপাকী পাড়ানো হয়, তখন তার পবিত্রতা হলো মাটি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এই সালাত এমন তাতে লোকেদের কোনো কথা যথাযথ নয়। (এতে যা বলতে হয়,) তা হল তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন পাঠ।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পুরুষদের বেলায় তাসবীহ্ (সুবহানাল্লাহ্) বলা, তবে মহিলাদের বেলায় ‘তাসফীক’ (এক হাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের তালুতে মারা)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমতাবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেছি যে, কান্নার কারণে তার বুকের মধ্যে চাক্কির আওয়াজের মতো আওয়াজ ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আব্দুল্লাহ ইবন উমার থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবাতে গিয়ে সালাত আদায় করতে বের হলেন। তিনি বলেন, তখন আনসারগণ এসে তাকে সালাতরত অবস্থায় সালাম দিল। তিনি বললেন, আমি বিলালকে বললাম, তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামকে সালাত অবস্থায় সালামের উত্তর কীভাবে দিতে দেখেছ? তিনি বলেন, এভাবে বলেছেন, স্বীয় কব্জিকে প্রশস্ত করেন এবং তার পেটকে নিচে ও পিটকে উপরে রাখেন। সুনানু আবূ দাউদ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখিছি তিনি মানুষের সালাতের ইমামতি করছেন অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ের মেয়ে উমামাহ বিনত আবীল আস তার কাঁধে ছিল। যখন তিনি রুকূ‘ করেন তখন তাকে নীচে রাখেন আর যখন সেজদা থেকে উঠেন তখন তাকে আবার তুলে নেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তিনি মুসাফিরের জন্য তিন দিন এবং তিন রাত এবং মুকীমের জন্য এক রাত একদিন মুজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করার অনুমতি দিয়েছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বিলাল সুবহে সাদিকের পূর্বে (ফজরের সালাতের) আযান দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরে গিয়ে বলতে নির্দেশ দিলেন : “জেনে রাখ! বান্দা ঘুমিয়ে ছিল। জেনে রাখ! বান্দা ঘুমিয়ে ছিল।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সাবুরাহ ইবন মা‘বাদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে সে যেন তার সালাতের জন্যে তীর দিয়ে হলেও আড়াল হয়। মুসনাদে আহমাদ
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কেউ যখন কোনো বস্তুর দিকে ফিরে সালাত আদায় করে যা তাকে মানুষকে থেকে আড়াল করে, আর কেউ তার সামনে দিয়ে যেতে চায়, তাহলে সে তাকে বাধা দিবে, সে যদি না মানে, তবে সে ব্যক্তি (মুসল্লী) তার সাথে লড়াই করে, কেননা সে শয়তান।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মুসল্লীর সালাতে কোমরে হাত রাখাকে আয়েশা অপছন্দ করতেন। আর তিনি বলতেন এটি ইয়াহুদীরা করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বিকেলের খাবার পরিবেশন করা হলে মাগরিবের সলাতের পূর্বে তা খেয়ে নিবে। খাওয়া রেখে সলাতে তাড়াহুড়া করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আবূ যার থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায়, তখন যদি তার সামনে শিবিকার খুঁটির ন্যায় কোন জিনিস থাকে সেটা তাকে আড়াল করে রাখবে। আর যদি শিবিকার খুঁটির ন্যায় কোন জিনিস না থাকে তখন নারী, গাধা ও কালো বর্ণের কুকুর তার সলাত নষ্ট করে দেয়। আমি বললাম, হে আবূ যার! লাল ও হলদে বর্ণের কুকুর থেকে কালো বর্ণের কুকুরের পার্থক্য কি? তিনি বলেন, হে ভাতিজা, তুমি আমাকে যেরূপ জিজ্ঞেস করলে আমিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তদ্রুপ জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, “কালো কুকুর হলো শয়তান।” সহীহ মুসলিম। অপর একটি হাদীসে এসেছে—“ঋতুবতী নারী ও কুকুর সালাত নষ্ট করে দেয়।” সুনানু আবূ দাউদ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাড়ায়, অবশ্যই রহমত তার সম্মূখীন হয়। সতুরাং সে যেন পাথর দূর না করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতে এদিক ওদিক তাকানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এটা এক ধরনের ছিনতাই, যার মাধ্যমে শয়তান বান্দার সালাত হতে অংশ বিশেষ ছিনিয়ে নেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার রবের সাথে কানে কানে (ফিসফিস ক’রে কথা) বলে। আর তার রব তার ও কেবলার মধ্যস্থলে থাকেন। সুতরাং তোমাদের কেউ যেন কেবলার দিকে থুথু না ফেলে; বরং তার বামে অথবা পদতলে ফেলে। অতঃপর তিনি তাঁর চাদরের এক প্রান্ত ধরে তাতে থুথু নিক্ষেপ করলেন। তারপর তিনি তার এক অংশকে আর এক অংশের সাথে রগড়ে দিয়ে বললেন, কিংবা এইরূপ করে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার সামনে থেকে তোমার এই পর্দা সরিয়ে নাও, কারণ সালাত আদায়ের সময় এর ছবিগুলো আমার সামনে ভেসে ওঠে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এ চাদরখানা আবূ জাহমের নিকট নিয়ে যাও, আর তার কাছ হতে আনবিজানিয়্যাহ (কারুকার্য ছাড়া মোটা চাদর) নিয়ে আস। এটা তো আমাকে সালাত হতে অমনোযোগী করে দিচ্ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সালাতে হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব কেউ যখন হাই তুলে তখন সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ নির্মান ও মসজিদকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি তোমাকে আল্লাহর সপথ দিয়ে বলছি, তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছো: আমার পক্ষ থেকে উত্তর দাও। হে আল্লাহ, তুমি তাকে রুহুল কুদুস দ্বারা শক্তিশালী করো। তিনি বললেন, আল্লাহুম্মা হ্যাঁ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে ব্যক্তি কাউকে হারানো জিনিস সন্ধান (ঘোষণা) করতে শোনে, সে যেন বলে, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।’ কারণ, মসজিদসমূহ এর জন্য বানানো হয়নি।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন কাউকে মসজিদে বেচা-কেনা করতে দেখবে তখন বলবে, আল্লাহ তোমার এ ব্যবসা লাভজনক না করুন। আর কাউকে যখন দেখবে সে মসজিদে কোন জিনিস হারানোর ঘোষণা দিচ্ছে তখন বলবে, আল্লাহ তোমার জিনিসটি ফেরত না দিন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মসজিদে হদ্দ (শরী‘আতের শাস্তি) কার্যকর করা যাবে না এবং তাতে কিসাস কার্যকর করা যাবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আবূ বকর! ওদের বাঁধা দিও না। কেননা এগুলো ঈদের দিন। আর সে দিনগুলো ছিল মিনার দিন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
(আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন) দাসীটি আমার কাছে আসতো আর আমার সঙ্গে কথা-বার্তা বলতো। সে আমার কাছে যখনই বসত তখনই বলতো:
“সেই হারের দিনটি আমার রবের আশ্চর্য ঘটনা বিশেষ। জেনে রাখুন সে ঘটনাটি আমাকে কুফরের শহর থেকে মুক্তি দিয়েছে।” সহীহ বুখারী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মাসজিদে থুথু ফেলা গুনাহের কাজ, আর তার কাফফারাহ (প্রতিকার) হচ্ছে তা দাবিয়ে দেয়া (মুছে ফেলা)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমাকে মসজিদসমূহ মজবুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে জাগ্রত হতেন তাকবীর বলতেন, অতঃপর বলতেন : “হে আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ও আপনার প্রশংসা এবং আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার প্রতিপত্তি অতি উচ্চ। আর আপনি ব্যতীত অন্য কোনো হক্ব ইলাহ্ নেই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাকবীর বলতেন তার দুই হাত কান বরাবর উঠাতেন, যখন রুকূ করতেন তখন দুই হাত কান বরাবর উঠাতেন এবং যখন তিনি রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন তখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে একই ধরনের আমল করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি তার ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখলেন তার বুকের উপর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হতে পারে তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিরাত পড়। আমরা বললাম হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। বললেন, তোমরা তা করো না, তবে সূরা ফাতিহা। কারণ, যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়ে না তার সালাত হয় না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর ও উমার সালাতকে আল-হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন দ্বারা শুরু করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমরা আলহামদু লিল্লাহ পড়ো, তখন তোমরা বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়। এটি কুরআনের মা, কিতাবের মা এবং সাতটি প্রশংসনীয় আয়াত। আর বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম তার একটি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তবে এ ব্যক্তি উত্তম বস্তু দ্বারা তার হাত পরিপূর্ণ করেছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের প্রথম দু’ রাক‘আতে সূরাহ্ ফাতিহার সঙ্গে আরও দু’টি সূরাহ্ পাঠ করতেন। আর শেষের দুই রাকা‘আতে সূরা ফাতিহা পড়তেন। আর তিনি আমাদের তিলাওয়াত শুনাতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা যুহর ও আসরের সালাতে রাসূলে কিয়ামের সময় অনুমান করলাম। যুহরের প্রথম দুই রাকা‘আতে তার কিয়াম ছিল আলিফ লাম মীম সাজদাহ তিলাওয়াত করার সময় পরিমাণ। আর শেষের দুই রাকা‘আতে তার কিয়াম ছিল তার অর্ধেক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত এবং রুকূ ছিল যখন তিনি রুকূ ও সেজদাহ থেকে মাথা তুলতেন এবং দুই সেজদার মাঝখানে বসতেন প্রায় সমান সময়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকূ করতেন তখন আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে দিতেন এবং যখন সেজদা করতেন তখন তার আঙ্গুলগুলো মিলিয়ে রাখতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চার জানু হয়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সালাতের বেজোড় রাক‘আতে (সাজ্দাহ হতে) উঠে স্থীর না বসে দাঁড়াতেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সম্প্রদায়ের জন্য দো‘আ বা বদ-দো‘আ করা ছাড়া কুনূত পড়তেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমাদের কেউ সেজদাহ করে সে যেন উটের বসার মতো না বসে। আর সে যেন তার দুই হাতকে তার দুই হাঁটু রাখার আগে রাখে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তার দুই হাঁটুর পূর্বে দুই হাতকে রাখতেন। আর তিনি বলতেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করবেতন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রিফা‘আহ ইবন রাফে‘ আয-যুরাকী থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগনের একজন ছিলেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আসল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসা ছিল। সে তার কাছাকাছি স্থানে সালাত আদায় করল। তারপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে তাঁকে সালাম দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি তোমার সালাত আবার পড়ো। কেননা তুমি সলাত পড়োনি। তিনি বলেন, তারপর সে ফিরে গেল এবং আগের মতো সালাত আদায় করলো। তারপর আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফিরে এলো। তিনি তাকে বললেন, তুমি তোমার সালাত আবার পড়ো। কেননা তুমি সলাত পড়োনি। সে বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাকে শিখিয়ে দিন কীভাবে সালাত আদায় করবো। তিনি বলেন, “তুমি যখন কিবলামুখী হবে তাকবীর (তাহরীমা) বলো, এরপর তুমি সূরা ফাতিহা পড়ো। তারপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ সেখান থেকে পাঠ করো। তারপর যখন তুমি রুকূ করবে তখন তুমি তোমার দুই হাত দুই হাঁটুর উপর রাখবে এবং তোমার পিটকে লম্বা করে বিছিয়ে দেবে। তুমি তোমার রুকূর জন্য ধীরস্থিরতা অবলম্বন করো। অতঃপর যখন তুমি তোমার মাথা উঠাবে তখন তুমি তোমার মেরুদন্ড সোজা কর। যাতে হাঁড়গুলো নিজ নিজ জোড়ার স্থানে ফিরে যায়। তারপর যখন সেজদা করবে তখন তুমি তোমার সেজদার জন্য ধীরস্থিরতা অবলম্বন করো। তারপর যখন তুমি তোমার মাথা উঠাবে তখন তুমি তোমার বাম উরুর ওপর বসো। অতঃপর প্রতি রুকু ও সেজদায় তা করো। মুসনাদে আহমাদ।
অপর বর্ণনায় বর্ণিত। তিনি বলেন, “আল্লাহর নির্দেশ মত পূর্ণাঙ্গরূপে উযূ না করলে তোমাদের কারো সালাত পরিপূর্ণ হবে না। সে তার মুখমণ্ডল ও দু’ হাত কনুইসহ ধৌত করবে, তার মাথা মাসহ করবে এবং দু’পা গোছা পর্যন্ত ধৌত করবে। তারপর তাকবীর বলবে এবং আল্লাহর প্রশংসা করবে। তারপর তাকে যতটুকু অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং তার জন্য যা সহজ হয় তা থেকে কুরআন পড়বে। তারপর তাকবীর বলবে এবং সেজদা করবে। তারপর চেহারাকে বা কপালকে যমীনে এমনভাবে রাখবে যাতে তার শরীরের জোড়াগুলো স্থীর হয়ে পড়ে এবং ঝুঁকে পড়ে। তারপর তাকবীর বলবে এবং সোজা হয়ে তার আসনে বসবে এবং মেরুদন্ডকে সোজা করবে। এভাবে চার রাকা‘আত সালাতের পদ্ধতি বর্ণনা করেন। এ সব কর্মসমূহ সম্পাদন করা ছাড়া তোমাদের কারো সালাত পূর্ণ হবে না।” সুনানে আবূ দাউদ।
অপর বর্ণনায় বর্ণিত: “তারপর তুমি আল্লাহ যেভাবে আদেশ করেছেন সেভাবে ওযূ কর। তারপর তাশাহুদ পড়। ইকামত দাও এবং তাকবীর বলো। যদি তোমার কাছে কুরআন জানা থাকে তা থেকে পড়ো। অন্যথায় আল্লাহর প্রশংসা কর, তার তাকবীর বল এবং তাহলীল পড়ো।” সুনানু আবূ দাউদ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাশাহহুদ পড়ার জন্য বসতেন তখন ডান হাত ডান উরুর ওপর এবং বাঁ হাত বাঁ উরুর ওপর রাখতেন। আর শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন। এই সময় তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি মধ্যমার সাথে সংযুক্ত করতেন এবং বাঁ হাত তার হাঁটুকে গিলে ফেলত (লোকমা বানিয়ে ধরে রাখত)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তাশাহুদ এমনভাবে শেখাতেন যেমনটি তিনি কুরআনের সূরা শেখাতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যদি তুমি সক্ষম হও যমীনে সালাত আদায় করো, অন্যথায় তুমি ইশারা করো আর তুমি তোমার সেজদাকে রুকূ থেকে বেশি নীচা করো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্য অমুকের মতো আর কারো পিছনে আমি সালাত আদায় করিনি। আমরা সেই লোকের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যুহরের প্রথম দুই রাকা‘আত দীর্ঘ করতেন এবং পরের দুই রাকা‘আত সংক্ষিপ্ত করতেন। আসরকে হালকা করতেন এবং মাগরিবে ছোট সূরাসমূহ (কিসারে মুফাসসাল) পড়তেন। আর এশার সালাতে সূরা শামছ ওয়াদোহাহা ও এ ধরনের সূরা পড়তেন। ফজরের সালাতে দুইটি লম্বা সূরা পড়তেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আরাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের সালাতে সূরাহ তূর তিলাওয়াত করতে শুনেছি। যখন এ আয়াতে পৌঁছলেন (অনুবাদ): “তারা কি সৃষ্টিকর্তা ছাড়াই সৃষ্টি হয়েছে, না তারা নিজেরাই সৃষ্টিকর্তা? তারা কি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছে বরং তারা বিশ্বাস করে না। নাকি তাদের কাছে রয়েছে তোমার রবের ভান্ডারসমূহ না তাঁরাই ক্ষমতাশালী।” (সূরা তূর, আয়াত: ৩৫-৩৮), তখন আমার অন্তর উড়ে যাওয়ার উপক্রম হলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে লোক সকল! মুসলিম ব্যক্তি যে ভালো স্বপ্ন দেখে অথবা তাকে যে ভালো স্বপ্ন দেখানো হয়, তা ব্যতীত নবুয়াতের সুসংবাদের কিছুই অবশিষ্ট নাই। আর জেনে রেখ যে, আমাকে রুকু অথবা সেজদাবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করা হয়েছে। অতএব তোমরা রুকুতে রবের বড়াই বর্ণনা কর (অর্থাৎ, ‘সুবহানা রাব্বিয়্যাল আযীম’ পড়)। আর সিজদায় দুআ করতে সচেষ্ট হও। কারণ, তোমাদের সে দুআ কবূল হওয়ার উপযুক্ত।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
বনু সুলাইমের কয়েকটি বস্তির ওপর বদ দো‘আ করার জন্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘র পরে এক মাস ব্যাপী কুনূত পাঠ করেছেন। তিনি বলেন, তিনি চল্লিশ —রাবী সন্দেহ করছেন অথবা সত্তর জন — কারীকে মুশরিকদের কতক লোকের নিকট পাঠান। এরা তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং তাদেরকে হত্যা করে। অথচ তাদের মাঝে ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাঝে চুক্তি ছিল। তিনি তাদের থেকে যে কষ্ট পেলেন আর কারো কাছ থেকে এত কষ্ট পেতে আমি দেখিনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে পিতা! আপনি অবশ্যই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বকর, ‘উমার ও ‘উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম-এর পিছনে সালাত আদায় করেছেন এবং এই কুফায় ‘আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর পেছনে প্রায় পাঁচ বছর সালাত আদায় করেছেন। তাঁরা কি ফজরের সালাতে দু‘আ কুনূত পড়তেন? তিনি বলেন, হে বৎস! এটা তো বিদ্আত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ফাতিমা আমার অংশ। যে তাকে কষ্ট দেবে সে যেনো আমাকে কষ্ট দিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা এর দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তান (হুসাইন রাদিয়াল্লাহু `আনহু) কে হত্যা করেছে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “ওরা দু’জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে আমার দু’টি সুগন্ধি ফুল।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! আমি তাকে মহব্বত করি, অতএব তুমিও তাঁকে (হাসানকে) মহব্বত কর এবং তাকে যে মহব্বত করে তাকেও মহব্বত কর।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে বের হলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে মিম্বরে উঠলেন এবং বললেন, “আমার এ সন্তান নেতা। সম্ভবত তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা মুসলিমদের দু’টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি হাসান ও হুসাইনকে ভালোবাসবে সে যেনো আমাকে ভালোবাসল। আর যে তাদেরকে অপছন্দ করবে সে যেনো আমাকে অপছন্দ করল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার মৃত্যুর পরে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম যে আমার পরিবারের কাছে উত্তম।” বর্ণনাকারী বলেন, আব্দুর রহমান ইবন ‘আউফ চার লাখে একটি বাগান বিক্রয় করে তা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আন্হার প্রতি আমার যতটা ঈর্ষা হতো, ততটা ঈর্ষা নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি হতো না, অথচ আমি তাঁকে পায়নি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই ছাগল যবাই করতেন, তখন বলতেন এটা খাদীজার বান্ধবীদের নিকট পাঠিয়ে দাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদিজা জীবিত থাকাকালীন আর কাউকে বিয়ে করেন নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
জিবরীল রেশমের সবুজ একটি কাপড়ের টুকরায় আয়েশার ছবি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন, এ তোমার দুনিয়া ও আখিরাতে স্ত্রী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় ইব্রাহীম আমার ছেলে, সে দুধপান অবস্থায় মারা গিয়েছে। তার জন্য জান্নাতে দুইজন দূধ পানকারিনী রয়েছে যারা তার দুধ পান করার (অসম্পন্ন) সময়কে সম্পন্ন করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
প্রত্যেক উম্মতের একজন আমানতদার আছে। আর এ উম্মতের আমানতদার হলো আবূ উবাইদাহ ইবনুর জাররাহ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুটি বল্লম ছিল। তিনি পাথরে উঠতে চাইলেন কিন্তু পারলেন না। ফলে তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার নিচে বসালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর ভর করে পাথরের উপর উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। তারপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, তালহার ওপর ওয়াজিব করে দিন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
প্রত্যেক নাবীর হাওয়ারী (জানবাজ সাথী) ছিল, আমার হাওয়ারী হলো যুবায়র।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যুবাইর আমার চাচাত ভাই এবং আমার উম্মাত থেকে আমার সাহায্যকারী।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সা‘আদ আগমন করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ইনি হলেন আমার মামা অতএব (আমার মামার মতো) কেউ তার মামাকে দেখাক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি দেখিনি সা‘দ ব্যতীত অন্য কোন মানুষকে উৎসর্গ করেছেন। আমি তাকে বলতে শুনেছি, “(হে সা‘দ) তুমি তীর নিক্ষেপ কর আমার মাতা পিতা তোমার জন্য কুরবান হোক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের বিষয়টি এমন একটি বিষয় যা আমার পর আমাকে চিন্তায় ফেলবে। আর তোমাদের ওপর ধৈর্য্যশীল ব্যতীত কেউ সবর করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ তুমি তাকে পথ পদর্শক, হিদায়াত প্রাপ্ত বানাও এবং তার দ্বারা হিদায়াত দাও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ যখন কোন বান্দাকে কোথাও মৃত্যু দান করতে চান তখন সেখানে তার জন্য কোন প্রয়োজন সৃষ্টি করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন আল্লাহ কোন বান্দার সাথে ভালো ইচ্ছা করেন তখন তার মৃত্যুর পূর্বে তার তা করিয়ে নেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তারা সত্য বলেছে, তাদেরকে এমন শাস্তি দেওয়া হয় যা সব চতুষ্পদ জন্তু শুনতে পায়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার কাছে ওহী প্রেরণ করা হয়েছে যে, দাজ্জালের ফিতনার মতো কাছাকাছি ফিতনা দ্বারা তোমাদের কবরে পরীক্ষা করা হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় এ উম্মতকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। যদি তোমরা ভয়ে দাফন করবে এ আশঙ্ক না করতাম তাহলে আমি আল্লাহর নিকট দো‘আ করতাম যাতে তিনি তোমাদের কবরের শাস্তি শোনায় যা আমি শুনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হলেন, তখন সূর্য্য ডুবে গিয়েছিল। তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়াহুদীদেরকে তাদের কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية