হাদীসসমূহের তালিকা

“তোমরা কুরআন মুখস্থ রাখার ব্যাপারে অধিক যত্নবান হও । যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আমি সে মহান সত্তার শপথ করে বলছি, কুরআনের মুখস্থ সূরাহ বা আয়াতসমূহ মানুষের মন থেকে বাঁধা উটের চেয়েও অধিক পলায়নপর।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিখায়।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“ তোমাদের ঘরসমূহকে তোমরা কবর বানাবে না।(১) নিশ্চয় যে ঘরে সূরাহ বাক্বারাহ পাঠ করা হয় শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি কোন রাতে সূরাহ বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সে দুটিই তার জন্য যথেষ্ট।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পাঠ করবে তার জন্য এর এর কারণে একটি সাওয়াব আছে। আর সাওয়াবটি তার দশ গুণ বৃদ্ধি পায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বক্ষণ আল্লাহর যিকির করতেন।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমার এবং আমার বান্দার মাঝে সালাতকে অর্ধেক করে ভাগ করেছি। আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়
عربي الإنجليزية الأوردية
“হে চাচাজান! ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ কালিমা পাঠ করুন, তা হলে এর দ্বারা আমি আল্লাহর সমীপে আপনার জন্য সুপারিশ করতে পারবো।” তখন আবূ জাহাল ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ উমায়্যাহ তাকে বলে উঠল, তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাত হতে বিমুখ হবে? নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট কালিমাহ বারবার পুনরাবৃত্তি করতে লাগলেন। অবশেষে আবূ তালিব তাদের সামনে শেষ কথাটি যা বলল, তা এই যে, সে আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপর অবিচল রয়েছে, সে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলতে অস্বীকার করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আল্লাহর কসম! তবুও আমি আপনার জন্য মাগফিরাত কামনা করতে থাকব, যতক্ষণ না আমাকে তা হতে নিষেধ করা হয়।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা নাযিল করেন: “নবীর জন্য সংগত নয় এবং ঈমানদারদের জন্যও সংগত নয় যে,তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে।” [সূরা আত-তাওবা: ১১৩] আর আল্লাহ তা‘আলা আবূ তালিব সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নাযিল করেন: “আপনি যাকে পছন্দ করেন তাকে হিদায়াত দিতে পারবেন না। তবে আল্লাহ যাকে চান তাকেই হিদায়াত দান করেন।” [সূরা আল-কাসাস: ৫৬]
عربي الإنجليزية الأوردية
“ঐ মু’মিন যে কুরআন পাঠ করে, তাঁর দৃষ্টান্ত ঐ লেবুর মত যা খেতে সুস্বাদু এবং গন্ধে চমৎকার। আর ঐ মু’মিন যে কুরআন পাঠ করে না; তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ খেজুরের মত যা খেতে সুস্বাদু; কিন্তু সুগন্ধ নেই।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা শিক্ষা দিব না?
عربي الإنجليزية الأوردية
“কুরআনে পারদর্শী ব্যক্তি সম্মানিত আনুগত্যশীল দূত ফেরেশতাদের সাথে থাকবেন, আর যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং পড়তে বেধে বেধে যায় এবং এ কারণে তার উপরে কঠিন হয়ে যায়, তার জন্য দ্বিগুণ নেকী রয়েছে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
তুমি কি দেখনি যে, আজ রাতে আমার ওপর যে কয়েকটি আয়াত নাযিল হয়েছে তার ন্যায় মর্যাদাময় আর কোনো আয়াতই দেখা যায়নি? তা হলো সূরা ফালাক এবং সূরা নাস।
عربي الإنجليزية الأوردية
“কিয়ামাত কায়েম হবে না, যতক্ষণ না সূর্য তার অস্তাচল থেকে উদয় হবে, যখন তা উদয় হবে আর সকল মানুষ তা প্রত্যক্ষ করবে, তখন সবাই ঈমান আনবে
عربي الإنجليزية الأوردية
“মৃত্যুকে সাদা-কালো মিশ্রিত একটি ভেড়ার আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা আহলুল কিতবাদের বিশ্বাস করবে না আবার অস্বীকারও করবে না। বরং তোমরা বলবে: آمَنَّا بِاللهِ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْنَا যার অর্থ: আমরা আল্লাহর উপরে এবং আমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তার উপরে ঈমান এনেছি।
عربي الإنجليزية الأوردية
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ বিসমিল্লাহ.. নাযিল হওয়া ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সূরার পার্থক্য বুঝতেন না।
عربي الإنجليزية الأوردية
“কুরআনের ধারককে বলা হবে: তুমি পাঠ কর এবং উপরে উঠতে থাক। তারতীল সহকারে সুন্দর করে পাঠ করবে যেভাবে তুমি দুনিয়াতে তারতীল সহকারে সুন্দর করে পাঠ করতে। নিশ্চয় তোমার সর্বশেষ পাঠকৃত আয়াতের স্থানেই তোমার আবাসস্থল।”
عربي الإنجليزية الأوردية
তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দশটি করে আয়াত পাঠ করতেন, তারপরে তারা পরবর্তী দশটি আয়াত আর গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এ আয়াতগুলোর মধ্যে থাকা ইলম ও আমল সম্পর্কে তারা জানতে পারতেন
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আবুল মুনযির! তুমি কি জান, তোমার সাথে থাকা আল্লাহর কিতাবের কোন আয়াতটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? তখন আমি বললাম: اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ [আল-বাকারা:২৫৫]। এ কথা শুনে তিনি আমার বুকের উপর হাত মেরে বললেন: হে আবুল মুনযির! তোমার ইলমকে স্বাগত।”
عربي الإنجليزية الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন তিনি তার দু হাতের তালু একত্রিত করে সূরা ইখ্লাস {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ}, সূরা ফালাক {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} ও সূরা নাস {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ}
عربي الإنجليزية الأوردية
الْيَهُودُ مَغْضُوبٌ عَلَيْهِمْ، وَالنَّصَارَى ضُلَّالٌ». “ইয়াহুদীরা হলো ক্রোধে নিপতিত, আর খৃস্টানরা হলো পথভ্রষ্ট।”
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তুমি কাউকে দেখবে সে এমন কিছুর অনুসরণ করছে, যার মধ্যে অস্পষ্টতা রয়েছে, তাহলে জেনে রাখবে, তারাই হচ্ছে ঐ সমস্ত লোক যাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন- ‘তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থাকবে
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমার সাথে তারা যে খিয়ানত করেছে, অবাধ্য হয়েছে এবং মিথ্যা বলেছে আর তুমি এ সবের জন্য তাদের যে শাস্তি দিয়েছ তা হিসাব করা হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আপনি যা বলেন এবং যেদিকে আহবান করেন, তা অতি উত্তম। আমাদের যদি অবগত করতেন, আমরা যা করেছি, তার কাফ্ফারা কী
عربي الإنجليزية الأوردية
হে জনমণ্ডলী! তোমাদের হতে আল্লাহ তা’আলা জাহিলিয়াত যুগের দম্ভ ও অহংকার এবং পূর্বপুরুষের অহংকার বাতিল করেছেন
عربي الإنجليزية الأوردية
{ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ}
عربي الإنجليزية الأوردية
একদিন নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “তুমি কুরআন পাঠ কর”
عربي الإنجليزية الأوردية
কেবল দু’টি বিষয়ে ইর্ষা করা যায়: (১) যাকে আল্লাহ তাআলা সম্পদ দিয়েছেন এবং তাকে বৈধ পন্থায় অকাতরে ব্যয় করার ক্ষমতাও দিয়েছেন।(২) যাকে আল্লাহ তাআলা প্রজ্ঞা দান করেছেন। সে তার মাধ্যমে বিচার ফয়সালা করে ও তা অন্যকে শিক্ষা দেয়।
عربي الإنجليزية الأوردية
তিনি বাইতুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে বললেন, এটিই ঐ সত্ত্বার দাঁড়ানোর স্থান, যার উপর সূরা বাকারাহ নাযিল হয়েছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে সৈন্যদলের আমীর বানিয়ে পাঠান। সে সাথীদের নিয়ে পড়ত, তবে সূরা ইখলাস দ্বারা কিরাত শেষ করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
কুরআনের ধারকের উদাহরণ হলো বাঁধা উটের মালিকের মতো: যদি সে তাদের যত্ন নেয়, তবে সে তাদের রাখতে পারবে, কিন্তু যদি সে তাদের ছেড়ে দেয়, তবে তারা চলে যাবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
আপনি আপনাকে দেয়া দু’টি নূর বা আলোর সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আপনার পূর্বে আর কোনো নবীকে তা দেয়া হয়নি। আর ঐ দু’টি নূর হল ফাতিহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহা এবং সূরা আল বাকারাহ-এর শেষাংশ। এর যে কোনো হরফ আপনি পড়বেন তার মধ্যকার প্রার্থিত বিষয় আপনাকে দেয়া হবে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
একদা একটি লোক সূরা কাহাফ পাঠ করছিল। তার পাশেই দুটো রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমাকে দাউদের সুললিত কণ্ঠের মত মধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে।
عربي الإنجليزية الأوردية
কিয়ামতের দিন কুরআন ও কুরআনের ধারকদ- যারা তার ওপর দুনিয়াতে আমল করত. তাদের উপস্থিত করা হবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবন হাযামকে যে চিঠি লিখেছেন তাতে রয়েছে যে, “পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কেউ কুরআনকে স্পর্শ করবে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা এই কিতাব দ্বারা কতক লোককে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন এবং কতককে অবনমিত করেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমরা কুরআন পাঠ কর। কারণ কিয়ামতের দিন তার পাঠকারীর জন্য সে শাফা’আতকারী হিসেবে আসবে
عربي الإنجليزية الأوردية
যখন তোমরা আলহামদু লিল্লাহ পড়ো, তখন তোমরা বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়। এটি কুরআনের মা, কিতাবের মা এবং সাতটি প্রশংসনীয় আয়াত। আর বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম তার একটি।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমরা ছিলাম শক্তিশালী এবং সক্ষম যুবক। আমরা কুরআন শেখার পূর্বে ঈমান শিখেছি, অতঃপর কুরআন শিখেছি এবং তার দ্বারা আমাদের ঈমান বেড়ে যায়।
عربي الإنجليزية الأوردية
“প্রত্যেক নবীকে তাঁর যুগের প্রয়োজন মুতাবিক কিছু মুজিযা দান করা হয়েছে, যা দেখে লোকেরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছে
عربي الإنجليزية الأوردية
আনাস-কে নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ’কিরাআত’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, তাঁর ’কিরাআত’ কেমন ছিল? উত্তরে তিনি বললেন, “তাঁর কিরাআত মাদ বিশিষ্ট ছিল”
عربي الإنجليزية الأوردية
তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিরাআত
عربي الإنجليزية الأوردية
শরীর নাপাক না হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সর্বাবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করাতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
“সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন। এ সূরা হচ্ছে সমগ্র কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।”
عربي الإنجليزية الإندونيسية
বরং তোমরা বল; শুনলাম ও মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর তোমার কাছেই আমরা ফিরে যাব”
عربي الإنجليزية الأوردية
আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, তা যদি আমাদের ইয়াহুদী জাতির উপর অবতীর্ণ হত, তবে অবশ্যই আমরা সে দিনকে খুশীর দিন হিসেবে পালন করতাম
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহ্‌ তা‘আলা এই আয়াতগুলো নাযিল করেছেন: {وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ} — “আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা অনুযায়ী বিচার করে না, তারাই কাফির”।
عربي الإنجليزية الأوردية
গায়েবের চাবি পাঁচটি
عربي الإنجليزية الأوردية
“যারা হাজীদের পানি সরবরাহ করে এবং মসজিদুল হারামের রক্ষণাবেক্ষণ করে তোমরা কি তাদেরকে ওদের সমান করো, যারা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান আনে ..." [তাওবাহ:১৯] আয়াতটি শেষ পর্যন্ত।
عربي الإنجليزية الأوردية
যদি কোন মানুষ আদানের মত দূরত্বে থাকাকালীন সেখানে অন্যায় করার ইচ্ছা করে, তবে আল্লাহ তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাবেন।
عربي الإنجليزية الإندونيسية
“আমার প্রতি এমন আয়াত নাযিল হয়েছে, যা সমগ্র দুনিয়া থেকে আমার কাছে অধিক প্রিয়”।
عربي الإنجليزية الإندونيسية
উমার আমাকে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শায়খদের সঙ্গে (তাঁর সভায়) প্রবেশ করাতেন। তাঁদের মধ্যে কিছু লোক যেন মনে মনে ক্ষুব্ধ হলেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পূর্বে (পূর্বাপেক্ষা) বেশি অহী নিরবচ্ছিন্নভাবে অবতীর্ণ করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা কিয়ামতের দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের শুরু থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের হাত থেকে রক্ষা পাবে।" অন্য বর্ণনায় আছে: “সূরা আল-কাহফের শেষ থেকে।”
عربي الإنجليزية الأوردية
“(আজ রাতে) আমার ওপর কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে, তার মতো আর কোনো আয়াতই দেখা যায়নি। তা হলো: সূরাহ ফালাক্ব এবং সূরাহ নাস।”
عربي الإنجليزية الإندونيسية
সাবধান! শরাব এখন হতে হারাম করে দেয়া হয়েছে।
عربي الإنجليزية الإندونيسية