হাদীসসমূহের তালিকা
“আমি তোমাদের ওপর যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হচ্ছে ছোট শির্ক।” সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ছোট শির্ক কী? তিনি বলেন: রিয়া (লোক দেখানো)
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“হে আল্লাহ ! যে আমার উম্মাতের কর্তৃত্ব লাভকারী যদি তাদের প্রতি রূঢ় আচরণ করে তুমি তার প্রতি রূঢ় হও, আর আমার উম্মাতের কর্তৃত্ব লাভকারী যদি তাদের প্রতি নম্র আচরণ করে,তুমি তার প্রতি নম্র ও সদয় হও।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকল মানুষের মধ্যে উত্তম চরিত্রের অধিকারী।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র আল-কুরআনই।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জুতা পরা, মাথা আঁচড়ানো, পবিত্রতা অর্জন করা এবং তাঁর সকল কাজে ডান দিক পছন্দ করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমনভাবে হাঁ করে হাসাবস্থায় দেখিনি যে, তাঁর আলা জিহ্বা দেখা যেত। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
”নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমি দশ রাক‘আত সালাত আমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রেখেছি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে (সালাতের জন্য) উঠতেন তখন মিসওয়াক দিয়ে মুখ কচলিয়ে পরিষ্কার করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে আমি কি এমন কথা বলব না, যা কোন নবীই তাঁর জাতিকে বলেননি? তা এই যে, সে হবে কানা। আর সে নিজের সাথে নিয়ে আসবে জান্নাত ও জাহান্নামের মত কিছু।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ"। (আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মাবূদ নেই) আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর এ পরিমাণ খুলে গেছে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্দরমহলে থাকা কুমারীর চেয়ে বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি কোন জিনিস অপছন্দ করতেন আমরা তাঁর চেহারায় তা বুঝতে পারতাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে এশার সলাতের প্রথম দু‘ রাক‘আতের এক রাক‘আতে সূরাহ্ তীন ওযযাইতুন পাঠ করেন। আমি তার ছেয়ে অধিক সুন্দর আওয়াজ ও তিলাওয়াতকাকী আর কাউকে শুনিনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সলাতের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি তাঁর হাত অথবা কাপড় মুখের উপরে রাখতেন এবং তিনি তাঁর আওয়াজকে নিচু অথবা নমনীয় করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা ছিল পৃথক পৃথক, যারাই তা শুবণ করত বুঝে যেত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমার উম্মতের জন্যে যদি কষ্টসাধ্য না হতো, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ার হয়ে ও পায়ে হেঁটে (মসজিদে) কুবার যিয়ারত করতেন। অতঃপর তাতে দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাপাক অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করতাম এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি নিম্নাংশে ইযার পরে নিতাম। আর আমার মাসিক স্রাব অবস্থায় তিনি আমার শরীরের সাথে শরীর লাগিয়ে শয়ন করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এক রাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ইশার সালাত আদায় করতে দেরী করছিলেন, তখন ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু উঠে গিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললনে, ‘আস-সালাত’ হে আল্লাহর রাসূল! বাচ্চা ও নারীরা ঘুমিয়ে পড়ার উপক্রম। তারপর তিনি বের হলেন তার মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। আর তিনি বলছিলেন “যদি আমার উম্মাতরে জন্য কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে এ সালাত এ সময়ে আদায় করার নির্দেশ দিতাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
দৈহিক ব্যথা বা অন্য কোন অসুবিধার কারণে যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের সালাত ছুটে যেত, তাহলে তিনি দিনের বেলায় ১২ রাকাত সালাত পড়তেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার ও লোকদের উদাহরণ এমন লোকের মতো, যে আগুন জ্বালালো, তখন কীট-পতঙ্গসমূহ আগুনে পড়তে লাগলো। সে সেগুলোকে আগুন থেকে ফিরানোর চেষ্টা করল। আমিও তোমাদের কোমর ধরে আগুন থেকে বাঁচাবার চেষ্টা করছি। কিন্তু তোমরা আমার সামনেই পতিত হচ্ছ।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আর দিন ফজরের সালাতে আলিফ লাম মীম তানযীলু সাজদাহ এবং সূরা আদ-দাহার পড়তেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে কয়েক রাত অনাহারে কাটাতেন এবং পরিবার-পরিজনরা রাতের খাবার পেতেন না। আর তাদের অধিকাংশ রুটি হত যবের।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমস্ত লোকের চেয়ে অধিক দানশীল ছিলেন। আর মাহে রমযানে যখন জিব্রাঈল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো বেশী বদান্য প্রদর্শন করতেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
চুলওয়ালা, লাল পোশাক পরিহিত কোন লোককে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেয়ে সুন্দর দেখিনি
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ডান হাত তাঁর ওযূ ও আহারের জন্য ব্যবহার হত এবং বাম হাত তাঁর পেশাব-পায়খানা ও কষ্টদায়ক বস্তু স্পর্শ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার হত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন তখন আমি ও আমার মত একটি ছেলে পানির পাত্র এবং ‘আনাযা’ (এমন লাঠি যার মাথায় লোহা লাগানো থাকে) নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নিজেকে স্বপ্নে দাঁতন করতে দেখলাম। অতঃপর দু’জন লোক এল, একজন অপরজনের চেয়ে বড় ছিল। আমি ছোটজনকে দাঁতনটি দিলাম, তারপর আমাকে বলা হল, ‘বড়জনকে দাও।’ সুতরাং আমি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটিকে (দাঁতন) দিলাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমামাহ বিনতে যয়নাব বিনতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বহন করে সালাত আদায় করতনে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে যেভাবে সলাত আদায় করতেন তোমাদের নিয়ে সেভাবে সালাত আদায় করতে আমি ত্রুটি করবো না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চয় আল্লাহ যা নিয়েছেন ও যা দিয়েছেন সব তারই। তাঁর নিকট সকল কিছুরই একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সাওয়াবের অপেক্ষায় থাকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ তাআলা গোটা যমীনকে একত্রিত করে আমার সামনে পেশ করলেন। তখন আমি যমীনের পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্ত দেখে নিলাম। পৃথিবীর ততটুকু স্থান আমাকে দেখানো হয়েছে আমার উম্মতের শাসন বা রাজত্ব সে পর্যন্ত বিস্তার লাভ করবে। লাল ও সাদা দু’টি ধন-ভাণ্ডার আমাকে দেওয়া হলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন কথা বলতেন তখন তা বুঝে নেয়ার জন্য তিনবার বলতেন। আর যখন তিনি কোন গোত্রের নিকট এসে সালাম দিতেন, তাদের প্রতি তিনবার সালাম দিতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমার মনে পড়ল যে, কিছু (সোনা বা চাঁদি) আমাদের নিকট রয়ে গেছে। তাই আমাকে আল্লাহর স্বরণে সেগুলোর বাঁধা দেওয়াকে পছন্দ করলাম না, ফলে তা (দ্রুত) বন্টন করার আদেশ দিলাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে তিনি চর্মনির্মিত লাল রঙের শিবিরে অবস্থান করছিলেন। বিলাল তাঁর ওযূর পানি নিয়ে বাইরে বের হলেন। কিছু লোক (বরকত হাসিল করার জন্য) উক্ত পানির ছিটা পেল আর কিছু সংখ্যক লোক পানি পেল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তাকে তাই দিয়ে দাও। তোমাদের মধ্যে সেই সর্বোত্তম যে ঋণ পরিশোধের বেলায় উত্তম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি একরাত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি সূরা আল-বাকারাহ শুরু করলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমার বিশ্বাস তোমরা শুনেছ, আবূ উবাইদাহ বাহরাইন থেকে কোনো কিছু নিয়ে এসেছেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
কোন কোন মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে রোযা ত্যাগ করতেন যে, মনে হত তিনি উক্ত মাসে আর রোযা রাখবেন না। অনুরূপভাবে কোন মাসে এমনভাবে রোযা রাখতেন যে, মনে হত তিনি ঐ মাসে আর রোযা ত্যাগই করবেন না। (তাঁর অবস্থা এরূপ ছিল যে,) যদি তুমি না চাও যে, তাকে সালাত রত অবস্থায় দেখবে, তবে অবশ্যই তাকে সেরূপ দেখতে পাবে, আর যদি তুমি না চাও যে, তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখবে, তবে অবশ্যই তাকে সেরূপ দেখতে পাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কোনো কিছু চাওয়া হলে তিনি কখনো না বলতেন না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পানি মেশানো দুধ পেশ করা হল।তখন তার ডান পাশে ছিল জনৈক গ্রাম্য লোক। বাম পাশে ছিল আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি পান করলেন, অতঃপর গ্রাম্য লোকটিকে দিলেন এবং বললেন, ডান দিক অতঃপর ডান দিক।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন মাথায় কালো পাগড়ি পরিধান করে মক্কায় প্রবেশ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পান করার সময় তিনবার শ্বাস নিতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কখনো নফল আমল করতে পছন্দ করা সত্ত্বেও এই ভয়ে ছেড়ে দিতেন যে, লোকেরা তা আমল করবে এবং তার ফলে তাদের ওপর তা ফরয করে দেওয়া হবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর (জাবেরের) নিকট থেকে একটি উট ক্রয় করলেন। সুতরাং তিনি তার মূল্য পরিশোধ করার সময় (স্বর্ণ-রৌপ্য প্রাপ্য অপেক্ষা) ওজনে বেশি দিলেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি সালাতে দাঁড়াই এবং সেটাকে লম্বা করতে চাই, কিন্তু বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনতে পাই। তাই আমার সালাত দ্রুত করি, কারণ তার মাকে কষ্ট দিতে অপছন্দ করি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া উঠিয়ে নেন, তবে আমি কি পারব সেটা ফিরিয়ে আনতে?
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক সকালে বের হলেন, তখন তাঁর দেহে পালানের ছবি ছাপা কাল লোমের চাদর ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি নিতম্বের উপর ভর দিয়ে দুই হাঁটু দাঁড় করিয়ে খেজুর খাচ্ছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, তার গায়ে দু’টি সবুজ কাপড় ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওমে বেসাল থেকে নিষেধ করলেন। লোকেরা বললো, আপনি যে সাওমে বেসাল পালন করেন! তিনি বললেন: আমি তোমাদের মতো নই, আমাকে পানাহার করানো হয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সবচেয়ে প্রিয় পোশাক ছিলো কামিস (সেলাই করা জামা)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একটি খেজুর গাছের গুঁড়ি (খুঁটি) ছিল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবা দানকালে দাঁড়িয়ে তাতে হেলান দিতেন। তারপর যখন (কাঠের) মিম্বর (তৈরি করে) রাখা হলো, তখন আমরা দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীর শব্দের ন্যায় গুঁড়িটির (কান্নার) শব্দ শুনতে পেলাম। পরিশেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিম্বর হতে) নেমে নিজ হাত তার উপর রাখলে সে শান্ত হলো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চলছিলাম, তখন তার গায়ে মোটা পেড়ে একখানি নাজরানী চাদর ছিল। অতঃপর পথে এক বেদুঈনের সঙ্গে দেখা হল। সে তাঁর চাদর ধরে খুব জোরে টান দিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমার কাছে যা কিছু (মাল) আসে তা আমি তোমাদেরকে না দিয়ে কখনই জমা ক’রে রাখব না। (কিন্তু তোমরা একটি কথা মনে রাখবে,) যে ব্যক্তি চাওয়া থেকে পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন। আর যে ব্যক্তি (চাওয়া থেকে) অমুখাপেক্ষিতা অবলম্বন করবে, আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষি করবেন। যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে ধৈর্য ধারণের [মতা প্রদান করবেন। আর কোন ব্যক্তিকে এমন কোন দান দেওয়া হয়নি, যা ধৈর্য অপেক্ষা উত্তম ও বিস্তর হতে পারে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হয় না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘হে জিব্রীল! তুমি মুহাম্মাদের নিকট যাও—যদিও তোমার রব বেশী জানেন—তারপর তাকে জিজ্ঞেস কর কিসে তাকে কাদাচ্ছে? সুতরাং জিব্রীল তাঁর নিকট এলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সে কথা জানালেন, যা তিনি (তাঁর উম্মত সম্পর্কে) বলেছিলেন—আর আল্লাহ তা অধিক জানেন—অতঃপর আল্লাহ তাআলা বললেন, ‘হে জিব্রীল! তুমি (পুনরায়) মুহাম্মাদের কাছে যাও এবং বল, আমি তোমার উম্মতের ব্যাপারে তোমাকে সন্তুষ্ট ক’রে দেব এবং অসন্তুষ্ট করব না”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মদীনার কোনো দাসী চাইলেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত ধরে যেখানে ইচ্ছা তাকেসহ যেতে পারত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা আমাকে আমার চাদরখানি দাও। যদি আমার নিকট এসব (অসংখ্য) কাঁটা গাছের সমান উঁট থাকত, তাহলে আমি তা তোমাদের মধ্যে বণ্টন ক’রে দিতাম। অতঃপর তোমরা আমাকে কৃপণ, মিথ্যুক বা কাপুরুষ পেতে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তাকে ছেড়ে দাও এবং তার পেশাবের উপর এক কলস অথবা এক বালতি পানি ঢেলে দাও। কেননা তোমাদেরকে সহজ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, কঠোরতা করার জন্য পাঠানো হয় নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সালাত আদায় করতাম। তাঁর সালাতও মধ্যম ধরনের হতো এবং তাঁর খুৎবাও মধ্যম ধরনের হতো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ইয়াহূদীর নিকট থেকে কিছু খাবার কিনেন ও তার নিকট লোহার বর্ম বন্ধক রাখেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একজন ইয়াহূদী বালক নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেবা করত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যদি আমাকে হালাল পশুর পায়া বা হাতা খেতে আহ্বান করা হয় বা হাদিয়া দেওয়া হয় তাহলে আমি তা গ্রহণ করবো।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালু অপেক্ষা মোলায়েম কোনো মোটা রেশমী কাপড় কিংবা ছিকন রেশমি কাপড় স্পর্শ করিনি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে জিহাদ ব্যতীত তাঁর নিজ হাতে কোনো দিন কাউকে মারেন নি, কোনো স্ত্রীকেও না, খাদিমকেও না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ তালহা (আমার মা) উম্মে সুলাইমকে বললেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কণ্ঠ স্বরটা খুব ক্ষীণ শুনলাম। আমি বুঝতে পারলাম, তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার নিকট কিছু আছে কি?’ উম্মে সুলাইম বললেন, ‘হ্যাঁ।’ অতঃপর তিনি কিছু যবের রুটি তার ওড়নার এক অংশ দিয়ে বেঁধে গোপনে আমার কাপড়ের নিচে গুঁজে দিলেন। আর অপর অংশ আমার গায়ে জড়িয়ে দিয়ে আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঠালেন। আমি তা নিয়ে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে বসা অবস্থায় পেলাম। তাঁর সাথে কিছু লোক ছিল। আমি তাদের নিকটে গিয়ে দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “তোমাকে আবূ তালহা পাঠিয়েছে?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “খাবারের জন্যে ?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর (সাথীদেরকে) বললেন, “ওঠ।” সুতরাং তাঁরা রওনা হল। আমিও তাঁদের আগে আগে চলতে লাগলাম এবং আবূ তালহার নিকট এসে খবর জানালাম। তখন আবূ তালহা বললেন, ‘হে উম্মে সুলাইম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদেরসহ আমাদের নিকট এসেছেন, অথচ আমাদের নিকট সবাইকে খাওয়ানোর মত খাদ্য সামগ্রী নেই (এখন কী করা যায়)?’ উম্মে সুলাইম বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভাল জানেন।’ অতঃপর আবূ তালহা (আগে) গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গে আগমন করলেন এবং উভয়ে ঘরে প্রবেশ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে উম্মে সুলাইম! তোমার নিকট যা আছে নিয়ে এসো।’ সুতরাং তিনি ঐ রুটিগুলো এনে হাজির করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলিকে টুকরা টুকরা করতে আদেশ করলেন। অতঃপর তার উপর উম্মে সুলাইম ঘিয়ের পাত্র ঢেলে তরকারি বানালেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে আল্লাহর ইচ্ছায় যা বলার বললেন। তারপর বললেন, “দশজনকে আসতে বল।” তখন দশজনকে আসতে বলা হল। তারা এসে পরিতৃপ্তি সহকারে খেয়ে বেরিয়ে গেল। তারপর বললেন, “আরো দশজনকে আসতে বল।” তখন আরও দশজন এসে খেয়ে তৃপ্ত হল। আগত লোকদের সংখ্যা ছিল ৭০ কিংবা ৮০ জন। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম) অন্য বর্ণনায় আছে, দশজন ক’রে প্রবেশ করতে ও বের হতে থাকল। এমনকি শেষ পর্যন্ত এমন কোন ব্যক্তি বাকী রইল না, যে প্রবেশ করে পরিতৃপ্তি সহকারে খায়নি। অতঃপর ঐ খাবার জমা ক’রে দেখা গেল যে, খাওয়ার আগের মতই বাকী রয়েছে। অন্য বর্ণনায় আছে, তারা দশ দশজন ক’রে খাবার খেল। এইভাবে শেষ পর্যন্ত ৮০ জন লোককে তিনি খাওয়ালেন। সবশেষে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং গৃহবাসীরা খেলেন এবং তাঁরাও কিছু (খাবার) ছেড়ে দিলেন। অন্য বর্ণনায় আছে, অতঃপর তাঁরা এত খাবার অবশিষ্ট রাখলেন যে, তা প্রতিবেশীদের নিকট পৌঁছে দিলেন। অন্য বর্ণনায় আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এলাম, তারপর দেখলাম যে, তিনি তাঁর সাথীদের সঙ্গে বসে আছেন। তখন তিনি তাঁর পেটে পট্টি বেঁধে ছিলেন। আমি তাঁর কিছু সাথীকে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন তাঁর পেটে পট্টি বেঁধে আছেন।’ তাঁরা বললেন, ‘ক্ষুধার কারণে।’ অতঃপর আমি (আমার মা) উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহানের স্বামী আবূ তালহার নিকট গেলাম এবং বললাম, ‘আব্বা! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পেটে পট্টি বাঁধা অবস্থায় দেখলাম। আমি তাঁর কিছু সাথীকে (এর কারণ) জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা বললেন, ক্ষুধা।’ অতঃপর আবূ তালহা আমার মায়ের নিকট গিয়ে বললেন, ‘তোমার কাছে কিছু আছে কি?’ মা বললেন, ‘হ্যাঁ, আমার কাছে কয়েক টুকরো রুটি এবং কিছু খেজুর আছে। যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট একাই আসেন, তাহলে তাঁকে পরিতৃপ্তি সহকারে খাওয়াব; আর যদি তাঁর সাথে অন্য লোকও এসে যায়, তাহলে তাঁদের জন্য এ খাবার কম হয়ে যাবে।’ অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীস উল্লেখ করেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
ইয়াহূদীরা ঋতুবতী মহিলাদের সাথে ঘরে একত্রে খেত না এবং তাদের সাথে মেলামেশা করত না। তখন রাসূলের সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেন, “লোকে আপনাকে ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, তা অশুচি। অতএব, তোমরা ঋতুস্রাবকালে স্ত্রীসঙ্গ ত্যাগ করো” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২২২]
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমতাবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেছি যে, কান্নার কারণে তার বুকের মধ্যে চাক্কির আওয়াজের মতো আওয়াজ ছিল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায়ের পর সূর্য স্পষ্টভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সালাতের জায়গায় বসে থাকতেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে আল্লাহ! আমি তো একজন মানুষ। সুতরাং আমি কোন মুসলিমকে গাল-মন্দ করলে কিংবা তাকে অভিশাপ করলে অথবা আঘাত করলে তখন তুমি তার জন্য তা পবিত্রতা ও রহমত অর্জনের উপায় বানিয়ে দিও।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারবর্গ একদিনে দু’বেলা খানা খাননি যার একবেলা খুর্মা ছিল না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আসার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পরিবারের লোকেরা এক নাগাড়ে তিন রাত গমের রুটি পেট পুরে খাননি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিছানা ছিল চামড়ার তৈরি এবং তার ভেতরে ছিল খেজুরের ছাল
عربي
الإنجليزية
الأوردية
‘রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মৃত্যুকালে তাঁর সাদা খচ্চরটি, তাঁর হাতিয়ার এবং সে জমিন যা তিনি সাদাকা করেছিলেন, তাছাড়া কোন স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা, কোন দাস-দাসী কিংবা কোন জিনিস রেখে যাননি।’
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“আমি তো অভিসম্পাতকারীরূপে প্রেরিত হইনি; বরং প্রেরিত হয়েছি রহমত স্বরূপ”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাত্হায় অবস্থিত সানিয়্যা ‘উলয়ার কাদা নামক স্থান দিয়ে মাক্কায় প্রবেশ করেন এবং সানিয়্যা সুফলার দিক দিয়ে বের হন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে এক রাতে সালাত পড়েছি। তিনি এত দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে রইলেন যে, শেষ পর্যন্ত আমি একটা মন্দ কাজের ইচ্ছা করেছিলাম। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘সে ইচ্ছাটা কি করেছিলেন?’ তিনি বললেন, ‘আমার ইচ্ছা হয়েছিল যে, তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বসে পড়ব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমার মশকে যদি রাতের পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাও। আর না থাকলে আমরা সরাসরি ঝর্ণায় মুখ লাগিয়ে চুমুক দিয়ে পান করব।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নিশ্চিয় আল্লাহ আমাকে ভদ্র বান্দা করেছেন উদ্ধত ও হঠকারী করেন নি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একটি (হাতে) বুনা চাদর নিয়ে এল।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
এরা আমাকে দু’টির মধ্যে একটি গ্রহণ করতে বাধ্য করেছে। হয় তারা আমার নিকট অভদ্রতার সাথে চাইবে অথবা তারা আমাকে কৃপণ আখ্যায়িত করবে, অথচ আমি কৃপণ নই।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
পঞ্চম : জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে নাজ্দের (বর্তমানে রিয়াদ অঞ্চল) দিকে জিহাদে রওনা হলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বাড়ী) ফিরতে লাগলেন, তখন তিনিও তাঁর সঙ্গে ফিরলেন। (রাস্তায়) প্রচুর কাঁটাগাছ ভরা এক উপত্যকায় তাঁদের দুপুরের বিশ্রাম নেওয়ার সময় হল। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বিশ্রামের জন্য) নেমে পড়লেন এবং (সাহাবীগণও) গাছের ছায়ার খোঁজে তাঁরা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাবলার গাছের নীচে অবতরণ করলেন এবং তাতে স্বীয় তরবারি ঝুলিয়ে দিলেন, আর আমরা অল্পের জন্য ঘুমিয়ে গেলাম। অতঃপর হঠাৎ (আমরা শুনলাম যে,) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ডাকছেন। সেখানে দেখলাম যে, একজন বেদুঈন তাঁর কাছে রয়েছে। তিনি বললেন, “আমার ঘুমের অবস্থায় এই ব্যক্তি আমার তরবারি খুলে আমার উপর ধরে আছে। অতঃপর আমি যখন জাগলাম, তখন তরবারিখানি তার হাতে খুলা অবস্থায় দেখলাম। (তারপর) সে আমাকে বলল, ‘আমা হতে তোমাকে কে বাঁচাবে?’ আমি বললাম, ‘আল্লাহ!’ এ কথা আমি তিনবার বললাম।” তিনি তাকে কোন শাস্তি দিলেন না। অতঃপর তিনি বসে গেলেন। (বুখারী ও মুসলিম২)
অন্য এক বর্ণনায় আছে জাবের বলেন যে, আমরা ‘যাতুর রিকা’তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর (ফিরার সময়) যখন আমরা ঘন ছায়াবিশিষ্ট একটি গাছের কাছে এলাম, তখন তা রাসূলুল্লাহ-এর জন্য ছেড়ে দিলাম। (তিনি বিশ্রাম করতে লাগলেন।) ইতিমধ্যে একজন মুশরিক এল। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তরবারি গাছে ঝুলানো ছিল। তারপর সে তা (খাপ থেকে) বের ক’রে বলল, ‘তুমি আমাকে ভয় করছ?’ তিনি বললেন, “না।” সে বলল, ‘তোমাকে আমার হাত থেকে কে বাঁচাবে?’ তিনি বললেন, “আল্লাহ।”
বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তার হাত থেকে তরবারিটি পড়ে গেল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তরবারিখানি তুলে নিয়ে বললেন, “(এবার) তোমাকে আমার হাত থেকে কে বাঁচাবে?” সে বলল, ‘তুমি উত্তম তরবারিধারক হয়ে যাও।’ অতঃপর তিনি বললেন, “তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ (সত্য) উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল?” সে বলল, ‘না। কিন্তু আমি তোমার কাছে অঙ্গীকার করছি যে, তোমার বিরুদ্ধে কখনো লড়বো না। আর আমি সেই সম্প্রদায়েরও সাথ দেবো না, যারা তোমার বিরুদ্ধে লড়বে।’ সুতরাং তিনি তার পথ ছেড়ে দিলেন। অতঃপর সে তার সঙ্গীদের নিকট এসে বলল, ‘আমি তোমাদের নিকটে সর্বোত্তম মানুষের কাছ থেকে এলাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“ঐ সম্প্রদায়ের কি হলো যে, তারা এ ধরনের কথা বলে? কিন্তু আমি সালাত আদায় করি এবং নিদ্রাও যাই, সাওম পালন করি, ইফতার করি এবং নারীদেরও বিয়ে করি। সুতরাং যে আমার সুন্নত হতে মুখ ফিরিয়ে নিবে, সে আমার দলভুক্ত নয়।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যখনই দু’টি জিনিসের একটি গ্রহণের ইখতিয়ার দেওয়া হতো, তখন তিনি অধিকতর সহজ সরলটি গ্রহণ করতেন যদি তা গোনাহ না হতো। যদি গোনাহ হতো তবে তা থেকে তিনি অনেক দূরে সরে থাকতেন
عربي
الإنجليزية
الأوردية
لَمْ يَكُنْ فَاحِشًا وَلَا مُتَفَحِّشًا وَلَا صَخَّابًا فِي الْأَسْوَاقِ، وَلَا يَجْزِي بِالسَّيِّئَةِ السَّيِّئَةَ وَلَكِنْ يَعْفُو وَيَصْفَحُ.
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো অশ্লীল বা অশ্লীলতা লালন-কারী ব্যক্তি ছিলেন না। তিনি বাজারে গিয়ে কখনো হট্টগোল করতেন না। আর মন্দের প্রতিদান মন্দ দ্বারা দিতেন না বরং তিনি ক্ষমা করে দিতেন।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية