হাদীসসমূহের তালিকা
“নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ঐ বান্দাহর প্রতি সন্তুষ্ট হন, যে খাবার খায়, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করে অথবা পানি পান করে, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলো এবং ডান হাতে আহার কর আর তোমার কাছে থেকে খাও
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যখন তোমাদের কেউ খায়, তখন সে যেন ডান হাতে খায় আর যখন পান করে সে যেন ডান হাতে পান করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় ও বাম হাতে পান করে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
”তোমাদের কেউ প্রসাব করার সময়ে যেন তার পুরুষাঙ্গ ডান হাত দিয়ে না ধরে, ডান হাত দ্বারা মলদার পরিষ্কার না করে এবং (পান করার সময়) পানির পাত্রে যেন নিঃশ্বাস না ফেলে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
أَنَّ رَجُلًا أَكَلَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشِمَالِهِ، فَقَالَ: «كُلْ بِيَمِينِكَ»، قَالَ: لَا أَسْتَطِيعُ، قَالَ: «لَا اسْتَطَعْتَ
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ-ত্রুটি বলেন নি। ভালো লাগলে তিনি খেতেন এবং খারাপ লাগলে বর্জন করতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যখন তোমাদের কেউ খাবার খায় তখন সে তার হাত নিজে চাটা অথবা চাটানো ছাড়া হাত মুছবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
মদ হারাম হওয়ার বিধান নাযির হয়েছে। আর তা পাঁচটি জিনিষ থেকে হয়ে থাকে। আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও জব থেকে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“যে খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি, শয়তান সে খাদ্যকে হালাল মনে করে
عربي
الإنجليزية
الأوردية
শোনো! যদি এ ব্যক্তি ‘বিসমিল্লাহ’ বলত, তাহলে এ খাবারই তোমাদের সবার জন্য যথেষ্ট হত।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
“তোমরা একত্রে আহার করো এবং খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করো, তাহলে তোমাদের খাদ্যে বরকত দেয়া হবে”।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একসঙ্গে খাবার সময় তোমরা দু’টি খেজুর একসাথে খেয়ো না। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এভাবে জোড়া করতে নিষেধ করেছেন। অতঃপর তিনি বলেন: তবে কেউ তার ভাইয়ের অনুমতি নিলে সে ভিন্ন কথা।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
সে আমাদের অনুসরণ করে চলে এসেছে। তুমি চাইলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিবে, অন্যথায় সে ফিরে যাবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতে দেখেছি।খাবার শেষে তিনি সেগুলো চেখে খেতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
যে ব্যক্তি মানুষকে পান করায় সে সবার শেষে পান করবে।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যমযম পান করিয়েছি। তিনি দাঁড়িয়ে তা পান করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে হাঁটা অবস্থায় আহার করেছি এবং দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছি।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কেউ দাঁড়িয়ে পান করবে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমাদের কেউ যেন কখনই দাঁড়িয়ে পান না করে। আর যদি ভুলে যায়, তাহলে সে যেন বমি করে দেয়।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশক অথবা পানির বড় পাত্রের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে বারণ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ বাঁকিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানীয় বস্তুতে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে পানীয় পরিবেশন করা হলে তিনি তা থেকে পান করলেন, আর তাঁর ডান দিকে ছিল একটি বালক
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খাবার খেতেন, তখন তার তিন আঙ্গুলই চাটতেন।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
দু’জনের খাবার তিনজনের জন্যে যথেষ্ট ও তিনজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
তোমরা পাত্র ঢেকে দাও,পানির মশকের মুখ বেঁধে দাও, দরজাসমূহ বন্ধ ক’রে দাও, প্রদীপ নিভিয়ে দাও। কেননা, শয়তান মুখ বাঁধা মশক খুলে না, বন্ধ দরজাও খুলে না এবং পাত্রের ঢাকনাও উম্মুক্ত করে না।
عربي
الإنجليزية
الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবারান্তে আঙ্গুল ও থালা চেটে খাবার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, “তোমরা জান না যে, এর কোনটিতে বরকত নিহিত আছে।”
عربي
الإنجليزية
الأوردية
১৭৯৭- আনাস ইবনে সীরীন হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি অগ্নিপূজক সম্প্রদায়ের কিছু লোকের কাছে আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় রূপার পাত্রে ‘ফালূযাজ’ (নামক এক প্রকার মিষ্টান্ন) আনা হল। তিনি (আনাস ইবনে মালেক) তা খেলেন না। তাদেরকে বলা হল যে, ওটার পাত্র পাল্টে দাও। সুতরাং তা পাল্টে কাঠের পাত্রে রাখা হল এবং তা তাঁর নিকট হাজির করা হল। তখন তিনি তা খেলেন।” হাদীসটি বাইহাকী হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন। আর খালনাজ হচ্ছে জাফনাহ (পাত্র)।
عربي
الإنجليزية
الأوردية