হাদীসসমূহের তালিকা
21
“নিশ্চই হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট
আপনি আমাকে ইসলাম সমন্ধে এমন কথা বলে দিন, আপনার পরে যেনো তা আমাকে আর কারো কাছে জিজ্ঞেস করতে না হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
«قُلْ: آمَنْتُ بِاللهِ، ثُمَّ اسْتَقِمْ».
“তুমি বলো, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। তারপর এর ওপরই প্রতিষ্ঠিত থাকো।”
“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালেমা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দেয়।
“নিশ্চই হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট
“পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ মিযান-দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালেমা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দেয়।
আপনি আমাকে ইসলাম সমন্ধে এমন কথা বলে দিন, আপনার পরে যেনো তা আমাকে আর কারো কাছে জিজ্ঞেস করতে না হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
«قُلْ: آمَنْتُ بِاللهِ، ثُمَّ اسْتَقِمْ».
“তুমি বলো, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। তারপর এর ওপরই প্রতিষ্ঠিত থাকো।”
বিপদাপদ মু’মিন পুরুষ ও নারীর নিজের জান, সন্তান-সন্ততি ও সম্পদে লেগেই থাকে, যতক্ষণা সে তার ওপর পাপ না থাকাবস্থায় আল্লাহর সাক্ষাত করেন।
عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ، وَلَيْسَ ذَاكَ لِأَحَدٍ إِلَّا لِلْمُؤْمِنِ، إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ شَكَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ صَبَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ : “মুমিনের ব্যাপার আশ্চর্যজনক। অবশ্যই তার সকল বিষয় তার জন্য কল্যাণময়। আর এটি মুমিন ছাড়া অন্য কারো জন্য হতে পারে না।
“তুমি দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী”
যে ব্যক্তি গভীর রাত্রিকে ভয় করে সে যেন সন্ধ্যা রাত্রেই সফর শুরু করে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যারাত্রে চলতে শুরু করে সে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়। সাবধান! আল্লাহর পণ্য বড় দামী। শোনো! আল্লাহর পণ্য হলো জান্নাত।
لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ: يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ
‘কিয়ামত ততক্ষণ কায়েম হবে না, যতক্ষণ না এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির কবরের পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় বলবে : হায়! যদি আমি তার স্থলে হতাম ‘
তোমার সাথে তারা যে খিয়ানত করেছে, অবাধ্য হয়েছে এবং মিথ্যা বলেছে আর তুমি এ সবের জন্য তাদের যে শাস্তি দিয়েছ তা হিসাব করা হবে।
তোমরা বহু এমন (পাপ) কাজ করছ, সেগুলো তোমাদের দৃষ্টিতে চুল থেকেও সূক্ষ্ম (নগণ্য)। কিন্তু আমরা সেগুলোকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে বিনাশকারী মহাপাপ বলে গণ্য করতাম।
আল্লাহ তা‘আলা যখন তার কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে তাকে শাস্তি প্রদান করেন। আর যখন তিনি তার কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তাকে তার অপরাধের শাস্তি প্রদান থেকে বিরত থাকেন। যাতে কিয়ামতের দিন তিনি তাকে পুরাপুরি শাস্তি দেন।
একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি রেখা টানলেন এবং বললেন, এটা মানুষ আর এটা তার আয়ু। মানুষ যখন এ অবস্থায় থাকে হঠাৎ নিকটবর্তী রেখা (মৃত্যু) এসে যায়।
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হটাৎ দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি আমাকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিলেন।
“দুনিয়ার সাথে আমার কি সম্পর্ক দুনিয়াতে আমি এমন একজন পথচারী মুসাফির ছাড়া তো আর কিছুই নই, যে একটি গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিল, তারপর তা ছেড়ে দিয়ে গন্তব্যের দিকে চলে গেল”।
“তোমরা এক অপরের প্রতি হিংসা করো না, কেনাবেচাতে জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে এক অপরকে ধোঁকা দিয়ো না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রেখো না, একে অপর থেকে (ঘৃণাভরে) মুখ ফিরায়ো না এবং একে অপরের কেনাবেচার উপর কেনাবেচা করো না। আর আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে যাও।
“তোমরা তোমাদের তুলনায় নিম্নস্তরের লোকদের প্রতি তাকাও। তবে তোমাদের তুলনায় উপরের স্তরের লোকদের প্রতি তাকাবে না। কেননা, তোমাদের ওপর আল্লাহর নিয়ামতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা।”
“এমন দু’টি নিয়ামত আছে, যে দু’টোতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হচ্ছে: সুস্থতা আর অবসর”।
“সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা এমন একদিন (কিয়ামতের দিন) তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া অবশিষ্ট থাকবে না।
No hadiths match your search.