এ অনুবাদটির আরও অধিক সম্পাদনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন.
আবূ বাকরাহ রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: যে জাতি তাদের নেতৃত্ব একজন মহিলার হাতে দিয়েছে, তারা কখনো সফল হবে না। [সহীহ] - [এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] - [সহীহ বুখারী - 4425]
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, যদি কোনো জাতি তাদের শাসন, বিচার বা সাধারণ নেতৃত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব একজন মহিলার হাতে তুলে দেয়, তাহলে তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভ করতে পারবে না।
হাদীসের শিক্ষা
নারীরা শাসনকার্য, মানুষের মধ্যে বিচার করা এবং এ ধরনের সাধারণ নেতৃত্বের পদে অধিষ্ঠিত হতে পারে না। তবে ব্যক্তিগত বা সীমিত দায়িত্ব যেমন ওয়াক্ফের দেখভাল, ইয়াতিমদের অভিভাবকত্ব, বিদ্যালয় পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব গ্রহণে কোনো সমস্যা নেই।
নারীর দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করা হয়েছে এবং এ কথাও যে তিনি সাধারণ শাসন বা নেতৃত্বের কাজে পুরুষের সঙ্গে অংশ নিতে পারেন না। এ ধরনের দায়িত্ব নারীর হাতে দেওয়া হলে তা জাতির সফলতার অন্তরায় হয়।
আল্লাহ নারীদের সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁদের এমন একটি স্বভাব ও প্রকৃতি দিয়েছেন, যা পুরুষের স্বভাব থেকে ভিন্ন। তাই কিছু কিছু কাজ আছে যা নারীর পক্ষে করা উপযুক্ত নয়, তাদের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্যের কারণে। তেমনি কিছু কাজ আছে যা পুরুষের জন্য উপযুক্ত নয়, নারীর স্বভাবগত বৈশিষ্ট্যের কারণে।
যে সফলতা অস্বীকৃত হয়েছে, তা হচ্ছে শরিয়তের পরিভাষায় সফলতা—যা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনের নাম। কোনো জাতির রাজ্য বা শাসনব্যবস্থা সমৃদ্ধ ও জাঁকজমকপূর্ণ হলেও, তা আল্লাহর সন্তুষ্টিতে হওয়া জরুরি নয়। যে কেউ আল্লাহর আনুগত্যে না থাকে, সে সফলদের অন্তর্ভুক্ত নয়—যদিও তার দুনিয়ার অবস্থা বাহ্যিকভাবে খুব ভালো দেখায়।
এই হাদীসে নারীর অবমাননা করা হয়নি; বরং এতে তাঁর সামর্থ্য ও যোগ্যতাকে সঠিকভাবে ও তাঁর উপযুক্ত দিকেই পরিচালনা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।