عَنْ أَبِي سَعِيدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ:
اعْتَكَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي المَسْجِدِ، فَسَمِعَهُمْ يَجْهَرُونَ بِالقِرَاءَةِ، فَكَشَفَ السِّتْرَ، فَقَالَ: «أَلَا إِنَّ كُلَّكُمْ مُنَاجٍ رَبَّهُ، فَلَا يُؤْذِيَنَّ بَعْضُكُمْ بَعْضًا، وَلَا يَرْفَعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَعْضٍ فِي القِرَاءَةِ»، أَوْ قَالَ: «فِي الصَّلَاةِ».

[صحيح] - [رواه أبو داود] - [سنن أبي داود: 1332]
المزيــد ...

এ অনুবাদটির আরও অধিক সম্পাদনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন.

আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে ই’তিকাফ কালে সাহাবীদেরকে উচ্চস্বরে ক্বিরাআত পড়তে শুনে পর্দা সরিয়ে বললেনঃ “জেনে রাখো! তোমাদের প্রত্যেকেই স্বীয় রব্বের সাথে চুপিসারে আলাপে রত আছো। কাজেই তোমরা পরস্পরকে কষ্ট দিও না এবং পরস্পরের সামনে ক্বিরাআতে” বা “সালাতে আওয়ায উঁচু করো না”।

[সহীহ] - [আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন] - [সুনানে আবু দাঊদ - 1332]

ব্যাখ্যা

আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের উদ্দেশ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মসজিদের ভেতরে একটি তাঁবুর মধ্যে ইতিকাফ করছিলেন। এ সময় তিনি শুনতে পেলেন, তাঁর সাহাবীগণ কুরআন উচ্চস্বরে এমনভাবে তিলাওয়াত করছেন যে, একজনের আওয়াজ অন্যজনকে বিরক্ত করছে। তখন তিনি তাঁবুর পর্দা সরালেন এবং যাঁরা এমনটি করছিলেন, তাঁদের তিরস্কার ও সংশোধন করলেন। তিনি বললেন: তোমরা সকলেই কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে তোমাদের রবের সাথে গোপনে কথা বলছো, তাই একে অপরকে কষ্ট দিও না এবং কেউ যেন কারো ওপর তিলাওয়াতে বা সালাতে নিজের আওয়াজ উঁচু না করে।

হাদীসের শিক্ষা

  1. যদি কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ অন্য কারো জন্য কষ্টদায়ক হয়, তাহলে উচ্চস্বরে কুরআন পড়া নিষেধ।
  2. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের কুরআন তিলাওয়াতের শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছেন।
অনুবাদ: ইংরেজি ইন্দোনেশিয়ান রুশিয়ান সিংহলী ভিয়েতনামী তাগালোগ কুর্দি হাউসা পর্তুগীজ মালয়ালাম সুওয়াহিলি থাই অসমীয়া ডাচ গুজরাটি দারি হাঙ্গেরিয়ান কন্নড় الجورجية المقدونية الخميرية البنجابية الماراثية
অনুবাদ প্রদর্শন
আরো