আল্লাহর কসম! তোমার দ্বারা যদি আল্লাহ একটি লোককেও হিদায়াত দান করেন, তবে তা তোমার জন্য লাল রঙের উট অপেক্ষাও উত্তম হবে।”
“তোমার শরীরের যে অংশ ব্যথাযুক্ত হয়, তার উপরে তোমার হাত রেখে তিনবার ’বিসমিল্লা-হ’ বলবে এবং সাতবার বলবে-أَعُوذُ بِاللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ "আল্লাহ এবং তার ক্ষমতার আশ্রয় প্রার্থনা করছি- যা আমি অনুভব করি এবং যা থেকে ভয় করি তার অনিষ্ট হতে।
আব্দুর রহমান ইবন ‘আওফ এবং যুবায়ের ইবন আ‘ওয়াম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম এক যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট (গায়ে) উকুনের উপদ্রবের অভিযোগ করেন।
“তুমি যদি চাও, ধৈর্য ধারণ করতে পার। তোমার জন্য আছে জান্নাত। আর তুমি যদি চাও, তাহলে আমি আল্লাহর কাছে দু’আ করি, যেন তোমাকে অরোগ্য করেন”
“আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি- সে সব জিনিস হতে, যা আপনাকে কষ্ট দেয়, সব আত্মার খারাবী অথবা হিংসুকের কুদৃষ্টি হতে আল্লাহ আপনাকে মুক্তি দিন, আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি”।
আমরা অসুস্থ খাব্বাব ইবন আরাত্ত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে দেখতে গেলাম, তখন তিনি শরীরে (চিকিৎসা হিসেবে) সাতটি ছেঁকা ছিয়েছেন।
হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, ব্যাধি নিবারণকারী, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনি ব্যতীত আর কোনো সুস্থতা দানকারী নেই। এমন সুস্থতা (চাই) যা আর কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না।
“হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন। আরোগ্যতা দান করুন, আপনিই একমাত্র আরোগ্য দানকারী। আপনার আরোগ্য ব্যতীত অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্যতা দান করুন যা সামান্য রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে।”
“যে ব্যক্তি এমন কোনো রোগীকে দেখতে যায়, যার মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় নি, সে যেন তার নিকট বসে এ দু‘আটি সাতবার পাঠ করে, “أسأل الله العظيم، ربَّ العرشِ العظيم، أن يَشفيك” অর্থাৎ আমি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি, যিনি মহান আরশের অধিপতি, যেন তিনি তোমাকে রোগমুক্ত করেন। এ দো‘আর ফলে অবশ্যই আল্লাহ তাকে রোগমুক্ত করবেন”।