হাদীসসমূহের তালিকা

সে জাহান্নামী! লোকেরা তাকে দেখতে গেল আর তারা একটি আবা (বড় জামা) পেল যা সে আত্মসাৎ করেছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তিকে বড় বা ছোট সেনা দলের অধিনায়ক নিয়োগ করে পাঠানোর সময় বিশেষভাবে তার জন্য আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বনের এবং তার সহ-যোদ্ধাদের সাথে উত্তম ব্যবহারের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেন, “তোমরা আল্লাহর নামে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। তোমরা জিহাদ করো, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, চুরি করো না, কারো অঙ্গহানি বা অঙ্গ বিকৃত করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। যখন তুমি শত্রু পক্ষের মুশরিকদের মুখোমুখী হবে, তখন তাদেরকে তিনটি বিষয়ের প্রতি আহবান জানাবে। তারা সেগুলোর যে কোন একটির প্রতি সাড়া দিলে তুমি তাদের থেকে তা কবুল করো এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। ১. অতঃপর তুমি তাদেরাক ইসলামের দাওয়াত দাও। তারা যদি তা কবুল করে তবে তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নাও এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। অতঃপর তাদেরকে স্বদেশ ছেড়ে মুহাজিরদের দেশে চলে আসার আহবান জানাও এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তারা যদি এ কাজ করে তবে যেসব সুযোগ-সুবিধা মুহাজিরগন পাবে তারাও তা পাবে এবং মুহাজিরদের উপর যেসব দায়দায়িত্ব বর্তাবে তা তাদের উপরও বর্তাবে। তারা যদি (স্বদেশ ত্যাগ করতে) অসম্মত হয় তবে তাদের জানিয়ে দাও যে, তারা বেদুইন মুসলমানদের সমান মর্যাদা পাবে, তাদের উপর আল্লাহর সেই সব হুকুম জারি হবে যা মুমিন মুসলমানদের উপর জারী হয় এবং তারা গনীমত ও ফাই-এর কিছুই পাবে না, তবে যদি তারা মুসলমানদের সাথে মিলে জিহাদ করে। ২. তারা যদি ইসলামে দাখিল হতে অস্বীকার করে তবে তাদেরকে জিযয়া দিতে বলো। তারা যদি তা দেয় তবে তাদের নিকট থেকে তা গ্রহণ করো এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। ৩. তারা যদি জিযয়া দিতেও অস্বীকার করে, তবে তুমি তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করো এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। আর তুমি কোন দুর্গ অবরোধ করলে পর তারা তোমার নিকট আল্লাহর যিম্মাদারি এবং তোমার নবীর যিম্মাদারি লাভের আশা করলে তুমি তাদের জন্য আল্লাহর যিম্মাদারি এবং তোমার নবীর যিম্মাদারি দান করবে না, তবে তোমার নিজের জিম্মাদারী ও তোমার সাথীদের জিম্মাদারী দান করো। কারণ, তোমাদের নিজেদের ও তোমাদের সাথীদের যিম্মাদারি ভঙ্গ করা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের যিম্মাদারি ভঙ্গ করার চেয়ে তোমাদের জন্য অধিকতর সহজ। আর তুমি কোন দূর্গ অবরোধ করলে পর তারা তোমার নিকট আল্লাহর হুকুম মানতে চাইলে তুমি তাদেরকে আল্লাহর হুকুমের ওপর রাখবে না, বরং তোমার হুকুম মানতে বাধ্য করো, কারণ তুমি জান না তাদের ব্যাপারে তুমি আল্লাহর হুকুম সঠিকভাবে জানতে পারবে কি পারবে না।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি তীর নিক্ষেপের জ্ঞান অর্জন করল, তারপর সে তা পরিত্যাগ করল, সে আমাদের দলভুক্ত নয় অথবা সে অবাধ্য হলো।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহর নিকট মুশরিকদের একজন গুপ্তচর উপস্থিত হলো। তখন তিনি সফরে ছিলেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করবে আর তার জন্য রয়েছে তার ওপর প্রমাণ, তাহলে তার মাল-সামানাহ তার।
عربي الإنجليزية الأوردية
সালামাহ ইবনে আকওয়া’ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তীর নিক্ষেপরত একদল লোকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় বললেন, “হে ইসমাঈলের সন্তানেরা। তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। কারণ, তোমাদের (আদি) পিতা (ইসমাঈল) তীরন্দাজ ছিলেন।”
عربي الإنجليزية الأوردية
আল্লাহ তাআলা মূসার উপর রহম করুন। তাঁকে এর চেয়ে বেশী কষ্ট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন।”
عربي الإنجليزية الأوردية
কখনোই না। আমি তাকে জাহান্নামে দেখেছি একটি চাদর অথবা আংরাখা (বুক-খোলা লম্বা ও ঢিলা জামা) এর কারণে, যা সে (গনীমতের মাল থেকে) চুরি করেছিল।
عربي الإنجليزية الأوردية
হে আনসারগণ! আমি কি তোমাদেরকে গুমরাহীর মধ্যে লিপ্ত পাইনি, পরে আল্লাহ আমার দ্বারা তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন? তোমরা ছিলে পরস্পর বিচ্ছিন্ন, অতঃপর আল্লাহ আমার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরকে জুড়ে দিয়েছেন। তোমরা ছিলে অভাবগ্রস্ত, অতঃপর আল্লাহ আমার মাধ্যমে তোমাদেরকে অভাবমুক্ত করেছেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
যুদ্ধ হচ্ছে কৌশল।
عربي الإنجليزية الأوردية
“যে যোদ্ধাদল বা সেনাবাহিনী যুদ্ধ করল এবং গনীমতের সম্পদ অর্জন করল এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরে এল, সে দল বা বাহিনী স্বীয় প্রতিদানের (নেকীর) তিন ভাগের দু’ভাগ (পার্থিব জীবনেই) সত্ত্বর লাভ করে নিল (এবং একভাগ আখেরাতে পাবে)। আর যে সেনাদল বা বাহিনী লড়াই করে গনীমতের মাল পেল না এবং শহীদ বা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেল, সে সেনাদল পূর্ণ প্রতিদান অর্জন করল।”
عربي الإنجليزية الأوردية
যারা যুদ্ধে যায় নি, তাদের জন্য মুজাহিদদের স্ত্রীগণ এমন হারাম, যেমন তাদের জন্য তাদের মাতাগণ হারাম।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত না দিয়ে কখনও কোনো জাতির সঙ্গে যুদ্ধ করেননি।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণীমতের মাল ঘোড়ার জন্য দুই অংশ এবং পুরুষের জন্য এক অংশ বন্টন করেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৈন্যদলে যাদের পাঠাতেন তাদের কতককে সাধারণ সৈন্যের অংশ ব্যতিত অতিরিক্ত বিশেষ গণীমত প্রদান করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
বনী নাযীরের ধন-সম্পদ ছিল আল্লাহর রাসূলের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ যাতে মুসলিমগণ কোন উট বা ঘোড়া দোড়াতে হয়নি। তাই তা ছিল কেবল আল্লাহর রাসূলেন জন্য খাস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালা তার পরিবারের এক বছরের খরচা আলাদা করে রাখতেন। তারপর অবশিষ্ট সম্পদ আল্লাহর রাস্তার প্রস্তুতি ও ঘোড়ার মধ্যে ব্যয় করতেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
আমাদের পূর্বে কারো জন্য গণীমতের মাল হালাল ছিল না। পরে আল্লাহ তা‘আলা যখন আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা দেখলেন, তখন আমাদের জন্য তা হালাল করে দিলেন।
عربي الإنجليزية الأوردية
মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় (মক্কায়) প্রবেশ করেছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণটি মাথা থেকে খোলার পর এক ব্যক্তি এসে তাঁকে বললেন, ইবন খাতাল কা‘বার গিলাফ ধরে আছে। তিনি বললেন, তাকে তোমরা হত্যা কর।
عربي الإنجليزية الأوردية
“তোমার জন্য রয়েছে এর বিনিময়ে কিয়ামতের দিন সাতশতটি উষ্ট্রী, যেগুলো সবই হবে নাকে রশিযুক্ত।”
عربي الإنجليزية الأوردية